প্রারম্ভিক আলোচনা

কথায় বলে, নামে নয় কাজেই পরিচয়। এই কলাম পড়ার আগে ধরে নিন, নামেই অনেক কিছু হয়। আপনি যদি ইউরোপে, বা উত্তর আমেরিকাতে, বা অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড এমন কোনও দেশে থাকতে চান আর আপনার নাম যদি স্ট্যান্ডার্ড ফরম্যাটে না থাকে, তাহলে বলতে হয়, নাম সংশোধন আপনার জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। তাই যতই পরিশ্রম, দীর্ঘসূত্রিতা, প্রশাসনিক জটিলতা থাকুক না কেন; এই কাজে প্রচণ্ড সাহস আর ইচ্ছাশক্তি নিয়ে আজই আপনার নেমে পরা উচিৎ। যতই দেরী করবেন, মনে করতে থাকবেন আপনার গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো চলে যাচ্ছে; আর এক একটি সনদ আপনার বর্তমান নামে ইস্যু হওয়ার সাথে সাথে আপনার কাজও অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

এই পুরো আলোচনা একজন বাংলাদেশী জার্মান প্রবাসী কিভাবে নাম সংশোধন করবেন সেটা নিয়ে। তবুও অন্য অনেকের জন্যও অনেক কিছু সহায়ক হতে পারে। তবে যারা পরবর্তীতে বাংলাদেশী থেকে জার্মান হয়ে যাবেন, তাদের কিন্তু first name বা Vorname জীবনে একবার বদলে ফেলার অবকাশ থাকে। সেটা নিয়ে এখানে আলোচনা হবে না।

প্রথমেই বলে নেই, নামের গঠন কেমন হওয়া উচিৎ তা নিয়ে। নামের প্রথম আর শেষ দুটো অংশ থাকতেই হবে। এই ব্যপারে পৃথিবীতে মোটামুটি কারোও কোনও দ্বিমত নেই। শুধুমাত্র তৃতীয় আর কিছু ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নন স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাক্টিসের কারণে এইসব ব্যপারে জ্ঞানের অভাব থেকে যায়। তাহলে নিচে দেখে নিন নামের প্রথম আর শেষ অংশ নিয়ে মৌলিক আলোচনা :

প্রথম নাম (first name / Vorname = Rufname + zweiter Vorname / middle name)

এটি হল একটি বা একাধিক আলাদা শব্দের নাম দিয়ে, যেটা বা যেগুলো দিয়ে আপনাকে পরিবার, বন্ধুমহল বা কাছের লোকজন সম্বোধন করেন।

প্রথম নাম যদি শুধু এক শব্দের হয়, তাহলে আপনার জটিলতা অনেক কম। আপনার প্রথম নামই সেক্ষেত্রে আপনার ডাকনাম বা Rufname।

প্রথম নাম দুই শব্দের বা একাধিক শব্দের হলে হলে, শুধু প্রথম শব্দটিকে Rufname হিসেবে বাই ডিফল্ট জার্মানীতে ধরে নেয়া হয়। পরের শব্দটিকে বা শব্দগুলোকে zweiter Vorname (Germany) বা middle name (USA) হিসেবে ধরে নেয়া হয়। জার্মানীতে middle name বা zweiter Vorname কে officially আলাদা করা হয় না তেমন। পুরো Vorname কে Rufname এবং zweiter Vorname সহ একসাথে লিখা হয়।

বিদেশী হিসেবে আপনি আসার পরে রেজিস্ট্রেশন করার সময়ে Meldebehörde তে জিজ্ঞাসা করা হয়, Vorname / first name / প্রথম নামে আপনার Rufname বা ডাকনাম কোনটি। আপনার সম্মতিক্রমে তখন Rufname / ডাকনামকে আন্ডারলাইন করে দেয়া হয়। সে হিসেবে আন্ডারলাইন না করা Vorname এর পরের শব্দগুলো বাই ডিফল্ট হয়ে যায় zweiter Vorname বা middle name।

কিন্তু ব্যপারটা জটিল হয়ে যায়, যখন আপনি Vorname এর শেষের দিকের কোনো শব্দকে Rufname হিসেবে ঘোষণা করেন। এটা সাধারণত এখানের সংস্কৃতির সাথে যায় না এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গাতে বিভিন্ন ভূলের সূচনা হতে থাকে। এটা নিয়ে বিভিন্ন উদাহরণে পরে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

কিছু আন্তর্জাতিক হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড নামের উদাহরণ নিচে দেয়া হল। যেহেতু zweiter Vorname বা middle name অনেক ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়, তাই সেটা বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত রূপে কিভাবে নাম লিখা হয় সেটাও দেখানো হল:

আবদুল্লাহ আল-মামুন খান = খান, আবদুল্লাহ আল-মামুন = আবদুল্লাহ খান = খান, আবদুল্লাহ

পার্থ প্রতিম চৌধুরী = চৌধুরী, পার্থ প্রতিম = পার্থ চৌধুরী = চৌধুরী, পার্থ

Angela Dorothea Merkel = Merkel, Angela Dorothea = Angela Merkel = Merkel, Angela

Barack Hussein Obama = Obama, Barack Hussein = Barack Obama = Obama, Barack

পারিবারিক নাম / শেষ নাম / জন্মগত নাম (surname / family name / birth name / maiden name / Nachname / Familienname / Name / Geburtsname)

এটি হল আপনার পারিবারিক নাম বা বংশের নাম। এই নাম দিয়ে আপনাকে অফিসিয়ালি ডাকা হবে। যেমনঃ Mr. Khan, Ms. Chowdhury, Mr. Kazi, Ms. Torofdar, Ms. Merkel, Mr. Obama ইত্যাদি। জার্মানীতে Mr. Khan কে Herr Khan আর Miss Chowdhury কে Frau Chowdhury হিসেবে ডাকা হবে।

এর আগে বর্ণনা করা প্রথম নাম আর এখানে বর্ণিত পারিবারিক বা শেষ নাম উন্নত দেশের মোটামুটি সবগুলোতেই আলাদা করে লিখা হয়। বলতে গেলে এইসব দেশে, এমন কোনও ফরম নেই, যেখানে আপনি বাংলাদেশের মত শুধু একটা পুরো নাম লিখবেন। প্রায় সর্বত্র আপনাকে প্রথম নাম আর পারিবারিক নাম আলাদা করেই লিখতে হবে।

এখানে একটি বিশেষ ব্যপার লক্ষণীয়। সবাই সাধারণত পারিবারিকভাবে বাবা অথবা মা থেকে একটি পারিবারিক নাম বা family name পেয়ে থাকে। কিন্তু আপনি যদি বিয়ের কারণে স্বামীর বা স্ত্রীর পারিবারিক নাম পরবর্তীতে যোগ করে থাকেন, তাহলে নতুন যোগ হওয়া পারিবারিক নামটিই আপনার পারিবারিক নাম। আর ছোটবেলাতে বাবা অথবা মা থেকে পাওয়া পারিবারিক নামটি তখন হয়ে যাবে জন্মগত নাম বা birth name বা Geburtsname।

এক্ষেত্রে Angela Merkel এর উদাহরণ থেকে এটি সুন্দর বুঝা যাবে। তাঁর বাবা ছিলেন Kasner পরিবারের, নাম Horst Kasner। তিনি মেয়ের নাম রাখলেন Angela Dorothea Kasner। যেখানে Rufname বা ডাকনাম Angela নামটি দিয়ে বেশি ডাকা হয়, আর মাঝে মাঝে zweiter Vorname বা middle name হিসেবে Dorothea বলেও ডাকা যায়। বড় হয়ে তিনি বিয়ে করলেন Merkel পরিবারের ছেলে Ulrich কে, নাম Ulrich Merkel। সেই হিসেবে তিনি পারিবারিক নাম নতুন করে নিলেন Merkel। তাই তিনি হয়ে গেলেন Angela Dorothea Merkel। আবার জার্মানীতে Standesamt থেকে নাম পরিবর্তন ঠিকভাবে অনলাইন এ tracked আর documented থাকে। তাই প্রচলিত ব্যবহারের ID card, পাসপোর্ট, ATM card এইসব কিছু ছাড়া পুরনো সার্টিফিকেট আর জন্মসনদের কোনও পরিবর্তন হয় না। সেই হিসেবে তার আগের সব সার্টিফিকেটে আগের পারিবারিক নাম বা জন্মগত নাম) Geburtsname / name at birth) Kasner রয়ে গেছে। এইজন্য সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সবসময়ই Geburtsname এর ব্যপারে জানতে চাওয়া হয়।

তাই Angela Merkel যদি জার্মানীতে ফরম পূরণ করেন, তিনি লিখবেন এইভাবে :

Familienname : Merkel

Vorname(n) (vollständig) : Angela Dorothea

অথবা Rufname : Angela

Geburtsname : Kasner

আবার তিনি যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ফরম পূরণ করতে যান, তাহলে লিখবেন :

Surname : Merkel

First name : Angela

Middle name : Dorothea

Surname at birth / maiden name : Kasner

___________________________________________________________________________

নামের কোনও স্ট্যান্ডার্ড যদি ধরতে চান, তাহলে বলতে হবে এটা পুরোপুরি দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। এখানে সংস্কৃতি, ধর্ম, দেশ, ভাষা অনেক প্রসঙ্গই চলে আসবে। আর অবশ্যই এগুলোতে নানা মুনির নানা মত আছে এবং এবং ওইধরনের বিতর্ক সাধারণত কখনও শেষ হয় না। তবে এখানে আলোচনার বিষয়বস্তু মূলত ইউরোপ আর উত্তর আমেরিকাতে বর্তমানে যে নামকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরা হয় তা নিয়ে। তাই এখানকার নামের ফরম্যাট খেয়াল রেখে যারা নাম সংশোধন বা পরিবর্তন করতে চান, এই লিখা শুধু তাদের জন্যই।

আলোচনার সুবিধার্থে পাঁচভাগে এই আলোচনাটিকে ভাগ করা হলঃ

১। বাংলাদেশে প্রচলিত নামের সংস্কৃতি

২। বাংলাদেশে নাম সংশোধন বা পরিবর্তন

৩। জার্মানিতে নাম সংশোধন বা পরিবর্তন

৪। নাম সংশোধনের কিছু প্রস্তাবনা

৫। শেষকথা


name correction GermanProbashe

১। বাংলাদেশে প্রচলিত নামের সংস্কৃতি 

বাংলাদেশী বেশীরভাগ নামেরই কোনও ফরম্যাট নেই। কোনও নিয়মেরও বালাই নেই। সরকার থেকে শিক্ষাবোর্ড অথবা জন্ম-নিবন্ধকের দ্বারা সবাইকে একটা নিয়ম অনুসরণের নির্দেশ দেয়ারও কোন গরজ নেই।

.ক। ডাক নাম (Spitzname বা Rufname) 

বাংলাদেশের অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সবাই তাকে চিনেন এক নামে, আর বাস্তবে কাগজে-কলমে তিনি পুরোপুরি অন্য এক ব্যক্তি। এটি অনেক ক্ষেত্রে দ্বৈত পরিচয় (double identities) অথবা পরিচয় সংকটের (identity crisis) তৈরি করতে পারে।

ধরুন, আপনার কাগজে-কলমে নাম “আফজাল হোসেন” । আবার আপনাকে সবাই চিনে, আপনার ডাকনাম “জনি” হিসেবে। এই আপনার যে কোনও ব্যপারে কেউ দাপ্তরিকভাবে (officially) কোথাও কিছু জানাবেন বা কোনও খোঁজ নিবেন, যে ব্যক্তি এই কাজ করতে যাবেন, তিনি মোটামুটি হাবুডুবু খেতে থাকবেন।

পৃথিবীর বেশীর ভাগ দেশে প্রথম নামই সাধারণত ডাকনাম। তাই কাউকে কাগজে-কলমে খুঁজে পেতে তেমন কষ্ট হয় না আর। কিছু কিছু ক্ষেত্রে Alexander কে Alex, Edward কে Eddie বলা হয়। এগুলো প্রথম নামের সংক্ষিপ্তরূপ এবং মোটামুটি সবার জানা থাকে, কোন নামের সংক্ষিপ্তরূপ কেমন হয়।

নামের শেষে আন্তর্জাতিক নিয়ম হিসেবে সবসময়ই বসে পারিবারিক নাম (চৌধুরী, খান, ভুঁইয়া, কাজী ইত্যাদি), ডাকনাম নয়। যদি একান্তই ইচ্ছা থাকে, আপনাকে সবাই আপনার ডাকনাম হিসেবে চিনুক, তবে আপনার প্রথম নাম রেখে অথবা বাদ দিয়ে নামের শুরুতে কাগজে-কলমে সেই নামটি লাগিয়ে নিন। যেই নাম আপনার কাগজে-কলমে নেই, সেটি কখনই আপনার নাম ছিল না, নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না।

এই undocumented ডাকনামের ব্যাপারটা আসলে অনেক ক্ষেত্রে এতই খারাপ দেখায় যে, এটা মাঝে মাঝে অনেকের মধ্যে সন্দেহেরও উদ্রেক করে। সাধারণত গুপ্তচর, গোয়েন্দা, সন্ত্রাসী, প্রাণহানির ভয়ে পলায়নকারি, এ ধরণের লোকেরা ছদ্মনাম গ্রহণ করেন, যেগুলো কোনও কাগজপত্রে কোথাও উল্লেখ থাকে না।   আমাদের দেশের অনেকের ডাকনামের ব্যাপারটি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এই ছদ্মনামের ব্যাপারটার সাথে মিলে যায়।

