আইইএলটিএস(IELTS) টেস্ট! এই পরীক্ষার কথা শুনলেই অনেকের গায়ে জ্বর চলে আসে। কিন্তু আমার মতে এই পরীক্ষা যতটা না আপনার ইংরেজি জ্ঞান যাচাই করে, তার চেয়ে বেশি যাচাই করে আপনি কত “স্মার্টলি” এই জ্ঞান ব্যবহার করতে পারছেন তা। তাই এই সিরিজে আমরা স্মার্ট হব এবং আয়ত্ব করে ফেলব “স্মার্ট আইইএলটিএস”! 🙂

আইইএলটিএস রিডিং এ দেয়া তিনটি প্যাসেজ/সেকশন থেকে সর্বমোট ৪০টি(চল্লিশটি) প্রশ্নোত্তর করতে হয়। এই প্রশ্নগুলোর প্রায় ১১ টি ধরণ হতে পারে। আজকে আমরা এরকম এক ধরণের প্রশ্ন এবং কীভাবে উত্তর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব। এই সিরিজটি শুধুমাত্র তাঁদের জন্য যাঁদের হাতে মাত্র ২ সপ্তাহ সময় এবং এভারেজ IELTS Score 6 বা 7 পেলেই চলবে। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক।

              আইইএলটিএস                                                                             রিডিং সেকশন

সময় ৬০ মিনিট (উত্তর লেখার সময়সহ)
কয়টি বিভাগ/প্যাসেজ থাকে? ৩টি; সবগুলো মিলিয়ে শব্দ সংখ্যা ২১৫০ থেকে ২৭৫০ হতে পারে।
প্রশ্ন সংখ্যা ৪০টি (চল্লিশটি)
মার্কস/নম্বর প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ মার্কস দেয়া হয়।
আপনার ফাইনাল রিডিং স্কোর দেয়া হবে ব্যান্ড হিসেবে। যেমনঃ 4.5 কিংবা 7 ইত্যাদি।

কীভাবে করবেন তথ্য মেলানো (Matching information)?

যেভাবে সাধারণত প্রশ্ন আসেঃ (সূত্রঃ ieltsadvantage)

এই ধরণের প্রশ্নে আপনাকে সুনির্দিষ্ট একটি তথ্য খুঁজে বের করতে হয় প্রদত্ত প্যারাগ্রাফ/সেকশন/প্যাসেজ থেকে। প্যারাগ্রাফ/সেকশনগুলো বিভিন্ন ধরণের বর্ণ, যেমনঃ A, B, C ইত্যাদি দিয়ে নামাঙ্কিত থাকে। আপনাকে আপনার উত্তরপত্রে(Answer Sheet) সঠিক প্যারাগ্রাফ/সেকশনের নাম(যেমনঃ উত্তর যদি A হয়, তাহলে লিখবেন A) লিখতে হবে। এই ধরণের প্রশ্নে একটি প্যারাগ্রাফ/সেকশন একাধিকবার ব্যবহৃত হতে পারে, আবার কিছু প্যারাগ্রাফ/সেকশন একদমই ব্যবহার না করতে পারে। মনে রাখবেন, যদি একটি প্যারাগ্রাফ/সেকশন একাধিকবার ব্যবহার করা হয়, তবে প্রশ্নে এটা লেখা থাকবে যে, উত্তরপত্রে চাইলে আপনি একটি প্যারাগ্রাফের কথা একাধিকবার বলতে পারবেন।যেমনঃ দুইটি প্রশ্নের উত্তর যদি B মনে হয়, তাহলে দু’বার B লিখতে পারবনে।

এই ধরণের প্রশ্ন দিয়ে কোন দক্ষতা পরখ করা হয় তা হলঃ প্যারাগ্রাফ/প্যাসেজ মনোযোগ দিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে, প্রদত্ত তথ্যের সঠিক উৎস খুঁজে বের করতে পারার ক্ষমতা।

সাধারণত যেভাবে ভুল হয়

  • যে প্রশ্নটি দেয়া হয়েছে তা প্যারাগ্রাফের যেকোন জায়গা থেকে হতে পারে। তাই সম্পূর্ণ প্যাসেজ/প্যারাগ্রাফ পড়লে বোঝা যায় যে এটি সেই প্যারগ্রাফ/প্যাসেজের অন্তর্গত কিনা।
  • প্রশ্ন হতে পারে আগে-পিছে থেকে। মানে উত্তর A, B, C, D এরকম না হয়ে A, D, C, A, B ইত্যাদি হতে পারে। তাই ক্রমান্বয়ে উত্তর হবে এরমন মনে করা ঠিক নয়।
  • মাঝে মাঝে একই প্যারগ্রাফ/প্যাসেজ থেকে একাধিক উত্তর আসতে পারে। তাই B  একবার ব্যবহার করে ফেলেছেন বলে B আবার আসবে না, এমন কোন কথা নেই!
  • প্যারাগ্রাফ/প্যাসেজের প্রথম বা শেষ লাইন পড়ে অনেকেই আইডিয়া নেয়ার চেষ্টা করেন যে বাক্যটি ঐ প্যারাগ্রাফে আছে কিনা তা জানতে। কিন্তু এই ধরণের প্রশ্নে প্যারাগ্রাফ বা প্যাসেজে ভাব বোঝার জন্য না, বরং তথ্যের উৎস খুঁজে বের করা। তাই সাবধান।

