লিখাটা IELTS নিয়ে দুর্বল স্টুডেন্ট দের জন্য যারা ১০ দিন এর প্রস্তুতি নিয়ে ৭.৫/৮ পান তাদের জন্য না।  IELTS নিয়ে জুলাই,২০১৫ পর্যন্ত এম্বেসী অনেক কড়াকড়ি করেছিল। যদিও  এখন কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করেছে। কিন্তু, IELTS থেকে বাঁচার কোনো রাস্তা এখনও খোলা নাই। IELTS ছাড়া আপনি এম্বেসী ফেস করতে পারতেছেন না এবং IELTS ছাড়া আপনি ভালো সাবজেক্ট খুঁজে পেতে  অনেক কষ্ট করতে হবে।   উপরের কথা গুলা বলার কারণ হলো আপনাকে যে IELTS পরীক্ষা  দিতে হবে সে বেপারে কোনো  দ্বিধা না রাখা।  যখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন পরীক্ষা দিতে হবে এখন বাকি কাজ। (আপনি পরীক্ষা দিবেন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে পরীক্ষায় মার্কস পাওয়াও সহজ )

সিদ্ধান্ত নেবার পরে যখন প্রস্ততি নেয়া শুরু করছেন তখন কিছু জিনিস আপনার মাথায় ঘুরঘুর করতে পারে এবং আপনার প্রস্ততিতে ১০০% বাধা তৈরী করবে। চিন্তা গুলা:

১. এত কষ্ট করে IELTS পরীক্ষা দিব যদি admission না পাই, পরিশ্রম সব বৃথা। কি দরকার এত কষ্ট করার।

২. সবাই বলে admission পাওয়া সহজ কিন্তু যদি ভিসা না পাই, এত কষ্ট সব মাটি।

৩. আবার, ২০,০০০ টাকা লাগবে কই পাই এই ২০, ০০০ টাকা, যদি স্কোর কম আসে তাহলে এই ২০,০০০ টাকাও লস। বাংলাদেশে IELTS Test ফিস কত তার হাল নাগাদ তথ্যের জন্য এখানে দেখুন

এক জায়গাতে এক সময় এক জিনিষ থাকতে পারে। আপনি যদি এত কিছু চিন্তা করেন তাহলে আপনার মাথাতে IELTS প্রস্তুতি নেয়ার মত খালি জায়গা থাকবে না। আর IELTS প্রস্তুতি নিতে মাত্র ১ বা ২ মাস সময় লাগে ….  So, it is worth trying.

এইগুলা IELTS প্রস্তুতি নেবার আগে প্রি -প্রস্তুতি। এগুলা কোথাও লিখা থাকে না। IELTS টিপস নিয়ে সার্চ করলে অনেক সাজেশন পাওয়া যায় । কিন্তু, এগুলো এতটা কাজে লাগানো যায় না। তাই, আমার মনে হয় প্রি -প্রস্ততি গুলা আগে ঠিক করে নিলে সাজেশন গুলা বেশি কাজে লাগানো যায় ।

আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার  করি বেপারটা  বুঝানোর জন্য।  আমি offer  লেটার পাওয়ার পরে IELTS পরীক্ষা দিছি।  offer  লেটার পাওয়ার পরে মাথার মধ্যে ৩ চিন্তা    ক ) ভর্তি তারিখ   খ ) ব্লক একাউন্ট   গ ) IELTS

চিন্তা করলাম এইটাকে ১ টা করতে হবে। ব্লক একাউন্ট এর বেপারে ঠিক করলাম পরীক্ষা দেবার পরে কাজ শুরু  করব। ভর্তি তারিখ  এর বেপারে ভার্সিটি তে ভদ্র ভাবে  ই-মেইল করলাম তারা ডেট extend করতে রাজি হইলো।  তারপরে  শুরু IELTS প্রস্ততি।


আরো পড়তে পারেনঃ