.খ। প্রথম নামে (first name / given name / Vorname) আরবি শব্দের ভুল ব্যবহার

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বেশিরভাগ লোকই আরবি নাম রাখাকে ধর্মীয় দায়িত্ব (সেটা কারো মতে যৌক্তিক, আর কারো মতে অযৌক্তিক) বলে মনে করেন। কিন্তু আরবি ভাষা এবং প্রথম আর শেষ নামের সঠিক পৃথকীকরণ (separation) নিয়ে জানা না থাকায় এক্ষেত্রে অনেকেই বড় ধরণের অনেক ভুল করে থাকেন। এই কারণে অনেক বাংলাদেশিকেই সারাজীবন এই ভুলের বোঝা বয়ে নিতে হয়।

ধরুন, এক দম্পতির বড় ছেলের নাম “ইসহাক”। এই ক্ষেত্রে দেশের সংস্কৃতি হিসেবে আরবের সংস্কৃতি হিসেবে সেই বাবাকে ডাকা হবে “আবু-ইসহাক”। একইভাবে “ইসহাকের মা” হল “উম্মে-ইসহাক”। আবার আরেক দম্পতির বড় মেয়ের নাম “সালমা”। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে যারা “সালমার বাপ”, আরবে তারা হলেন “আবু-সালমা”। আর যারা “সালমার মা”, আরবে তারা হলেন” উম্মে-সালমা”।

বাংলাদেশে “সালমার মা” আর “ইসহাকের বাপ” যেমন একটি সম্বোধনের পদ্ধতি, তেমন “উম্মে-সালমা” আর “আবু-ইসহাক”ও আরবের সম্বোধনের পদ্ধতি। এটি নাম হিসেবে ব্যবহার করা কতটুকু বাস্তবসম্মত, তা আমার জানা নেই। ধরুন, আপনার নবজাতক পুত্রসন্তানের নাম আপনি দিলেন “আবু-ইসহাক”। তাহলে আপনি একইসাথে আপনার সেই নবজাতকের অনাগত পুত্রের (মানে আপনার আনুমানিক ২০ থেকে ৪০ বছর পরে জন্ম নেয়া সম্ভাব্য নাতির, শুধু নাতনি হলে আবার বিপদ) নামও দিয়ে দিলেন ইসহাক। যদিও বা দেখা যায় অনেক পুরুষ “আবু-ইসহাক” হয়ে ছেলের নাম আর “ইসহাক” দেন না। আর অনেক মহিলা “উম্মে-সালমা” হয়ে মেয়ের নাম আর “সালমা” দেন না।

আরেকটি বড় ভুল হল, “আবু-ইসহাক” কে “আবু” অথবা “ইসহাক” বলে ডাকা। ব্যাপারটি এমন, যেনো আপনি “ইসহাকের বাপ”কে “বাপ” অথবা “ইসহাক” বলে ডাকলেন। একই যুক্তিতে “উম্মে-সালমা”কে “সালমা” দিয়ে সম্বোধন করাও ভুল।

“আবু-ইসহাক”, “আবুল-হাসান” আর “উম্মে-সালমা” এ ধরণের সব নাম যুক্তশব্দ। এগুলো ছাড়া কোনও নাম থাকলে, পুরোটাই আপনার প্রথম নাম।  পরের শব্দটিকে আলাদা করে পাসপোর্টে surname বা পারিবারিক নামের জায়গায় বসানো পুরোই ভুল।

নিম্নবর্ণিত নামগুলো আরবি ভাষা হিসেবে যুক্তশব্দ এবং পুরোটাই আপনার প্রথম নাম (first name / given name)। এগুলোকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আলাদা করে লিখা বা সম্বোধন করা ভুল। কোনও ভাবেই এগুলো শেষ নাম, বা পারিবারিক নাম বা বংশের নাম নয় । হতে পারে, কেউ ভাবতে পারেন, নাম তো শুধু নামই, এখানে এইগুলোও এখন বাংলাদেশের সংস্কৃতি হয়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে বলতে হয়, পুরো ব্যাকরণগত ভুল লিখে আরব দেশের জনগণের কাছেও যদি তিনি হাসির পাত্র হতে চান, তো সেক্ষেত্রে কিছুই বলার নেই।

নিচে, প্রথমে আমরা যেভাবে নাম লিখি সেটা, আর পরে বাস্তবে আরবি অর্থ বা শব্দবিন্যাস হিসেবে নামটি যা হবে, তা উল্লেখ করার চেষ্টা করলাম। আমার ভুল থাকলে অনুগ্রহপূর্বক ধরিয়ে দিবেন।

আব্দুল হাকিম >>> আব্দ-উল-হাকিম

আব্দুর রাহমান >>> আব্দ-উর-রাহমান

আব্দুল আউয়াল >>> আব্দ-উল-আউয়াল

সাইফুল ইসলাম >>> সাইফ-উল-ইসলাম

সাইফুদ্দীন >>>  সাইফ-উদ-দ্বীন

মুনির উদ্দীন >>> মুনির-উদ-দ্বীন

মুজিবুর রাহমান >>> মুজিব-উর-রাহমান

রাশিদুল হাসান >>> রাশিদ-উল-হাসান

হারুণুর রাশিদ >>> হারুণ-উর-রাশিদ

এথেকে এই ধরণের বাকি সব নামের ব্যপারেই একটি ধারণা চলে আসবে যে, কিভাবে এগুলো যুক্তশব্দ।

ধরুন, কারও বাংলা নাম “সাগর”। তাকে যদি এখন “সাগরের” বলে সম্বোধন করা হয়, তবে কেমন শুনায় বলুনতো! একই রকম হাস্যকর শুনায়, যদি কাউকে “সাইফুল” বা “মুজিবুর” বলে ডাকা হয়। এক্ষেত্রে যথাক্রমে “সাইফ” বা “সাইফ-উল-ইসলাম”, আর “মুজিব” বা “মুজিব-উর-রাহমান” বলে ডাকা শুদ্ধ হবে।

.গ। পিতার প্রথম নামের সাথে যোগ করে পুত্রকন্যার নামকরণের পুরুষতান্ত্রিক বা পিতৃতান্ত্রিক পদ্ধতি (Patronym)

“বিন”, “বেন”, “বিনত”, “বিনতি”, “ইবন”, “ইবনে”, “ইবনুল” ইত্যাদি দিয়ে সন্তানের প্রথম নাম আর পিতার প্রথম নাম যুক্ত করার পদ্ধতিটি Patronym এর আরব ধরণ। এটি বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত। এছাড়াও পৃথিবীর অনেক দেশে Patronym এর পদ্ধতির ইতিহাস রয়েছে। উইকিপিডিয়াতে এ নিয়ে অনেক লম্বা বর্ণনা রয়েছে। যেমন : পিতা : William Johnson (John এর ছেলে William), পুত্র : Peter Wilson (William এর ছেলে Peter। Peter এখানে তার বাবার শেষ নাম Johnson না নিয়ে, বাবার প্রথম নাম William কে Wilson বানিয়ে নিজের শেষ নাম হিসেবে যুক্ত করেছে।)

পৃথিবীর অনেক দেশেই এই পদ্ধতি চালু ছিল। আস্তে আস্তে নামের আন্তর্জাতিকিকরণের (internationalisation) আর প্রমিতকরণের (standardisation) সাথে সাথে Patronym বিলুপ্ত করে দেয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। মানে উপরের উদাহরণ হিসেবে William Johnson এর ছেলে এখন Peter Wilson না হয়ে Peter Johnson হয়ে যায়। তবে কিছু কিছু দেশে এখনো চালু রয়েছে।

ধরুন, আপনার নাম “আনাস বিন আবদুল্লাহ”। এক্ষেত্রে আপনার প্রথম নাম হল “আনাস” আর আপনি হলেন “আবদুল্লাহ” এর পুত্র। “আবদুল্লাহ” হল আপনার বাবার প্রথম নাম, পারিবারিক বা বংশের নাম নয়। ধরলাম, আপনার পারিবারিক নাম “খান”। সেক্ষেত্রে আপনি পারিবারিক নাম যোগ করে “আনাস বিন-আবদুল্লাহ খান” হিসেবে আপনার নাম লিখতে পারেন, যেখানে “আনাস বিন-আবদুল্লাহ” আপনার প্রথম নাম, আর “খান” আপনার পারিবারিক নাম বা শেষ নাম। এক্ষেত্রে আর তেমন জটিলতা নেই। আপনাকে “আনাস” বলে informally ডাকা হবে, আর formally আপনি হলেন “জনাব খান”।

জটিলতা আসে সাধারণত তখন, যখন নামে কোনও পারিবারিক নাম থাকে না। অনেকেই এক্ষেত্রে প্রথম আর শেষ নামের পৃথকীকরণ (separation) সঠিকভাবে করেন না। পাসপোর্টে দেখা যায় অনেকে প্রথম নাম লিখেন “আনাস বিন”, আর শেষ নাম লিখেন “আবদুল্লাহ”। ব্যপারটা এই ক্ষেত্রে কিছুটা সঠিক হত, যদি শুধু “আনাস” প্রথম নাম, আর “বিন-আবদুল্লাহ” (আবদুল্লাহর পুত্র) শেষ নাম হত। একই ব্যপার প্রযোজ্য হবে, নিম্নোক্ত ধরণের নামগুলোর ক্ষেত্রেও :

কাদের ইবনে-কালাম

শাহিদা বিনতে-করিম

.ঘ। পারিবারিক বা শেষ নাম (family name / surname) এর ভূল ব্যবহার

পারিবারিক নাম (চৌধুরী, খান, ভুঁইয়া, শেখ, কাজী, সৈয়দ, তালুকদার, তরফদার, মিয়া, মুন্সি, পাটোয়ারী, ব্যপারী, চাষী, খন্দকার, সিকদার ইত্যাদি) বসবে সব সময়ই নামের শেষে। এই নিয়ম মোটামুটি পৃথিবীর সবখানেই একরকম। শুধুমাত্র এশিয়ার অল্প কিছু দেশে (চীন, কোরিয়া, ভিয়েতনাম ইত্যাদি) ব্যতিক্রম রয়েছে এবং তারা সবসময় শুরুতে পারিবারিক নাম লিখে। কিন্তু তারা পাসপোর্টে শুরুর নামটিকে পারিবারিক নাম হিসেবে ঘোষণা করে, যে কারণে পাশ্চাত্যের দেশে আসলেও নাম automatically উল্টে যাওয়ার কারণে তাদের সমস্যা নেই তেমন।

আমাদের দেশে কিছু পারিবারিক নাম অনেকে লিখেন শেষে, যেমন খান, চৌধুরী, তালুকদার ইত্যাদি। কিছু কিছু অনেকে লিখেন শুরুতে, যেমন সৈয়দ, কাজী, শেখ ইত্যাদি। এখানেই বুঝা যায় এক্ষেত্রে আমাদের কোনও নির্ধারিত পদ্ধতি (standard) দুঃখজনকভাবে নেই।

নামের শেষে অনেকে আবার বসিয়ে দেন ডাকনাম, যেটা আন্তর্জাতিকভাবে পুরোপুরি ভুল। ধরুন, আপনার নাম আউয়াল রহমান সবুজ। পাসপোর্ট করতে গিয়ে surname বা family name এর জায়গায় বসিয়ে দিলেন সবুজ। এক্ষেত্রে পাশ্চাত্যের দেশে আপনাকে ডাকা হবে জনাব সবুজ (Mr. Shobuj)। এর মানে হল আপনি সবুজ বংশের বা পরিবারের লোক। অন্য কথায় আপনার যদি বলি, এর অর্থ হল, আপনার দাদা, দাদী, বাবা, মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে সবাই পারিবারিক নাম হিসেবে সবুজ। একই ব্যপার সাদিয়া সুলতানা চৈতি এর ব্যপারে কল্পনা করুন, যেখানে চৈতিকে পাসপোর্টে বসানো হয় হয়েছে পারিবারিক নাম বা surname এর জায়গায়। সেখানেও আপনি চৌধুরী বংশের না হয়ে, হয়ে গেলেন চৈতি বংশের।

রহমান, হাসান, হোসাইন, উদ্দিন, ইসলাম, উল্লাহ, বিল্লাহ, আহমেদ, আলম, আখতার, সুলতানা, জাহান ইত্যাদি অনেক শব্দ বাংলাদেশে পারিবারিক নাম বা surname হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যেগুলো উৎপত্তিগতভাবে আদৌ কোনও surname নয়। যুক্তশব্দ হওয়ার কারণে এখানে অনেকগুলোকে surname হিসেবে লেখাও ভূল।

পারিবারিক নাম বা বংশের নাম কখনই আপনার পদবি নয়। পেশাগত কারণে কেউ কেউ নামের শুরুতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, advocate, attorney, professor ইত্যাদি বসান, এগুলোই পদবি। এই পদবিগুলো কখনই নামের অংশ নয়। যে কোনও রকম সনদ (certificate), জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্টে পেশাগত পদবি যোগ করা অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

.ঙ। নামের শুরুতে MD বা মুহাম্মাদ লাগানোকে অত্যাবশ্যক মনে করা 

MD দিয়ে বাস্তবে অনেক জায়গায় Doctor of Medicine বুঝায়। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশী ভাই অনেকে নামে এই উপাধি রাখতে বদ্ধ পরিকর। নিজেকে হয়তো ডাক্তার পরিচয় দিতেই ভালো লাগে অনেকের।

বাংলাদেশী অনেক পরিবারে আবার দেখা যায়, নামের সাথে মুহাম্মাদ বা আহমাদ লাগানো অত্যাবশ্যক ধরা হয়। আরবে মুহাম্মাদ বা আহমাদকে কখনও নামের টাইটেল হিসেবে ধরা হয় না, বরঞ্চ নাম হিসেবেই ধরা হয়। যেমন ধরুনঃ মুহাম্মাদ আল-সাব্বানি, আহমাদ ইবনে সাইদ। এই দুই নামের ক্ষেত্রে; প্রথম জনের নাম মুহাম্মাদ আর তার পারিবারিক নাম আল-সাব্বানি। দ্বিতীয় জনের ক্ষেত্রে; তার নাম আহমাদ আর তার বাবার নাম সাইদ।