তাহলে কীভাবে উত্তর করতে হবে

  • ভাল করে প্রশ্ন পড়ুন। শুধু প্রশ্নই নয়, প্রশ্নের সাথে দেয়া বাকি ইন্সট্রাকশনগুলোও পড়ুন। ভাল করে প্রশ্ন না করার কারণে অনেক ভুল হয়।
  • এরপর প্যারাগ্রাফগুলো দ্রুত একবার পড়ে ফেলুন। এতে প্রশ্ন পড়ার সাথে সাথে আপনি হয়ত সহজেই মিলিয়ে নিতে পারবেন উত্তর।
  • প্রশ্নতে যা বলা হয়েছে হবহু তা প্যারগ্রাফ/প্যাসেজে খোঁজার চেষ্টা করা বোকামি। বরং খুঁজে দেখুন সমার্থক/সিননিমাস বাক্য আছে কিনা যা দিয়ে একই জিনিস বোঝায়। যেমনঃ প্রশ্ন যদি থাকে, “Karim loves cooking.” তাহলে প্যারাগ্রাফে হয়ত থাকতে পারে, “Karim developed an affection for cooking and does it everyday with a lot of love.” তাই বুঝে শুনে আগাবেন! 🙂

উদাহরণঃ একটি বাক্য কীভাবে ঐ প্যারাগ্রাফের হতে পারে তার একটি ব্যাখ্যাসহ উদাহরণ এখন আমরা দেখব। ভাল করে লক্ষ্য করুন। (সূত্রঃ yourieltstutor)

1. The writer’s predictions of future solution.

এখানে, উত্তর হবেঃ 1. H

1 নং বাক্যটিতে যা বলা হয়েছে তা H নামক প্যারাগ্রাফে বিদ্যমান।সেখানে, এই শব্দগুলো আমরা দেখতে পাইঃ “likely scenario”, “might be used to ensure that…”, “these are solutions”।  তাই উত্তরঃ 1. H

2. The impact of the car on city development.

এখানে, উত্তর হবেঃ 2. D

2 নং বাক্যটিতে যা বলা হয়েছে তা D নামক প্যারাগ্রাফে বিদ্যমান। এই প্যারাগ্রাফে “cities are still designed…” , “land is assigned to car use…” and “urban sprawl”, “Effects” ইত্যাদি শব্দগুলো দিয়ে তৈরি বাক্যগুলো সরাসরি ২ নং বাক্যটির সাথে মিলে যায়। তাই উত্তর হলঃ 2. D


IELTS Reading – Paragraph Information Matching


এখন একটি প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, এরপর প্রশ্ন আকারে বাক্য দেয়া হবে।  যাচাই করে দেখুন কতটুকু পারলেন। আর না বুঝলে প্রশ্ন করুন। আমরা উত্তর করব। উত্তর থাকবে প্রথম কমেন্টে


Questions

1.The entertainment industry became involved in creating new uses for neon lighting.
2. The effect of a new morality on the neon lighting industry.
3. Neon can be obtained through the liquefaction of air.
4. Displays of neon lighting became a symbol of a city’s growth and success.
5. Neon is a scarce element found in the air.
6. Neon lighting was not developed as a form of advertising.

Paragraphs

B

The light emitting properties of neon were identified almost immediately after its discovery in 1898 by the British chemists Sir William Ramsay and Morris Travers in 1898. When they attached an electrode to a tube of the newly-discovered gas, there was what Travers described as a “blaze of crimson light”. This fascinated both the scientific and business communities equally as they sought to find a way to commercialise neon in a world where electricity was the coming technology. They were frustrated in their attempts by difficulties in isolating the element which, while it is part of the Earth’s atmosphere, is comparatively rare.

C

As is frequently the way with inventions, the breakthrough came by accident. A French entrepeneur, Georges Claude, had recently set up a business Air Liquide that specialised in the production of liquid nitrogen and oxygen. He discovered that he was also producing industrial quantities of neon as a by-product of this process and this put him into the position of being able to build on other people’s earlier experiments to produce neon lighting. Indeed, in the early years of neon, he had a near monopoly on the new technology, as his ready supply of neon allowed him to find a practical way to seal the gas in glass tubes.

D

Initially when he demonstrated his neon tubes at an exhibition in Paris in 1910, Claude proposed using his neon tubes as a form of indoor lighting to the extent he was nicknamed the French Edison. It did not take long to realise, however, that it’s true potential lay in signage and advertising and the first neon signs were seen in Paris as early as 1913.  The great leap forward for the business came, though, when the technology was exported to the United States of America and, in particular, New York which was on the point of becoming the commercial capital of the world.  A measure of the new technology’s success can be gauged from the fact that the neon sign industry was valued at $16.9 million by 1931 – a mere 8 years after the first signs for a Packard automobile dealership were set up in California at the cost of $24,000.

E

The great era of neon was without question the 1930s and its showcase was Times Square in New York. The simple neon tubes first created by Georges that produced a red light had long since been replaced by glass lettering bent into every conceivable shape. Neon too was supplemented with other gases such as argon, mercury and phosphor that enabled the production of every possible colour and shade.  Each year the Times Square display became ever more spectacular as the light display incorporated design elements from the stage and screen such as sound and animation. This only led to other cities in the United States and around the world producing their own neon spectaculars in an attempt to show off their modernity.

F

The Second World War brought an end to the great expansion on neon advertising in the United States and, with some exceptions, such as in Las Vegas, the great cities of the world were no longer illuminated by giant neon advertising signs to anything like the same extent. Part of the explanation for this is that the world had become a more austere and sober place in the 1940s, a time of harsh economic realities. Against this background neon signage, which had become associated with excess and entertainment , no longer seemed appropriate in the new world order. This did not mean neon disappeared from our lives altogether, it simply meant that it went slightly underground – advertising barber shops and kebab stalls as opposed to the latest car to roll off the Ford assembly line. It also became a medium for artists to work in.


আরো পড়তে পারেনঃ