IELTS মোটামোটি সহজ পরীক্ষা অনেকে এটা জানেন যারা জানেন না তাদের একটু ব্যাখ্যা করি।

পরীক্ষার চারটি অংশের মধ্যে রিডিং অংশটা কঠিন। ৩ টা প্যাসেজ solve   করতে হবে ১ ঘন্টা। এখানে সময় যদি ১ ঘন্টার জায়গায় ১.৫ বা ২ ঘন্টা দেয়া হয়  তাহলে সবাই ৪০ এর মধ্যে  ২৭+ পাবে যেটা হলো ব্যান্ড স্কোর ৬.৫। কিন্তু আমরা ২৭ পাই না কারণ, সময়টা ১.৫ ঘন্টা বা ২ ঘন্টা না সময় ১ ঘন্টা।  কথাগুলা বলার কারণ হলো প্রশ্ন যে কঠিন না সেটা বুঝানো এবং সমস্যা যে মূলত সময় নিয়ে হয় সেটা জানানো। তাই , ১মাস থেকে ২ বা ২.৫ মাস সময় নিয়ে ৪০ এ ২৭+ পাবার চেষ্টা করলে আপনি সেটা পেতে পারেন।  এ ক্ষেত্রে, রাফিউল সাব্বির ভাই এর “Ielts নিয়ে রাফিউল সাব্বিরের বয়ান” আর্টিকেল এর একটা কথা সংযোগ  করতে চাই , “এই সেকশনে কোনো শর্টকাট নাই। টাইম দিতে হবে এই সেকশানে সবচেয়ে বেশি।”


এরপরে, স্পিকিং , এখানকার সবচেয়ে  বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে এমন কিছু জিজ্ঞাস করা হবে না যেটা আপনার না পারার সম্ভাবনা আছে।  যেমন : আপনাকে কখনই জিজ্ঞাস করবে না (a + b )2 এর সুত্র বল , বা জারণ – বিজারণ এর সংজ্ঞা বল , বা কাল মার্কস সমাজ সম্পর্কে যে সংজ্ঞা দিছে সেটা হুবুহু এখন তোমাকে বলতে হবে।

আপনাকে প্রথমে জিজ্ঞাস করবে আপনার নাম কি , তারপরে জিজ্ঞাস করবে আপনি কোথায়  থাকেন।  এভাবে ধীরে ধীরে  কোনো বিষয় এ আপনার মতামত জিজ্ঞাস করবে। এই প্রশ্ন গুলার উত্তর দেয়া সহজ।

স্পিকিং এর ব্যাপারে আর ২টা ইনফরমেশন:

১. IELTS এ চাপাবাজি করার কিঞ্চিত সুযোগ আপনি পাবেন। যেমন :আপনাকে জাদুঘর সম্পর্কে কিছু বলতে বললো। কিন্তু , এমন হতে পারে আপনি কখনো জাদুঘরে যান নাই ( মনে করেন) .  আপনার বন্ধু গেছে তার অভিজ্ঞতা আপনি শুনছেন । সেটাকে আপনি নিজের অভিজ্ঞতা  হিসেবে চালাতে পারেন।  গল্পটা সত্য না মিথ্যা সেটা যাচাই করার সময় IELTS এর নাই।  তারা দেখবে আপনি correct sentence  বলতেছেন  কিনা , vocabulary ঠিক আছে  কিনা , উচ্চারণ ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি। (সুত্র : IELTS Speaking Task 2 – How to succeed )

২. আমার জানা মতে, নাম্বার বন্টন ৩/৪ টা ইস্যুতে করা হয়: উচ্চারণ, fluency , vocabulary , grammar. তাই, আপনি যদি grammar এ দুর্বলও হন কথা চালিয়ে যান বাকি ৩ টা  সেকশন (উচ্চারণ, fluency , vocabulary ) এ ভালো নাম্বার পাবার চেষ্টা করেন।  থামবেন না।  (সূত্র : IELTS Speaking Task 1 – How to get a high score)


আরো পড়তে পারেনঃ