তবুও কেউ যদি ভাবেন, মুহাম্মাদ আপনাকে রাখতেই হবে, তবে middle name বা zweiter Vorname এর জায়গায় নিয়ে যেতে পারেন। তা নাহলে আপনাকে মুহাম্মাদ বলেই এখানে সম্বোধন করা হবে। আর আপনার যেটা ডাকনাম মাঝখানে রয়ে যাবে, সেটা অনেক ক্ষেত্রেই সংক্ষিপ্তকরণের সময়ে বাদ দেয়া হবে।

যেমন, মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ খান কে আপনি আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ খান করে দিতে পারেন। তাহলে এক্ষেত্রে আপনাকে আবদুল্লাহ বলে সম্বোধন করা হবে। আর middle name যখন বাদ দিয়ে সংক্ষেপে নাম লেখা হবে, তখন আবদুল্লাহ খান লেখা হবে। আর যদি পুরোনো ফরম্যাটে রেখে দেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে মুহাম্মাদ বলেই ডাকা হবে, আর সংক্ষিপ্ত হিসেবে মুহাম্মাদ খান লেখা হবে।

আরেকটা মজার ব্যপার বলি। ধরুন, আপনি মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ খান। আর আপনার ভাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ খান। এখন দুজনেরই যখন middle name বাদ দেয়া হবে তখন দুজনই হয়ে যাবেন মুহাম্মাদ খান। বুঝে নিন, তাহলে ঝামেলা কেমন।

আরেকটা উপায়ও আছে। ধরুন আপনি ছেলের নাম রাখবেন আর মুহাম্মাদ আপনাকে শুরুতে রাখতেই হবে, আর এই ব্যপারে আপনি কারো কথা শুনবেন না। তো এখন বড় ছেলের নাম যেহেতু রেখে দিলেন, মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ খান, ছোট ছেলেকে আলাদা নাম দেয়াও আপনার জরুরী। তাহলে তাকে দিতে পারেন, উদাহরণ হিসেবে আহমাদ সাইফুল্লাহ খান। তাহলে একজন মুহাম্মাদ আর আরেকজন আহমাদ হয়ে গেলো। মিশে যাওয়ার ভয় আর নেই।


২। বাংলাদেশে নাম সংশোধন বা পরিবর্তন

আপনার যদি এখনও কোনও পাসপোর্ট না থাকে এবং আপনি যদি এখনও এসএসসি/ ও-লেভেল এর জন্য রেজিস্ট্রেশন না করেন, তবে শুধু জন্ম-সনদ পরিবর্তন (বর্তমানে online birth certificate করাই উত্তম) করে নিলেই হবে। আর অন্য কোনও কিছু না করলেও হয়তো নাম পরিবর্তন নিয়ে ঝামেলা হবে না। এক্ষেত্রে নিজেদের সাথে বিদ্যালয়-কর্তৃপক্ষের বোঝাপড়ার উপরই সব নির্ভর করবে। অন্যথায় নিম্নলিখিত কর্মপন্থা অনুসরণ বাঞ্ছনীয়ঃ

২ক। নামের এফিডেভিট (name affidavit)
এফিডেভিট যদিও উন্নত দেশগুলোতে এক পাতাতেই দেখা যায়। কিন্তু বাংলাদেশে আইন অনুযায়ী ১০০ টাকার ২ টি স্ট্যাম্পে তার মানে ২ পাতাতে লিখে আবেদন করতে হয়। এফিডেভিট এর স্যাম্পল দরকার হলে এখানে কমেন্টে জানাতে পারেন, দেয়ার চেষ্টা করা হবে। যদি দেশের বাইরে থাকেন বা পরবর্তীতে যেতে চান, তাহলে এফিডেভিট ইংরেজিতে করাই ভালো। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে আপনি ১৮এর নীচে বা ১৮এর উপরে যাই হোন না কেন, এফিডেভিট আপনার অভিভাবকের দ্বারা করাতে হবে (ব্যাপারটা যদিও যুক্তিতে মেলে না)। তাছাড়া এর বাইরে, আপনার বয়স ১৮ বছরের উপরে হলে, এফিডেভিট আপনি নিজেই করতে পারবেন। এ ব্যাপারে ভালো জানার জন্য, অভিজ্ঞ কোনও উকিলের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

এফিডেভিটের জন্য লাগবেঃ
 ১০০x২=২০০ টাকার স্ট্যাম্প
 স্ট্যাম্পে (legal size page) প্রিন্ট নেয়ার জন্য, কম্পিউটারে বাংলা বা ইংরেজি আবেদনের ফরম্যাট
 ১৮এর নীচে আপনার বয়স হলে, এফিডেভিটে সংযুক্ত করার জন্য আপনার অভিভাভকের এক কপি বায়োমেট্রিক ছবি
 ১৮এর উপরে আপনার বয়স হলে, এফিডেভিটে সংযুক্ত করার জন্য আপনার এক কপি বায়োমেট্রিক ছবি
 ১৮এর নীচে আপনার বয়স হলে, এফিডেভিটে আপনার অভিভাভকের স্বাক্ষর
 ১৮এর উপরে আপনার বয়স হলে, এফিডেভিটে আপনার আপনার স্বাক্ষর
 উকিলের স্বাক্ষর, সিল, আর উনার ফি
 নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও সিল (আর উনার সহকারীর ফি!! দুঃখজনক হলেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে সত্য!)
 নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সিল আপনার ছবির উপরে থাকবে, অন্য পাতাতেও উপরে থাকবে। সবশেষে আরেকটি সিলে আপনার নথিভুক্তির নাম্বার ও তারিখ দেয়া হবে। নথিভুক্তির নাম্বারটি প্রথম পাতাতেও লিখা হয়।

২খ। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি
যেকোনোও জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন জারি করতে হবে। ইংরেজি পত্রিকা হলে দেশের বাইরে প্রমাণ দেখানো সহজ। যেদিন ওই পত্রিকা বের হবে, সেদিনই যত বেশী সম্ভব ওই পত্রিকাটি কিনে নিন। এটার ফরম্যাট দরকার হলে কমেন্টে জানাতে পারেন, দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

২গ। জন্মসনদ সংশোধন
জন্মসনদ সংশোধন করতে গেলে, জন্ম-নিবন্ধকেরা সাধারণত নতুন একটি সনদ দিয়ে দেয়। এখানের কাজ তুলনামূলক সহজ। আপনার এলাকার জন্ম-নিবন্ধকের (ওয়ার্ড কমিশনার অফিস / চেয়ারম্যান অফিস) সাথে আগে থেকে যোগাযোগ করে নিন। একটি আবেদন-ফর্ম পূরণ করতে হয় এবং সাথে আপনার এফিডেভিটের ও পত্রিকার বিজ্ঞাপনের কপি সাধারণত চাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

খুব খেয়াল রাখতে হবে, ইংরেজি birth certificate এ যেনো place of birth এ শুধু জেলার নাম থাকে, যেটা পাসপোর্টে আছে। গ্রাম, ইউনিয়ন, থানা এইসব থাকলে যথাসম্ভব নতুন করে করিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন। তা নাহলে পরবর্তীতে জার্মান Standesamt আপনার Einbürgerung এর পরে আপনার গ্রামকে place of birth হিসেবে ঘোষণা করে দিতে পারে। তখন বাংলাদেশী অবস্থায় একটা place of birth (District) আর জার্মান অবস্থায় আরেকটা place of birth (Village) নিয়ে হয়তো ডুয়াল আইডেন্টিটির ঝামেলায় পরে যেতে পারেন।

আরেকটু ভালো হয়, first name আর surname কে যদি আলাদা করে লেখানো যায়। কিন্তু তাদের ফরম্যাট না থাকলে হয়তো ওইভাবে দিতে রাজিও হবে না।

birth certificate অনলাইন করে নিতে পারলে আরও ভালো হয়। অনলাইনে জন্মসনদ হয়েছে কিনা এখানে দেখে নিতে পারেনঃ http://bris.lgd.gov.bd/pub/?pg=verify_br

২ঘ। এসএসসি/ এইচএসসি সনদ সংশোধন
নাম সংশোধনের যত কাজ আছে, ভালো করে মনে রাখবেন, এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। কাজেই যথেষ্ট পরিমাণ ইচ্ছাশক্তি থাকলেই এই কাজে নামা ভালো। আরেকটি কথা, পাসপোর্ট সংশোধন করতে গেলে যথাসম্ভব চেষ্টা করুন, এসএসসি সনদ ছাড়াই করা যায় কিনা। একটু চেষ্টা করলেই সম্ভব। আর পাসপোর্ট সংশোধন হয়ে গেলেই জার্মানিতে আপনার নাম সংশোধনের অন্য সব কাজ হয়ে যাবে। কাজেই জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ সংশোধন অথবা অন্য কারণে যদি দরকার না হয়, তবে এই শ্রমসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ কাজে বুঝে শুনে নামাই ভালো। আমি নিজে যেহেতু চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে সংশোধন করিয়েছি, তাই ওখানকার ব্যাপারেই উল্লেখ করব।
এসএসসি বা বোর্ডের অন্য সনদ সংশোধন করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির সামনে দাঁড়িয়ে আপনার নাম সংশোধনের কারণ অথবা যুক্তিগুলো উপস্থাপন করতে হবে। নাম সংশোধন কমিটিতে থাকেন সাধারণত বোর্ডের চেয়ারম্যান, সচিব, বিদ্যালয় পরিদর্শক, কলেজ পরিদর্শক এবং বোর্ডের বাইরে থেকে আসা বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ অথবা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা।

শিক্ষা বোর্ডে যা যা দরকার হয়ঃ
(প্রতি নাম সংশোধনের জন্য একটি করে, যেমনঃ এসএসসির জন্য একটি, এইসএসসির জন্য একটি কপি)
 এফিডেভিটের সত্যায়িত কপি
 পত্রিকার বিজ্ঞাপন (মূল কপি দিতে পারলেই ভালো)
 পূর্বনামের এসএসসি / এইসএসসি সনদের কপি
 পাসপোর্ট সাইজের ছবি
 ৮০০ টাকা (যেই ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে, সেই ব্যাংকের সময়সূচী জেনে গেলেই ভালো। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নিচতলায় সোনালী ব্যাংক বহদ্দারহাট শাখার একটি বিভাগ আছে, যারা প্রতিদিন অনেক আগে ভাগেই লেনদেন বন্ধ করে দেয়।)
 পূরণকৃত ও আবেদনকারীর স্বাক্ষরিত নাম সংশোধনের আবেদনপত্র। আর সাথে এসএসসির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও এইসএসসির ক্ষেত্রে কলেজের অধ্যক্ষের স্বাক্ষর। (বিদ্যালয়ে এবং কলেজে জমা দেয়ার জন্যও অতিরিক্ত এফিডেভিটের ও পত্রিকার বিজ্ঞাপনের কপি রাখুন)

নাম ও বয়স সংশোধনের জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব মূলত দায়িত্বশীল। সাধারণত একজন অফিস সহকারী তার অধীনে এগুলো তত্ত্বাবধানে সবসময় নিয়োজিত থাকেন। তার কাছ থেকেই মোটামুটি সব তথ্য পাওয়া যায়। আপনার নাম সংশোধন যদি বানান ভূল জাতীয় কিছু হয়, সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা কিছুটা সহজতর হয়। তা নাহলে কমিটি থেকে ‘না’-উত্তর আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী। আপনার নাম পরিবর্তন যদি বড় ধরণের হয়, সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বেশী কাজ করতে হতে পারে। আর দেশের আইন অনুযায়ী যেহেতু আপনার নাম সংশোধনের অধিকার আছে, তাই আপনিও আইনের আশ্রয়ের পথ তৈরি করে রাখুন। আপনি যদি জার্মানি থেকে দেশে গিয়ে নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে আপনার হাতে সময় অবশ্যই খুবই কম থাকার কথা। আর একবার দেশে বেড়াতে গেলে একবারের বেশী নাম সংশোধনের মিটিং পাওয়ার কথাও না। শিক্ষা বোর্ডে এই মিটিংগুলো সাধারণত দেড় থেকে আড়াই মাস পরপর একবার হয়। আপনি তাই বোর্ডে অফিস সহকারীকে জানিয়ে রাখতে পারেন যে, নাম সংশোধন কমিটি যদি আপনার নাম অনুমোদন না করে, সেক্ষেত্রে আপনি আইনি ব্যবস্থা নিতে যাবেন। তখন হয়তো ব্যাপারটা সহজ হতেও পারে। কারণ মামলা-মোকদ্দমাকে তাদেরও একটু এড়িয়ে চলার চেষ্টা করার কথা। আরেকটি সাবধানতা, অচেনা দালাল ধরে প্রতারিত হবেন না। বাইরের কারও এখানে আদৌ কিছু করার সামর্থ্য আছে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

নাম সংশোধনের কমিটিতে একটি নির্ধারিত দিনে সবাইকে ডাকা হয়। আপনার ক্রমিক নাম্বার হিসেবে সেখানে আপনাকে প্রবেশ করতে হবে। কমিটির মুখোমুখি হওয়ার আগে আপনার নামের পরিবর্তনের পক্ষে সবগুলো যুক্তি তৈরি করে নিন। আর অবশ্যই আপনার সব প্রামাণিক মূল কাগজপত্র একটি ফাইলে করে নিয়ে যেতে পারেন, যেন কমিটিকে দেখানো সহজ হয়। এই আর্টিকেলের ১, ৪, ও ৫ নম্বর অংশ পড়ে নিলে আশা করি যুক্তি দিতে আপনার কষ্ট হবে না। বিভিন্ন রকম যৌক্তিক এবং ক্ষেত্রবিশেষে অযৌক্তিক প্রশ্নও করা হতে পারে। তাই নিজেকে পুরোপুরি তৈরি রাখুন। তবে অবশ্যই ভদ্রতা ও শালীনতার সাথে কমিটিকে উত্তর দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

কমিটি আপনার নাম সংশোধন অনুমোদন করেছে কিনা, তা পরের দিনই সাধারণত আপনি জানতে পারবেন। শিক্ষা বোর্ডের নোটিশে অথবা অফিস সহকারীর কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে পারবেন। যদি ‘না’ হয়, তাহলে পুনর্বিবেচনার জন্য আবার আবেদন করতে পারবেন। আমার ক্ষেত্রে প্রথমবার ‘না’ ছিল এবং দ্বিতীয়বারে সফল হয়েছি। আপনি যদি জার্মানির অধিবাসী হন এবং দ্বিতীয়বার যদি আবেদন করেন, তাহলে এর সুবিধা আর অসুবিধা দুটোই আছে। অসুবিধা হল, পরের মিটিং ধরতে হলে পরের বার আপনাকে জার্মানি থেকে ওই অফিস সহকারীর সাথে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের তারিখ ওভাবে ঠিক করে আসতে হবে। আর সুবিধাটা হল মধ্যবর্তী সময়ে আপনার একবার জার্মানিতে আসার কারণে এখানকার অনেক কাগজপত্রই নতুন নামে হয়ে যাবে। সেগুলো দ্বিতীয়বার আবেদনের সময় দেখাতে পারবেন এবং তা ভালই কাজে দেয়।
কমিটির উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে এবার এসএসসির / এইসএসসির নতুন সনদ, ট্রান্সক্রিপট, রেজিস্ট্রেশান কার্ড, আর প্রবেশ পত্র প্রতিটির জন্য আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে এবং ব্যাংকে আলাদা আলাদা ফি জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রগুলোও এক একটি এক এক অফিসে ক্ষেত্রবিশেষে জমা দিতে হয়।

এবার দীর্ঘ প্রতিক্ষা! রেজিস্ট্রেশান কার্ড যদি চলে আসে, তবে আপনার নাম সংশোধনের যে নোটিশ শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে পাবলিশ হয়েছে অথবা বোর্ড থেকে দেয়া হয়েছে, সেটি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কলেজের অধ্যক্ষের স্বাক্ষর আপনার রেজিস্ট্রেশান কার্ডে নিয়ে নিন। এক কপি আপনার কাছে রেখে আরেক কপি বোর্ডে জমা দিয়ে দিন এবং একই সাথে শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে আপনার নাম সংশোধনের আবেদনও করে দিন।
এই অনলাইন সার্ভারে আপনার নাম সংশোধন হলেই, আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য সাধারণত আবেদন করতে পারবেন।

২ঙ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ সংশোধন
এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম এক এক রকম হওয়ার কথা। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সাথে কয়েকবার দেখা করেছিলাম। এসএসসির সনদ সংশোধন হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনও লাভ হয় নি। ব্যাচেলর যেখানে করেছেন, সেখানেরও নাম সংশোধন করলে বড় সুবিধাটা হল, এক্ষেত্রে আপনাকে পরবর্তীতে সিভিতে birth name / Geburtsname আর যোগ করতে হবে না। তবে আপনি জার্মানিতে বসবাসরত হলে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় সনদ সংশোধন বাধ্যতামূলক নয়, কারণ পাসপোর্ট সংশোধনে এটি বাঞ্ছনীয় নয়।

আমাকে প্রথমে রেজিস্টার বরাবর আবেদন করে একাডেমিক শাখা থেকে নাম সংশোধনের নোটিশ জারি করাতে হয়েছিল। নোটিশ জারি হওয়ার পর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের বরাবর আবেদন করে পরীক্ষা শাখা থেকে সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলন করা যায়। এগুলোর জন্যও ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়েছিল।

২চ। পাসপোর্ট সংশোধন
পাসপোর্ট সংশোধন করতে গেলে তারা স্বভাবতই এসএসসির সনদের সংশোধন দেখতে চাইবে। আর বাংলাদেশের সিস্টেম অনুযায়ী শিক্ষাবোর্ডে যেহেতু ১৮ মাসে বছর হয় (আর দুর্নীতির কথা নাহয় নাই বললাম), তাই ওই প্রতীক্ষা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। নামের এফিডেভিট, পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি, জন্ম সনদ, এগুলো পাসপোর্ট সংশোধনের আবেদনের সাথে যুক্ত করে জমা দিয়ে দিতে পারেন।

পাসপোর্ট অফিসের লোকজনেরা কেউ কেউ আপনাকে এই সুযোগে ঘুরাতেও পারে। এই অবস্থায় আপনি দালালের কাছে যেতে বাধ্য হবেন, আর এতে তাদেরও লাভ। তবে শুরুতে সব কাজ নিজে করার চেষ্টা করাই ভালো, তাহলে পাসপোর্টে সব সঠিকভাবে আসার সম্ভাবনা ভাল থাকে। কিন্তু নিতান্তই নিরুপায় হলে, যা করার তাই আপনাকে হয়তো করতে হবে। খেয়াল রাখবেন আবার, সব দালালকে দিয়ে কিন্তু সব কাজ হয় না।
পাসপোর্টের নাম সংশোধনে পুলিশ তদন্ত হয়। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হলে পাসপোর্ট ও ইস্যু হয়ে যাবে। আর পাসপোর্ট তদন্তকারী পুলিশদের দুর্নীতিও আশা করি সবার জানা আছে। জরুরী পাসপোর্ট হলে ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে হয়ে যাওয়ার কথা। আর পাসপোর্ট হয়ে গেলেও আপনার আগের নামের পাসপোর্টও আপনার কাছেই ভ্যালিড অবস্থায় থাকবে। তাছাড়াও আগের পাসপোর্ট দিয়েই আপনার জার্মান ভিসা এবং আর ওই পাসপোর্ট দিয়েই আপনাকে জার্মানিতে ফেরত আসতে হবে।

২ছ। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন
আমার নতুন পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জার্মান রেসিডেন্স কার্ড, health insurance card, EC cards, credit cards, office ID card, university ID card, IELTS certificate কোনও কিছুই বাকি রাখিনি প্রমাণ হিসেবে দেখাতে এখানে। আগারগাও এর ইসলামিক ফাউনডেশনের সাত তলায় নির্বাচন কমিশনের অফিসে বেশ কয়েকবার নিজে গিয়ে সব প্রমাণ দেখানোর চেষ্টাও করেছি। এসএসসি সনদ ছাড়া কোনও লাভ হয় নি। কাজেই এসএসসি সনদ অনলাইনে সংশোধন হওয়ার পরেই আপনি এখানে আবেদন করতে পারবেন। আপনার নিজ নিজ এলাকার নির্বাচনী অফিসে গিয়েই আবেদন করতে হবে। সেখানে প্রমাণস্বরূপ নিদেনপক্ষে নামের এফিডেভিট, পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি, এসএসসির নতুন সনদের কপি জমা দিতে হবে। আর হ্যাঁ, সুযোগ-সন্ধানী লোক অবশ্যই এখানেও আছে।

তবে জাতীয় পরিচয়পত্র দেশের বাইরে কখনই দরকার হয় না। পরে যদি আপনি বাংলাদেশী নাগরিকত্ব ছেড়ে দেন, এটার আপনার আর দরকারও নেই। তাই এটার সংশোধনের তেমন প্রয়োজন আছে বলেও মনে হয় না।

২জ। ড্রাইভিং লাইসেন্স সংশোধন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে থাকে আর সংশোধন করাতে চান, তাহলে হয়তো তেমন কঠিন কাজ নয়। আমার নামের এফিডেভিট, পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি, আর নতুন পাসপোর্ট, এ তিনটি দিয়েই কাজ হয়ে গিয়েছিল। একটা নির্ধারিত ফি আর আবেদন ফর্মের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযোজিত করে দিন।


৩। জার্মানিতে নাম সংশোধন বা পরিবর্তন

জার্মানিতে নাম সংশোধন করতে গেলে, শুধু আপনার (২চ)পাসপোর্ট সংশোধনই যথেষ্ট। আর তার কারণেই (২ক)নামের এফিডেভিট, (২খ)পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, (২গ)জন্মসনদ সংশোধন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে (২ঘ)এসএসসি সনদ সংশোধন দরকার হতে পারে। নাম সংশোধন হলেও আপনার পূর্বের social insurance number / Sozialversicherungsnummer এবং tax ID / Steuer ID পরিবর্তন হবে না। আর ভাল হয়, যদি নাম পরিবর্তনের জন্য দেশে ভ্রমনের আগে একবার Meldeamt, Auslaenderbehoerde, health insurance, আর আপনার সংশ্লিষ্ট কর্মস্থল বা বিশ্ববিদ্যালয়ে জানিয়ে নিন। তাহলে পরবর্তীতে সেক্ষেত্রে সন্দেহের উদ্রেকটা কম হবে। আর এখানে শেষ নাম পরিবর্তন খুবই সাধারণ ব্যাপার। কারণ বেশীরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েরা বিয়ের পরে স্বামীর পারিবারিক নাম নিজের নামে যুক্ত করে নেয়।

৩ক। প্রথমে যেতে হবে Meldeamt বা Buergerbuero তে। সেখানে গিয়ে প্রথমে আপনার নাম সংশোধনের সব প্রমাণ দেখাতে হবে। তারা সবকিছুর ফটোকপি করে রাখবে। এরপর নতুন নামের একটি Meldebescheiningung আপনি পাবেন।

৩খ। এরপর যেতে পারেন Auslaenderbehoerde তে। সেখানে নতুন পাসপোর্ট আর Meldebescheinigung দেখালে, আপনার Aufenthaltstitelkarte নতুন করে দেয়ার জন্য তারাই উদ্যোগ নিবে। এখানে নতুন তেমন কিছুই নেই। স্বাভাবিকভাবে যেভাবে আগে Aufenthaltstitelkarte নিয়েছিলেন, সেভাবেই হবে এবারও।

৩গ। এরপর যাওয়া যেতে পারে Krankenversicherung এ। সেখানে ও নতুন পাসপোর্ট আর Meldebecheinigung দেখালে কাজ হয়ে যাওয়ার কথা।

৩ঘ। এরপর যাওয়া যেতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ে। একইভাবেই পাসপোর্ট দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়েও আপনার নাম সংশোধন হয়ে যাবে। Students’ office এ গিয়ে সাধারণত যোগাযোগ করতে হয়। তবে নাম সংশোধনের আগে থেকেই আপনার কোর্স কো-ওরডিনেটর প্রফেসরকে জানিয়ে রাখা ভাল। নতুন পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই হয়তো আরও একবার জানিয়ে দিতে পারেন। আর অবশ্যই আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড নতুন করে বানিয়ে নিতে ভুলবেন না যেন।

৩ঙ। আপনার কর্মস্থলেও আপনার পাসপোর্ট দেখিয়ে নাম সংশোধন করিয়ে নিতে পারবেন।

৩চ। ব্যাংকে আর ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিতে সংশোধনের জন্য তাদের চাহিদামত কাগজপত্র দেখিয়ে নিন।


৪। নাম সংশোধনের কিছু প্রস্তাবনা 

নাম পরিবর্তন যত সাধাসিধা হবে, আপনার প্রশাসনিক ঝামেলায়ও তত কম জড়াতে হবে। আবার ন্যূনতম পরিবর্তনও দরকার, যেটাতে আপনার নাম সঠিক ফরম্যাটে আসে। এখানে কিছু প্রস্তাবনা দেয়া হচ্ছে। অনেকের হয়তো এখনও অপরিষ্কার থাকতে পারে, নামকে কিভাবে সংশোধন বা পরিবর্তন করা উচিৎ। তাই নীচের উদাহরণগুলো দেখে আপনিও কিছু ধারণা নিয়ে নিন। প্রতি লাইনের প্রথমে বর্তমান নাম এবং পরে প্রস্তাবিত নাম দেয়া হল। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে শুরুর প্রস্তাবনা middle name বা zweiter Vorname সহ এবং দ্বিতীয় প্রস্তাবনা middle name ছাড়া দেয়া হয়েছে।

কাজী জাফর উদ্দিন > জাফর উদ্দিন কাজী > জাফর কাজী

শেখ মোহাম্মাদ সাইদ > সাইদ মুহাম্মাদ শেখ > সাইদ শেখ

নাসরিন ভুঁইয়া শিল্পী > শিল্পী নাসরিন ভুঁইয়া > শিল্পী ভুঁইয়া

সৈয়দ রাশিদ বিন কামাল > রাশিদ বিন-কামাল সৈয়দ > রাশিদ সৈয়দ

মুস্তাক চৌধুরী নির্ঝর > নির্ঝর মুস্তাক চৌধুরী > নির্ঝর চৌধুরী

হুমায়ুন আজাদ নীরব > নীরব হুমায়ুন আজাদ > নীরব আজাদ

আবু হেনা মোঃ রফিকুল্লাহ > (দুঃখিত, কোনও প্রস্তাবনা দেয়া সম্ভব না, পারিবারিক কোনও নাম থেকে থাকলে সেটা আপনার নির্বাচিত প্রথম নামের সাথে যুক্ত করে নিন।)

মোঃ আবদুল্লাহ > আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ খান > আবদুল্লাহ খান (যদি আপনার পূর্বপুরুষের কেউ খান হয়ে থাকেন)

মোজাম্মেল হক শান্ত > শান্ত মোজাম্মেল হক > শান্ত হক

মোঃ শামসুদ্দিন > শামস মুহাম্মাদ তালুকদার > শামস তালুকদার (যদি পূর্বপুরুষের কারও নামে তালুকদার থেকে থাকে)

মোসাম্মাৎ সাদিয়া আফরিন শম্পা > শম্পা আফরিন > শম্পা সাদিয়া তরফদার > শম্পা তরফদার (যদি পূর্বপুরুষের কেউ তরফদার হয়ে থাকে)

রায়হানা বিনতে জামাল > রায়হানা বিনতে-জামাল খান > রায়হানা খান (যদি পারিবারিক নাম খান হয়ে থাকে)


৫। শেষ কথা

স্ট্যান্ডার্ড নামের গুরুত্ব আর প্রক্রিয়া এখন মোটামুটি পরিষ্কার। এ কাজটিতে অনেক দীর্ঘসূত্রিতা আছে মনে করে অনেক আরামপ্রিয় জনগনই পিছিয়ে পরবেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তারপরও যারা এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন আর জার্মানিতে থাকেন বা আসতে চান, তাদের জন্য কিছু টিপসঃ

৫ক। আপনি এখনও দেশে থেকে থাকলে কাজ আজই শুরু করে দিন। দেশ ছেড়ে চলে আসার পর কাজটি আরও কঠিন হয়ে পরবে। এসএসসির সনদের কাজ কঠিন মনে হলে, শুধু পাসপোর্ট পর্যন্ত সংশোধন করেই থেমে যেতে পারেন, আপনি যদি চান। আর যদি আরেকটু ইচ্ছাশক্তি থাকে তো প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদও (যদি এর জন্য এসএসসির সনদ বাধ্যতামূলক না হয়) সংশোধন করিয়ে নিতে পারেন।

৫খ। আপনি বর্তমানে জার্মানির অধিবাসী হলে, শুধু পাসপোর্ট পর্যন্ত সংশোধনই কিন্তু যথেষ্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ সংশোধন করতে না পারলেও সমস্যা নেই। সেক্ষেত্রে চাকরী বা যেকোনোও জায়গায় সিভি জমাদানের ক্ষেত্রে, আপনার পূর্বের নামকে উল্লেখ করে দিন। তাহলে, আপনার ব্যাচেলর এক নামে আর মাস্টার্স আরেক নামে হলেও ব্যাপারটা তারা ধরতে পারবে। অবশ্য, আমার জার্মান মাস্টার্স সনদে আমার বর্তমান নাম ও পূর্বনাম দুটোই আলাদা করে উল্লেখ করা ছিল।

৫গ। ইচ্ছাশক্তি আরেকটু বেশী থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদও সংশোধন করিয়ে নিতে পারেন। এসএসসির সনদ বাধ্যতামূলক না হলে তো দারুণ। কিন্তু সেটা প্রয়োজন হলে, আরও মোটিভেশন নিয়ে ওই কাজেও নামতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ হয়ে গেলে আপনাকে সিভিতে পূর্বনাম উল্লেখ না করলেও চলবে। তবে পূর্বনাম উল্লেখ করার সাধারণত মোটেও কোন নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া নেই, তাই মনে সে ব্যাপারেও অভয় রাখতে পারেন। জার্মানিতে বিয়ের পরে অনেকেই তাদের শেষ নাম পরিবর্তন করে এবং এটা খুবই স্বাভাবিক।


আবেদ

১ম সংস্করণ : জানুয়ারি ২০১৭

২য় সংস্করণ : অক্টোবর ২০২০

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই লিখাতে কারও ধর্ম বা বিশ্বাসে আঘাত করা উদ্দেশ্য নয়। এবং কারও নামকে কটূক্তি করাও উদ্দেশ্য নয়। কাজেই এখানকার কোনও কিছুকেই ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে না নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হল। যেকোনও ধরণের গঠনমুলক সমালোচনা স্বাগতম।

mm

By A. Kazi

Stress Engineer, Research & Development, Renowned Wind Tubine Manufacturer

148 thoughts on “Name correction । নাম সংশোধন বা পরিবর্তনঃ কারণ, করণীয়, ও সতর্কতা”
  1. তবে সাবধান থাকবেন একটি ব্যাপারে, ইংরেজিতে যদি এফিডেভিট করতে চান, তাহলে গুগল করলেই অনেক ভাল ফরম্যাট পাবেন। কোর্টের আশেপাশে কিছু দোকানে গতানুগতিক কিছু ফরম্যাট পাওয়া যায়, যেগুলোর লিখার মান তেমন একটা সুবিধার নয়। বিশেষ করে তারা অনেকেই ধর্মের নামও এফিডেভিটে লিখে দেয়, যেটা আপনার উল্লেখ না করাই ভাল।

  2. #Admin, এডমিনদের কোনও একজন কি দয়া করে এই কলামকে ‘প্রবাস > অন্যান্য’ থেকে ‘প্রবাস > অন্যান্য>আইন-কানুন’ এ পরিবর্তন করে দিতে পারবেন? তাহলে অন্যদের খুঁজে পেতে বেশ সুবিধা হয়। আগাম ধন্যবাদ!

  3. ভাইয়া, ৬ক এর ” শুধু পাসপোর্ট পর্যন্ত সংশোধন করেই থেমে যেতে পারেন, আপনি যদি চান। ” – একটু বিশ্লেষণ করবেন? পাসপোর্ট / আইএলতিএস ঠিক আছে , কিন্তু আগের গুলা ঠিক করার মত যথেষ্ট সময় নাই এই মুহূর্তে । এটা কি সমস্যা করার পসিবিলিটি আছে?

    1. Sorry, I didn’t get any notification from your comment and that’s why couldn’t answer earlier. This website is somehow not that efficient. As I have no Bangla keyborad right now, I gotta answer you in English to make it faster.

      Actually before the the date of name correction, you were the guy with previous name. So in fact, it shouldn’t matter anywhere. Passport should be updated only, as it represents your current name:

      But, due to some bureaucratic complexity and lack of skillness in Bangladeshi passport offices and NID offices, somtime you need to change the earlier documents, if they force you do it. Specially the SSC certificate.

      Well, if they don’t force you to do that, you can stop till changing passport. In your CVs or any other applications, where it’s necesary to show the earlier documents, you can write the earlier name as your birth name there.

  4. সম্পূর্ণ নাম কি পরিবর্তন করা যায়
    যেমন, মোঃ জুয়েল রানা থেকে যুবায়ের আহমেদ খান আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী

  5. ভাইয়া আমি চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড থেকে এসএসসি এইচএসসি পাশ করেছি, বর্তমানে ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। আমার এসএসসি, এইচ এসসি সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আমি আপনার সাথে কিভাবে যোগাযোগ করতে পারি? ফোন/ফেসবুক আইডি পেলে ভালো হয়

    1. লেখকের সাথে যোগাযোগ করার দরকার হবে না যদি আপনি ঠিকমত আর্টিকেলটা পড়তেন। মনে করুন, এভাবে আরো ১০০ জন শুধুমাত্র নাম ঠিক করার জন্য ওনার সাথে যোগাযোগ করতে চায়। কেমন হবে ব্যাপারটা? এটা তো ওনার প্রফেশন না। তাই না? তবে আপনার স্পেসিফিক প্রশ্ন থাকলে সেটা করতে পারেন। লেখক তাঁর সুবিধামত উত্তর করবেন। আর এরকম প্রশ্ন বাকিদের থাকলে তাদেরও আইডিয়া হবে।

  6. ১। আমার জন্ম নিবন্ধন, এসএসসি, এইচএসসি সার্টিফিকেটে নাম ফারদিন খান নিসাদ। আমি এসএসসি এইচএসসি সার্টিফিকেটে শুধু ফারদিন খান করতে চাই। এক্ষেত্রে কী জন্ম নিবন্ধনও সংশোধন করতে হবে?

    ২। এক্ষেত্রে কত মাস সময় লাগতে পারে?

    ৩। এফিডেভিট, সংশোধনে খরচ কেমন?

    1. Hello Fardin, sorry I am replying from a computer without Bangla fonts.

      1. It’s better and actually easier to correct your birth certificate. And it’s the next step after name affidavit and publishing it in the newspaper.

      2. Time varies. What did you actually mean? You have to consider the time duration for each step. As each of the authorities is independent from the others. Some of them you can do parallelly and some of them you can’t. The birth certificate can be isued by the birth register within a minute or within some days. But usually the maximum time is required for the SSC and HSC certificate correction. You can usually change both of those certificates parallelly. But you have to wait for the meeting with the name correction committee.

      http://bise-ctg.portal.gov.bd/site/page/875897b5-3245-4513-b0a4-aefda6358503/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%B8-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF

      Then you have to show them some good reasons for your name correction. Otherwise you might get a ‘NO’ answer, and then have to apply again. Well, this time you don’t have to start the whole proces of taking all signatures and finning all applications again. You just have to apply for a reconsideration and pay an amount of money again to them.

      3. Expenses:

      Name affidavit: Stamp – 200 BDT, attorney charges – not fixed, (if applicable) bribe for the magistrate’s assitant – approx. 100 BDT

      Birth certificate: 50 – 100 BDT probably, better to take the computer-printed one

      SSC & HSC certificate: for each meeting – 800 *2 = 1600 BDT
      After the aceptance you have to let the certificates to be printed. Here you can find them: http://bise-ctg.gov.bd/fees

    1. First of all, it’s really not clear to me why do you need to change a certificate more than once.

      Secondly, if it’s the name correction more than once, there are more chances of getting a NO answer from the boards.

      Please contact your board for the correct answer. They have the right information for you.

  7. SSC = comilla board
    HSC = Dhaka board
    University = 4th year

    1. আমার মেইন নামের সাথে “md” এবং “মিয়া” বাদ দিয়ে “আহমেদ” দেওয়া যাবে ???

    2. দুই বোর্ডের জন্য আলাদা আলাদা করে affidavits and newspaper published করতে হবে ??? নাকি দুই বোর্ডের জন্য এক সাথে শুধু একবার affidavit and newspaper publish করলেই হবে??

    3. মিটংয়ে এখানে নাম পরিবর্তনের কি কি কারন বলা যেতে পারে ??

    4. বিশ্ববিদ্যালয় আর ১ বছর আছে , এর মধ্যে দুই বোর্ডের নাম সংশোধন হয়ে যাবে ??

    1. 1. You can rectify your name in any direction as you want I think. But a big change would raise some questions. e.g.: Probably you are trying to escape from any crime (one of the assumptions of the authority).

      As Md means Muhammed, and Ahmed is the name of the same person, so this way of change doesn’t sound illogical. Also some people in Bangladesh probably ashamed of some of their own family names like MIYA or PATOYARI as an example. So they try to give up their own family name, and just take a surname which isn’t actually a family name.

      Well, first of all, family name is just a family name, and you shoudn’t be ashamed of it, if some people talk some non-senses about it. People can laugh about all of the family names, if they want. In Germany there are many citizens with the family names e.g. DICK (means fat) and KOCH (means cook); but everyone is OK with that here too. Just look at the name of the current Metropolitan Police Commissioner in London, then you can assume it probably.

      Secondly, in my fourth chapter, I already discussed, which way we should correct our name, if you have an intention to migrate to western countries. I think you would reconsider it according to the current situation of the world, whether you wanna change it more to arabic direction or bengal direction.

      So my suggestions:

      Md, Rihan Miya > Rihan Ahmed (not preferred and more difficult to get a YES from the boards)
      Md. Rihan Miya > Rihan Miya (preferred and easy to get a YES from the boards)

      2. Only one name afidavit and one newspaper publishing for everything. No need to repeat it.

      3. You can talk about the probelm of having a MD in your name as per my main writing:

      4. Sorry, I can’t answer that. It depends how dedicated you are. How much time you can spend on it. How easy the processes are in the boards. How many documents you wanna change from different authorities. So it always varies from person to peson. But I hope 1 year is more than enough for that.

  8. 1 . “মিয়া” আমার বংশের কারোর নামের সাথেই নেই…. তাই “মিয়া” change করাতে board থেকে “yes” পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কারন কি বলব ?

    মিয়া” আমার বংশের নাম না তাই যত সময় ই লাগুক যদি চ্যাঞ্জ করা যায় আমি চেস্টা করে যাব … আপনি শুধু বলেন “মিয়া” চ্যাঞ্জ করা যাবে কিনা প্লিজ ?? তাহলে আমি মাঠে নামবো…

    2. school board থেকে change করতে পারলে college boarde কি কি documents নিয়ে যেতে হবে?

    #Germany te MBA করার জন্য scholarship পেতে requirements গুলো কি কি ???

    # আপনার সাথে facebook যোগাযোগ করতে পারলে ভাল হত…?

    1. 1. If MIYA isn’t the family name of yours, then you can go the family name of your father. If your father has a family name at his name (at the National ID or SSC cert), it will be easy for you to modify it that way.

      2. As I have no experience from two different boards, I can’t really say, whether you need to change the SSC first. You can ask Dhaka board initially, whether you have to go to Comilla board first, or you can do both SSC and HSC parallelly.

      3. It’s not about MBA or scholarships. Please go to the menu bar of this website. You can certaily find many posts about that: But I would also suggest a smalll thing. If you wanna come to Germany asap for an MBA, it might be better to go on self-finance than scholarship. Actually there is “scholarship for all” here already, as there are no tution fees in max. universities till now.

    2. 2. Well, if you can change the SSC first, I hope it will be really easier for the HSC. In that case, you might need to take the notice of name corection from the comilla board, and corrected SSC certificate, SSC transcript, SSC registration card, SSC admit card to the Dhaka Board.

  9. ভাই আমার নাম শুধু “Akteruzzaman ” কোনো লাস্ট নেম নাই। এক্ষেত্রে কি আমার স্কুল থেকে ভার্সিটি সব যায়গায় লাস্ট নেম যোগ করতে হবে??? আমি এখন অনার্স ফাইনাল সেমিস্টার এ আছি। এ অবস্থায় কি করনীয় দয়া করে বলবেন।

  10. If you wanna try abroad for higher study, I would suggest: Yes, you should have a family name.

    If you wanna go for the easier way, then:

    1. Add the family name from your father, if he has one. Or, you can just modify it to this way: AKTER ZAMAN.

    2. Go to a lawyer, and prepare your name affidavit.

    3. Publish it in a newspaper.

    4. Correct or reissue a birth certificate according to the new name.

    5. Try to correct the national ID if that’s possible. It’s kinda difficult without SSC certificate getting modified, but it does worth a try.

    6. If could modify the National ID card, then it’s easy to get your passport that way. Otherwise I would suggest to try it only with your modified birth certificate.

  11. আমার সব সার্টিফিকেট এ নাম হল Kazi Ansarul Hoque,, কিন্তু এসএসসি সার্টিফিকেট আছে Kazi Ansharul Hoque…শুধু একটা h বেশি আছে।এটা সংশোধন না করলে পরবর্তীতে কোন সমস্যা হবে কিনা, জানালে উপকৃত হব।

    1. It’s better to get it corrected.

      Most of the time they do those mistakes intentionally in the boards, so that they can earn extra money from you. So don’t be too soft ro them.

  12. My name was written in ssc, hsc and honors cirtificate as “Latifurrahman” only. Will be there any problem for getting passport and visa for going higher study in abroad? please kindly inform me. I will be grateful.

  13. আমার নাম MD Sojibul Hasan, আ‌মি MD বাদ দি‌য়ে শুধু Sojibul Hasan করতে চাই। এ‌ক্ষে‌ত্রে বোর্ড নাম প‌রিবর্ত‌নের ‌নি‌র্দিষ্ট কারন জান‌তে চাই‌লে কি উত্তর দিব ?

    1. ৪ঝ। MD দিয়ে যে Doctor of Medicine বুঝায়, সেটা নিয়ে এর আগে অল্প আলোচনা হয়েছে। এখানে আরেকটু আলোচনা করতে চাইছি। বাংলাদেশী মুসলিম পরিবারগুলোতে দেখা যায় যে, নামের সাথে মুহাম্মাদ বা আহমাদ লাগানো অত্যাবশ্যক ধরা হয়। আরবে মুহাম্মাদ বা আহমাদকে কখনও নামের টাইটেল হিসেবে ধরা হয় না, বরঞ্চ নাম হিসেবেই ধরা হয়। যেমন ধরুনঃ মুহাম্মাদ আল-সাব্বানি, আহমাদ ইবনে সাইদ। এই দুই নামের ক্ষেত্রে; প্রথম জনের নাম মুহাম্মাদ আর তার পারিবারিক নাম আল-সাব্বানি। দ্বিতীয় জনের ক্ষেত্রে; তার নাম আহমাদ আর তার বাবার নাম সাইদ।

  14. MD Sojibul Hasan থে‌কে MD বাদ দি‌য়ে শুধু Sojibul Hasan করতে ‌বো‌র্ডের YES answer পাবার সম্ভাবনা কতটুকু ?

  15. vai amar nam akon sob jaygay only Monir deoa ase ami এফিডেভিট jodi kori tahole kon nam ti deoa better hobe 1/ Monir Hossain Bhuyan 2/ Monir Bhuyan ai 2 tar modde kon ti dile valo hobe please help me
    Thanks

  16. নাম প‌রিবর্ত‌নের হলফনামা ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপ‌নে কি লিখ‌তে হয় তার একটা নমুনা দি‌লে উপকৃত হতাম ।

    1. Please google. Also talk to the lawyers, about your format. You will certainly come with an idea, how to write that. Later you can post that here, if you would like to. I will try to make some comments on that later.

  17. আমার সার্টিফিকেট Md Sajib Hossain নাম দেয়া আছে । আমি যদি Md না পরিবর্তন করি তাইলে কি কোন সমস্যা হবে ?

    1. It’s always a “relative” phenomenon that, how you see or define a problem. To get an admission in the universities, I don’t see it as a problem. But about the career after study in the western countries, I can’t say for sure.

  18. আমার বাবা-মা এর নাম আমার সার্টিফিকেট এ একরকম আর ভাই-বোনদের সার্টিফিকেট এ একরকম। বাবা-মা দুইজন পরলোকগত। বাবা-মা এর নাম এফিডেবিট করতে চাই। কোন সমস্যা হবে কি? অগ্রিম ধন্যবাদ।।

    1. Owe! I have no idea, how to do a name affidavit for deceased persons! But probably you can correct your parents name in either yours, or in your siblings certificates. I would say that, that might be an appropriate approach.

  19. এ এস সি এবং এইচ এস সি এর জন্য কি আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে ?

    1. Yes. You have to apply seperately. But generally if it’s in the same education board, they assess both applications as one. So if you get a ‘YES’ for the SSC, you will get a ‘YES’ for the HSC automatically. Same for the ‘NO’. 😉

  20. আমার বর্তমান নাম স্বপন মিয়া
    এইটা হিন্দু নাম হওয়ায় আমি পরিবর্তন করতে চাই
    আমি যদি অন্য কোনো নাম (স্বপন মিয়া)বাদ দিয়ে পরিবর্তন করতে চাই এবং নামের শেষে ইসলাম দিতে চাই তাহলে কি সম্ভব?
    আমি এখন অনার্স ২বর্ষে অধ্যয়নরত…
    আশা করি আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত আমার অনেক উপকার হবে।

    1. স্বপন মিয়া is just a name. I don’t see any influence of religion here. And that’s why I would not change this name.

      Another point: I do feel like; I couldn’t make my voice clear in this whole essay. All I wanted to emphasize, how important it is, to have a name without religious influences.

      If you do wanna come to western countries, I think your name is comepletely OK, just the way it is now.

  21. ভাই স্যাম্পল দেয়া যাবে? এফিডেভিট আর বিজ্ঞাপনের? ইংরেজি স্যাম্পল। গুগলে পাওয়া যায় জানি বাট আপনি দিলে ভরসা পাওয়া যাবে।

  22. আমার সদ্য করা অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সে SUMAN DEY এর জায়গা SUMON DEY আসছে । এবং আমার থানার নাম পুরোটাই ভূল আসছে, বাকি সব ঠিক আছে ।(একই জেলার অন্য থানার নাম দিছে )। আমার সকল একাডেমিক এবং অফিসিয়াল কগজে SUMAN DEY আছে । এগুলো সংশোধনের প্রক্রৃয়া কি ? জানিয়ে বাধিত করবেন ।

    1. You just need to show your SSC certificate to the BRTA. They are responsible for this correction. Please go to that BRTA-office, from where you collected your driving license.

  23. হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়ার পর সকল certificate name change করতেও কি এই নিয়মই প্রযোজ্য?? এইক্ষেত্রে তো মা -বাবার হিন্দু নামটায় থেকে যাবপ।এটাকি চাকরির ক্ষেত্রে কোন problem হবে???

    1. Changing your religion doesn’t really require any name change. I again feel like, people can’t understand my essay here. I was emphasizing here, the importance of a standard and secular name as per current situation.

  24. ভাইয়্যা,
    আমি খুব সমস্যায় আছি, আমার এস এস সি পাশের সন ২০০৩
    Chittagong board সনদে নাম :(Mohammedkamranforhad)
    পিতার নাম:(Mohammeddelwerulalam) এভাবে আছে।
    Correction করতে চাই এভাবে (MOHAMMED KAMRAN FORHAD)
    (MOHAMMED DELWER UL ALAM)
    সম্ভব হবে কি?
    কারন বোডের্র অনলাইনে যে ফরমে দেওয়া আছে তাতে দেখলাম পাশের দুই বছরের মধ্যে ঠিক করতে হবে। একটু সাহায্য করবেন দয়া করে যেহেতু আপনি chittagong board থেকে করেছেন

    1. They say that, you have to do it within two years. But I did it almost 10 years later. I saw the situation in the board. I more kinda think like that, those are probably intentional mistakes, to earn more money from the students. You can correct your name for sure. And its your right too.

      Anyway, if you read and understand my whole essay, probably you wanna correct it from ‘Mohammedkamranforhad’ to only ‘KAMRAN FORHAD’.

  25. ১) আমার পুরা নাম হচ্ছে মোঃ ফরহাদ বিন দুলাল প্রধানীয়া। আমি এখান থেকে ফরহাদ হোসাইন করতে চাচ্ছি। এখানে নাম চেঞ্জ করার জন্য কি কারন দেয়া যেতে পারে? এফিডেভিটে তো নামের কারন উল্লেখ করতে হয়?

    ২) আমি কুমিল্লা বোর্ড থেকে। এক্ষেত্রে কি আমার বাবা-মা কর্তৃক এফিডেভিট করতে হবে?

    ৩) আমি চাঁদপুর এ থাকি যেটা কুমিল্লা বোর্ডের আন্ডারে। এক্ষেত্রে কি আমি যেকোন জায়গায় থেকে এফিডেভিট করতে পারব। যেমনঃ ঢাকা থেকে কিংবা অন্য জায়গা থেকে? নাকি শুধু কুমিল্লা বোর্ডের আন্ডারে থাকা যেকোন জায়গায় থেকে করতে পারব? নাকি শুধু চাঁদপুর থেকেই করতে হবে?

    আমি রিসেন্টলি এক উকিলের সাথে কথা বললাম। উনি আমার এফিডেভিট নাকি কোর্টে তুলছে আর ম্যাজিস্ট্রেট নাকি খারিজ করে দিয়েছে। নামের এফিডেভিট নাকি বর্তমানে বাতিল করে দিয়েছে। এটা চাঁদপুরের এক উকিল দ্বারা করিয়েছিলাম। কাইন্ডলি, প্রশ্নের উত্তর দিলে খুশি হব।

    1. ১। “মোঃ ফরহাদ বিন দুলাল প্রধানীয়া” থেকে “ফরহাদ হোসাইন” করার সঙ্গত কোনও কারণ আমিও খুঁজে পাচ্ছি না। আমি উপরে যে কলাম লিখেছি, সেটা যদি বুঝে থাকেন, তাহলে হয়তো “ফরহাদ প্রধানীয়া” করতে পারেন, যদি আপনি আপনার নামকে আন্তজার্তিক ফরম্যাটে আনতে চান। আমি ধরে নিলাম প্রধানীয়া আপনার পারিবারিক নাম। সে হিসেবেঃ

      প্রথম নামঃ ফরহাদ
      পারিবারিক নামঃ প্রধানীয়া

      “হোসাইন” একটি বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত আরবি শেষ নাম, যেটা কোনও পারিবারিক নাম নয়। তাই নামের শেষে এটা যুক্ত করাটাও যৌক্তিক মনে হচ্ছে না।

      নাম পরিবর্তন করার কারণ হিসেবে আপনি আমার কলামে উল্লেখ করা ব্যাপারগুলো উল্লেখ করতে পারেন। যেমনঃ

      ক। মোহাম্মাদ কোনও টাইটেল নয়, আরবদেশে এটা নাম হিসেবেই ব্যাবহার করে থাকে।

      খ। আন্তজার্তিক ফরম্যাটে এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনকৃত পাসপোর্ট এ নামের দুটি অংশ থাকে। প্রথম নাম হিসেবে, মোহাম্মাদ ফরহাদ বিন দুলাল বেশ লম্বা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আপনাকে অফিসিয়ালি মোহাম্মাদ হিসেবেই ডাকা হবে। নামকে সহজ করার জন্যই, আপনি আরব উপদ্বীপের সংস্কৃতি (ফরহাদ বিন দুলাল) অনুসরণ না করে, প্রথম নাম হিসেবে শুধু “ফরহাদ” রাখতে চান। আপনার পারিবারিক নাম “প্রধানীয়া” (আমি ধরে নিলাম), তাই শেষ বা পারিবারিক নাম নিয়ে কোনও প্রশ্নের অবকাশ নেই।

      গ। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে বৈষম্য আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু অলিখিতভাবে কিছু বৈষম্য হয়ে যায়, যেটা বাইরে থেকে বুঝা যায় না। তাই “মোহাম্মাদ” এবং “বিন দিয়ে যুক্ত আরব উপদ্বীপের নামপদ্ধতি”র প্রতি বৈষম্য থেকে সতর্কতামূলকভাবে দূরে থাকার জন্যই এটা আপনার জন্য জরুরী।

      ২। আপনার বয়স ১৮ এর নীচে হলে আপনার আইনি অভিভাবকের দ্বারা এফিডেভিট করাতে হবে। অভিভাবক সাধারণত আপনার বাবা অথবা মা, যদি জীবিত থাকেন। আর আপনি ১৮ এর উপরে হলে নিজেই এফিডেভিট করাতে পারবেন। তবে কুমিল্লা বোর্ড থেকে আগে জেনে নিন, আপনার নিজের করা এফিডেভিট তারা গ্রহণ করবে কিনা।

      ৩। আপনার স্থায়ী ঠিকানা যদি চাঁদপুরে হয়ে থাকে, তবে সেখানে করানোই যুক্তিসঙ্গত। আর বর্তমান ঠিকানা ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম হলে, সেখানে করানোতেও আমার জানামতে সমস্যা হওয়ার কথা না। স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানার বাইরে করানোর ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতা নেই। তবে রাজধানী হিসেবে ঢাকায় করাতে কোনও সমস্যা হবে কিনা, সে ব্যাপারে উকিলের সাথে কথা বলে দেখতে পারেন। তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে কিছু কিছু উকিল সুযোগ-সন্ধানী হয়ে থাকেন। তাই আপনি চাঁদপুরের উকিলকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি আপনাকে ঢাকায় যেতে দিতে চাইবে বলে মনে হয় না।

      ৪। “নামের এফিডেভিট নাকি বর্তমানে বাতিল করে দিয়েছে।” – কথাটা শুনে বেশ অবাকই হলাম। আমার জানা মতে নাম সংশোধন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরিবর্তন আপনার আইনি অধিকার। কথা শুনে মনে হচ্ছে, হয়তো উকিল দক্ষ নয়, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট কোনও কারণে আপনার নাম পরিবর্তন অনুমোদন করতে চাইছে না। তবে ভাল হবে, আপনি যদি অভিজ্ঞ, দক্ষ এবং কিছুটা সৎ উকিল পেয়ে থাকেন (১০০% সৎ উকিল পাওয়াটা অসম্ভব বললেই চলে এবং ব্যাপারটা এই পেশাতে বাস্তবসম্মতও নয়)। “নামের এফিডেভিট নাকি বর্তমানে বাতিল করে দিয়েছে” – এই কথাটা আপনি ঢাকার কোনও উকিল থেকে চাইলে একটু যাচাই করিয়ে নিতে পারেন।

  26. আমার নাম জেএসসিতে Md.Sohan Molla এমন ছিল। এসএসসিতে Md. Sohan Molla এটা এসেছে। ডিপ্লোমাতে ভর্তি হওয়ার পরে Md.Sohan Molla অর্থ্যাৎ জেএসসিরটা এসেছে। এসবে আমার কোন হাত ছিল না । কিন্তু NID এসএসসির ডকুমেন্ট তত দিয়ে করেছি। কি কি সমস্যা হতে পারে?

    1. আমি পরামর্শ দিবঃ নামের এফিডেভিট করে সব জায়গা থেকেই আপনি এমডি বাদ দিতে পারেন।

  27. As I saw in some comments, some guys do still think think that, they need an arabic name because of their religion, here is some information about that:

    লেখকঃ যুক্তিবাদী (ìt’s not from me, collected from a blog)

    (এই পোস্ট এ ইসলাম কে খাট করার চেষ্টা করা হচ্ছে না , শুধু কিছু মুসলিম এর ১টি ভুল ধারণা ভাঙ্গা হয়েছে… তারপরও কারও ধর্মানুভূতি অত্যাধিক স্পর্শকাতর হলে এই লেখা পড়বেন না, ধন্যবাদ।)

    ১। ইসলামের প্রচলন শুরু হয় ৬১০ খৃষ্টাব্দ থেকে (নবীর বয়স যখন ৪০)। তখন নবী সহ যে সকল মানুষ জীবিত ছিল তারা জন্মের সময় কি মুসলমান ছিল ? ছিলনা। তারা ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত হয়ে কি তাদের নাম পাল্টে ফেলেছিলো ? না ফেলেনি। তাদের জন্মের সময় তাদের যে নাম রাখা হয়েছিলো সেই নাম সমুহ কি আদৌ ইসলামী নাম হতে পারে ? বরং যদি দাবি করা হয় যে ঐ সকল নাম খাটি প্যাগানদের নাম তাহলে তা অস্বিকার করার কোন পথ খোলা থাকবে না। বর্তমানে বিভিন্ন মুসলিম পরিবারে সন্তুানের নাম রাখাহয় বিখ্যাত সাহাবিদের নামে। সেইসব সাহাবাদের জন্মের সময় কি তাদের ইসলামী নাম ছিল ? অবশ্যই তাদের নাম রাখা হয়েছিলো প্যাগান ধর্ম, ঐতিয্য অনুসরনে। “আব্দুল্লাহ” নামটি সবথেকে বেশি সহী ইসলামী নাম। আব্দুল্লাহ ছিলেন নবীজির পিতা যিনি নবীজির জন্মেরও আগে মারা যান। খেয়াল রাখতে হবে, আব্দুল্লাহ পউত্তলিক হিসেবেই মারা যান। আব্দুল্লাহ নামের অর্থ আল্লাহর দাস। কিন্তু কোন আল্লাহর দাস ? তখনও ইসলামের জন্মও হয়নি এবং ইসলামের প্রচারকেরও জন্ম হয়নি। ইসলামের পুর্ববর্তি ইহুদি খৃষ্টান ধর্মেও আল্লাহ বলে কোন শব্দই নেই। এই আল্লাহ সেই প্যাগানদের মধ্যে প্রচলিত আল্লাহ নামের দেবতা যে লাত, মানাত ও উজ্জাতের পিতা।

    নবী ও সাহাবিরা নাম কোন ধর্মের পরিচয় বহন করত বলে মনে করতেন না। কেননা নামকে তারা যদি ধর্মের পরিচয় বহনকারী হিসেবে ভাবতেন তাহলে ইসলাম গ্রহনের সাথে সাথে তারা তাদের পুরনো পৌত্তলিক ধর্মের নাম বাদ দিয়ে নতুন ইসলামিক নাম নিতেন। অর্থাৎ, “নবি ও সাহাবি রাই প্রমাণ দিয়ে গেছেন “নাম কোন ধর্মের হয় না… ”

    ২। ( মাত্র ২০ জনের মত সাহাবি নাম চেঞ্জ করেছেন কারণ তাদের নামগুলো শিরক ও বাজে অর্থ এর মত দোষে দুষ্ট ছিল ।

    হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)বলেছেন, “পিতার উপর নবজাতকের হক হলো তার জন্য সুন্দর নাম রাখা” (মুসলিম)।

    হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যার (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তার দাদা হাজন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর খেদমতে গেলে তিনি জিজ্ঞেস করেন তোমার নাম কি? তিনি বললেন আমার না ম হাজন (শক্ত)। নবীজি (সাঃ) বললেন তোমার নাম হওয়া উচিত “সাহল”(সহজ সরল)। ( সহিহ বুখারি গ্রন্থ ৮ এর ২১৩ নং হাদিস) ও (মেশকাত শরীফ)।

    সহিহ মুসলিম শরীফ এ নাম সংক্রান্ত অনেক গুলো হাদিস আছে।

    ১০০৬,১০০৭,১০০৮,১০০৯, ১২৫১ নং হাদিস পড়ে নিন।

    নবী আসিয়াহ (অর্থঃ অবাধ্য / দুর্বল) এর নাম পরিবর্তন করে বললেন আজ থেকে তুমি হচ্ছ জমিলাহ (অর্থঃ সুন্দর ও সাস্থবান) (মুসলিমঃ ১০০৭)

    “হযরত আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, হযরত জুওয়ারিয়া (রাঃ) এর পূর্ব নাম ছিল ‘বাররাহ’। রাসূল (সাঃ) তার নাম পরিবর্তন করে রাখলেন জুওয়ারিয়া ।” (মুসলিমঃ ১০০৮)

    খেয়াল করে পড়ুন পাঠক, নবী নিজেই ইসলামিক নাম রাখতে বলেননি, বলেছেন সহজ, সুন্দর, অর্থবোধক নাম রাখতে।

    তারপরও যদি কেউ গোঁ ধরতে চান তাকে আমি বলব কোরানের আয়াত বা হাদিস হাজির করতে… যেখানে বলা আছে “ইসলামিক নাম রাখার কথা” … আমি আবারও বলছি , সবখানেই বলা হয়েছে “ সহজ, সুন্দর, অর্থবোধক নামের কথা ”।

    ৩। একটা নাম কোন বিশেষ গোষ্ঠী বারবার ব্যাবহার করতে থাকলে লোকজন সেই নাম ধারীকে সেই গোষ্ঠীর ভাবা শুরু করে… এইটা ঠিক। কিন্তু তার মানে এই না যে নামটা সেই গোষ্ঠীর একার সম্পত্তি হয়ে গেল।। আর কেউ সেটা রাখতে পারবে না বা ব্যাবহার করতে পারবে না। যেমনঃ “খান” নামটি তো মঙ্গলিয়ান নাম কিন্তু মুসলমান রা এটিকে এত ব্যাবহার করেছে যে এখন কেউ এই নাম বললে সাধারনত ভাবা হয় সে একজন মুসলিম। কিন্তু তার মানে এই না যে “খান” নামটি এখন মুসলমান ছাড়া আর কারও হতে পারবে না…

    ৪। নাম একজন মানুষের ধর্মের পরিচয় বহন করে এই ভুল ধারণাটা আসলে মুসলমানদের মধ্যে গেঁথে বসেছে হুজুরদের কারণে । লোকজন সন্তান জন্মের পর হুজুরদের কাছে গিয়ে যখন ইসলামিক নাম চায় তখন হুজুররা সাধারনত আরবি ডিকশনারি খুলে ১টা শব্দ ধরিয়ে দেয় বা সাহাবীদের নাম ধরিয়ে দেয় (যদিও সাহাবীদের এই নাম কিন্তু তারা পৌত্তলিক থাকার সময় থেকেই যেটা ছিলও সেই নাম)। এবং তারপর হুজুররা বলে “নেন, আপনার সন্তানের জন্য সহীহ ইসলামিক নাম খুঁজে দিলাম” । অতঃপর সেই অভিভাবক তার সন্তানের সহীহ ইসলামিক (পড়ুন আরবি) নাম নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়।

    ইদানীং অবশ্য সহীহ ইসলামিক নাম এর বই বের হয়েছে যা আসলে আরবি-বাংলা ডিকশনারি থেকে সংকলিত কিছু শব্দ সম্ভার মাত্র।

    কিন্তু মনে রাখতে হবে, ইসলাম ধর্ম আরবি ভাষায় প্রচলিত হয়েছে বলেই আরবি ভাষার সব শব্দ ইসলামের একার সম্পত্তি হয়ে যায় না। এবং অভিভাবকরা সহিহ ইসলামিক নাম ভেবে সন্তানের যে নাম রাখছেন তা আসলে সাধারণ আরবি শব্দ ছাড়া কিছুই না।

    ৪। নাম / শব্দ যে কোন ধর্মের হয়না তা ১টা উদাহরণের মাধ্যমে বোঝান যায়।

    ধরুন, বাংলাদেশের এই খারাপ আর্থ-সামাজিক অবস্থা দেখে কোন এক সমাজ সংস্কারক বাংলাদেশে বাংলা ভাষার মাধ্যমে “অং-বং” নামে কোন ধর্ম প্রচার করলেন , কিছু বাঙালি অনুসারিও পেলেন… এখন কিছুদিন পর এই অং-বং ধর্মের অনুসারিরা যদি দাবি করেন যে অং-বং ধর্ম যেহেতু বাংলা ভাষায় প্রচারিত হয়েছে অতএব বাংলা ভাষা তাদের নিজেদের, সব বাংলা শব্দ / নাম তাদের নিজেদের এবং তারা যদি দাবি করেন “অং-বং” ধর্মের অনুসারিরা ছাড়া আর কেউ বাংলা নাম রাখতে পারবে না … তাহলে ব্যাপারটা কি হাস্যকর লাগবে না ?

    একইভাবে , ইসলাম যেহেতু আরবি ভাষায় প্রচার হয়েছে , সুতরাং মুসলিম রা ছাড়া আর কেউ আরবি নাম রাখতে পারবে না… তাহলে ব্যাপারটা কি হাস্যকর লাগে না ?

    পাকিস্তানি শাসকরাও বাংলা কে হিন্দুর ভাষা হিসেবে ভাবত…

    ১৯৫২ / ১৯৭১ এ এই ভুলের মাশুল তারা দিয়েছে…

    ৫। এরাবিক নাম দেখলেই অনেকে ভাবতে শুরু করেন সেটা মুসলিম নাম । তা ঠিক নয়। আরবের মুসলমানরা সহ অনেক খ্রিস্তান-ইহুদি – কাফির সবার নাম এখনও একইরকমই হয়।

    প্রমাণঃ

    >> নবী মুহাম্মদ এর সাহাবি ও তার বিরধীতাকারি কাফেরদের নামে আপনি difference খুঁজে পাবেন না। একই নামের সাহাবি ও কাফের দুইটাই ছিল। উদাঃ খালেদ বিন ওয়ালিদ (মুসলিম) ও ওয়ালিদ বিন মুঘাইরা ( কাফের)। মুনাফিকদের সর্দার এরও নাম ছিল আব্দুল্লাহ বিন উবায় ইবন সালুলি। আরও একজন ইহুদী মুনাফিক এর নাম ছিল আব্দুল্লাহ ইবন সাবার।

    ৬। কোন নাম শুধুমাত্র তখন ই ধর্মের একার শব্দ হবে যখন সেটা হবে ধর্মীয় মৌলিক শব্দ (অর্থাৎ ধর্মটি প্রচলনের আগে সেই শব্দটি কোন ভাষায় প্রচলিত ছিলও না…) এরকম মৌলিক শব্দ ইসলামে খুব বেশী নেই… আমি একটাও পাইনি। (এই বিষয়ে আমার ভুল হতেও পারে এবং ইসলামের মৌলিক শব্দ কারও জানা থাকলে আমাকে বলুন, তাহলে এই নোট এ সেটা Add করে দিব। )

    আল্লাহ, আল্লাহর ৯৯টি নাম, মুহাম্মদ, আহমদ , ইত্যাদি কোনটাই মৌলিক শব্দ নয় … সবগুলোই ইসলাম আসার আগে থেকেই পৌত্তলিক আমল থেকেই প্রচলিত ছিলও।

    সাহাবিদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনের নাম ছিল আব্দুল্লাহ ও শতাধিক সাহাবির নাম ছিল আব্দুর রাহমান। দুইটা শব্দই ইসলাম আসার আগে থেকেই প্যাগান দের মাঝে বহুল প্রচলিত শব্দ ছিল।

    কারও নাম যদি কোন ধর্মের এইরকম মৌলিক শব্দ হয় (অর্থাৎ ধর্মটি প্রচলনের আগে সেই শব্দটি কোন ভাষায় প্রচলিত ছিলও না…) শুধুমাত্র তখনই বলা যাবে নামটা হচ্ছে সেই ধর্মের।

    ৮/ কেউ যদি আমার নিজের নাম নিয়েও প্রশ্ন তুলতে চান তবে তাদের বলব আমার নাম এর তিনটি শব্দ তিনটি উৎস থেকে এসেছেঃ

    তানভির – ভারতীয়

    আহমদ – এরাবিক

    রনি – অ্যাংলো স্যাক্সন

    অন্য সবার মতই আমার অভিভাবকও সহিহ ইসলামিক শব্দ ভেবেই আহমদ শব্দটি আমার নামের মাঝে জুড়ে দিয়েছিলেন … এবং অন্য সবার মতই তাঁরাও হয়ত জানতেন না আহমদ শব্দটি ইসলামিক নয়… ইসলাম আসার আগে থেকেই আরবের প্রচলিত শব্দ।

  28. আমার পরিচিত এক ফ্রেন্ড ভুল করে না জানার কারনে সরকারি চাকুরীকরেও এনওসি এড না করে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিল।দালালের মাধ্যমে করেওছিল।
    পরবর্তীতে পাসপোর্টটাটা আটকে যায় এবং দেখায় অন্য কারো নামের সাথে মিলে গেছে
    এখন এনওসি নিয়েছে । কোন উপায়ে সংশোধন করা যায় কি?অথবা নতুন করে করা যায় কিনা দয়াকরে জানাবেন?

    1. দালালের মাধ্যমে সাধারণত এখন আর পাসপোর্ট করানোর কোনও প্রয়োজনীয়তা থাকে নেই, যদি না আপনার বিশেষ কোনও সমস্যা না থাকে আর আপনার এলাকার পাসপোর্ট অফিস ঘুষ ছাড়া আপনাকে পাসপোর্ট ইস্যু করতে রাজী না হয়। আরও অবাক লাগলো শুনে, যে সরকারী চাকুরীজীবী হয়ে ও এক্ষেত্রে নিজের ক্ষমতায় কাজটি উনি করাতে পারেন নি। হয়তো অন্য ব্যাপার আছে এখানে, যাই হোক, সেটি মুখ্য বিষয় নয়। সরকারী চাকুরীজীবীদের যেই পাসপোর্ট (হয়তো সাধারণত অন্য দুটি রঙের হয়, সবুজ না হয়ে), সেটি দিয়ে উনি চাকুরীগত কারণ ছাড়া লম্বা সময়ের জন্য দেশের বাইরে থাকতে পারবেন কিনা, সেটি নিয়েও আমি পুরোপুরি অবগত নই।

      বর্তমানে অনলাইনেই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়, এবং এটি যথেষ্ট সহজ আর আপনি নিজে ভুল না করলে তাদেরও ভুল করার আর উপায় নেই। লিঙ্কঃ http://www.passport.gov.bd/

      আমরা জার্মানিতে যারা থাকি, তারা নবায়নের জন্যও প্রথমে এখানে ফর্ম পূরণ করে, বারকোড সহ ডাউনলোড করে, বার্লিনের বাংলাদেশ এমব্যাসিতে পাঠাই।

      পাসপোর্ট অফিসের লোকজন হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবেই ভুলগুলো করে থাকে, যেন তারা পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে আরও ঘুষ নিতে পারে। তাই নিজের প্রতিবাদী কণ্ঠকে সেখানে একটু জোরালো ভাষায় উত্থাপন করাটাও আমি জরুরী মনে করি।

      উনার অবশ্য এখন আর তেমন বেশী কাজ নেই। উনি শুধু সংশোধনের ফর্ম পূরণ করে আর সাথে এস, এস, সি সনদ (সম্ভবত জাতীয় পরিচয়পত্র আর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ ও চাইতে পারে) জমা দিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যাওয়ার কথা। লিঙ্কঃ http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Information_Alteration_Correction.pdf

      শেষ কথাঃ নিজের কাজ দয়া করে একটু নিজে করার চেষ্টা করুন। বিনা প্রয়োজনে যত্রতত্র দালালের কাছে আত্মবিসর্জন দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

  29. আমার এক ফ্রেন্ড ভুল করে না জানার কারনে সরকারি চাকুরীকরেও এনওসি এড না করে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিল।দালালের মাধ্যমে করেওছিল।
    পরবর্তীতে পাসপোর্টটাটা আটকে যায় এবং দেখায় অন্য কারো নামের সাথে মিলে গেছে
    এখন এনওসি নিয়েছে । কোন উপায়ে সংশোধন করা যায় কি?অথবা নতুন করে করা যায় কিনা দয়াকরে জানাবেন?

    1. #Admin #Admins #Rashidul_Hasan #Tanzia_Islam , Could anyone of you please delete this second comment. It’s a duplicate comment of the previos one and I already answered there.

      It would be nice of you, if you can delete this comment inclusive my this English reply. 🙂

  30. আমার জন্ম নিবন্ধনে ভুল ছিল বিধায় সার্টিফিকেটে ভুল উঠেছে, এখন আমি আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করে ফেলেছি কিন্তু সার্টিফিকেট ঠিক করতে হবে, তাহলে কি আমার পি ই সি জে.এস.সি এস,এস,সি দুটোই ঠিক করতে হবে কি?

    1. ananta sarker একটি পুরোপুরি সঠিক ফরম্যাটের নাম। যদিও আপনার প্রশ্ন এটি নয়, তবুও আপনাকে একটু সতর্ক করে দেয়া ভাল যে, আপনি যদি জার্মানিতে আসেন, আপনি হয়তো কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরতে পারেন। একটি উদাহরণ দেইঃ জার্মান টেনিস সুপারস্টার “স্টেফি গ্রাফ”। তার স্বামী ফ্রেঞ্চ টেনিস সুপারস্টার হলেন “আন্দ্রে আগাসি”। ফ্রান্সে তার নামকে আন্দ্রে বলা হলেও, একি ধরণের নামকে জার্মানিতে বলা হয় আন্দ্রিয়া, যেটি মেয়েদের নাম। 🙂 আমার এক রাশিয়ান কলিগের নামও এমন ছিল। তাই এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য সে জার্মানিতে আসার পর তার নাম আন্দ্রিয়া থেকে পরিবর্তন করে আন্দ্রিয়াস করে ফেলেছিল, যেটি সাধারণত ছেলেদের নাম।

      আমি নিজেও অবশ্য নিশ্চিত নই, আপনি পুরুষ নাকি মহিলা। মনে কিছু নিবেন না, আপনার নামকে কিন্তু অনন্ত আর অনন্তা দুভাবেই উচ্চারণ করা যায় বাংলাদেশেও। 🙂 আমিও তাই পরামর্শ দিবো, আপনি অনন্ত হলে Ononto, আর অনন্তা হলে Ononta বানান দিয়ে লিখার জন্য। তবে আরেকটু ভালোভাবে চিন্তা করতে পারেন, আপনি নামের শেষে আদৌ ইংরেজি স্বরবর্ণ রাখবেন কিনা। শেষের স্বরবর্ণটি বাদ দিলেই কিন্তু আপনাকে নিয়ে সংশয়ের অবকাশটি আর তেমন থাকে না। 🙂

      এখন আসল প্রসঙ্গে আসিঃ আপনার করনিয়ঃ
      ১। বোর্ডের সনদ যেহেতু হয়ে গেছে, আমার মনে হয়, আপনাকে এক্ষেত্রে এফিডেভিট করাতে হবে। আপনাকে হয়তো আপনার অভিভাবক (সাধারণত বাবা অথবা মা) দিয়েই এটা উকিলের মাধ্যমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরের মাধ্যমে করাতে হবে।
      ২। জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন।
      ৩। জন্ম সনদ তো আছেই। কিন্তু অনলাইনে না করে থাকলে, সেটিও করে ফেলতে পারেন।
      ৪। পি,এস,সি, আর জে,এস,সি, আর এস,এস,সি, এর সনদের কাজ, তিনটিই করতে হবে। কিন্তু একি বোর্ডে হলে, আসলে মূলত তিনটি কাজই একটি কাজ। কারণ, আপনি আবেদন থেকে শুরু করে টাকা জমা দেয়া আর নাম সংশোধন কমিটির সামনে যুক্তিস্থাপন করা, সবগুলোই একটি কাজ। এক্ষেত্রে ও আপনার নাম সংশোধনে তারা যেন আবার ইচ্ছা করে ভুল রেখে না দেয়, সেটি খেয়াল রাখবেন। অনেকেকেই হয়রানির জন্য বোর্ডের লোকজনেরা এই কাজটি করে থাকে। আর অবশ্যই শেষে গিয়ে বোর্ডের অনলাইন ডাটাবেস এ যেন তারা নামটি ঠিকভাবে সংশোধন করে, সেটিও খেয়াল রাখবেন।
      ৫। প্রয়োজনীয় কারণে নাম সংশোধন আপনার অধিকার। তাই তারা গড়িমসি করলে অথবা করতে না চাইলে উকিল ধরে আইনি বেবস্থা নিবেন বলে জানিয়ে দিন।

  31. এফিডেভিট কি নোটারী পাব্লিক দিয়ে করালে হবে? ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে করানো আর নোটারী পাব্লিক দিয়ে করানোর মধ্যে পার্থক্য কি?

    1. প্রশ্নটি পরিষ্কার নয়। আমার জানা মতে এফিডেভিট করাতে হয়ঃ
      ১। ২০০ টাকার স্ট্যাম্পে। যেহেতু ২০০ টাকার কিছু নেই, তাই ১০০ টাকার দুটি স্ট্যাম্পে।
      ২। উকিল বা এডভোকেট এর সত্যায়ন এর মাধ্যমে (এটাকেই আপনি হয়তো নোটারী পাব্লিক বুঝাচ্ছেন )
      ৩। এরপর উকিলই আপনার নাম সংশোধনের ব্যাপারটি কোর্টের রেজিস্টার এ নিবন্ধন করিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট এর স্বাক্ষর নিবেন। যতটুকু জানি, এটাই হল নামের এফিডেভিট।

      ছোট পরামর্শঃ দেশের প্রচলিত ফর্মগুলো দিয়ে স্ট্যাম্পে না লিখে, আমি পশ্চিমা দেশগুলোর মতো করে কিছুটা করেছি। আর ধর্মের নাম উল্লেখ না করাটাই বেক্তিগতভাবে ভাল মনে করি।

  32. আমি পাসপোর্ট এর ফর্ম ফিলআপ করার সময় প্রফেশন দিয়েছি (দালাল এর মাধ্যমে করানোর ফল ) এটা কি চেঞ্জ করতে হবে?

    1. প্রফেশন যেহেতু সরাসরি পাসপোর্টে লিখা থাকে না, তাই এটা হয়তো বড় কোনও সমস্যা নেই। আপনার আশা করি কিছু না করলেও চলবে। ৫ বছর পর নবায়ন করার সময় সঠিক তথ্য দিয়ে দিলেই হয়ে যাবে, যদি আপনি তখন অনলাইন এ করে থাকেন। লিঙ্কঃ http://www.passport.gov.bd/

      অথবা, ম্যানুয়ালি এখানেঃ http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Information_Alteration_Correction.pdf

      একটু আগেও বললাম, আপনাকেও বলছিঃ নিজের কাজ দয়া করে একটু নিজে করার চেষ্টা করুন। বিনা প্রয়োজনে যত্রতত্র দালালের কাছে ধর্না দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

  33. আমার ‍‍‌জে.এস.সি. , এস.এস.সি. , এইচ.এস.সি সার্টিফিকেট, অনলাইন জন্ম নিবন্ধন কপি , জাতীয় পরিচয়পত্র তে পিতা ও মাতার ইংরেজী নামের বানান একই ও সঠিক। কিন্তু তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে তাদের ইংরেজী নামের বানান আমার জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্যান্য সার্টিফিকেট অনুসারে নয়। সেক্ষেত্রে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা র জন্য কী তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হবে ???

    [ সামনে পাসপোর্ট করব এস.এস.সি সার্টিফিকেট অনুসারে ]

    1. উচ্চশিক্ষার জন্য আপাতত পরিবর্তন না করলেও হয়তো চলবে।

      তবে সম্পত্তির উত্তরাধিকার পেতে পরে সমস্যা হতে পারে।

  34. দাদার দেশ সন্দীপে জন্ম নেওয়ায় আত্মীয়স্বজনরা শখ করে নাম রেখেছিলো সাকিবুল হাসান সামি।আর নানার পক্ষের আত্মীয়স্বজনরা শখ করে নাম রেখেছিলো মুসলীম উদ্দীন সামি।অবশ্য বলে রাখা উচিৎ সামি নামটা আম্মুর পছন্দনীয় নাম।আসল কথা হচ্ছে ৪ বছর বয়সে আম্মুর চাকুরীর জন্য নানার গ্রামে কক্সবাজার চলে আসতে হয়।তাদের শখের নাম মুসলিম উদ্দীন সামি নামকরণে স্কুলে ভর্তি করায়।যোগাযোগব্যবস্থা ও পারিবারিক সম্পর্ক ভালো ছিলোনা বিধায় দীর্ঘদিন দাদার যাওয়া হয়নি।অস্টম শ্রেণী আগে সন্দীপ যাওয়ায় হয়নি।দাদাদাদী চাচা জেঠা নামক কাউকে চিনতাম নাও।এর মধ্য আব্বু কক্সবাজারে রাজনৈতিক ও ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে একটা ভালো অবস্থান হওয়ায় এখানে স্থায়ীভাব বসবাস করে।ঐ বছর ছুটিতে সম্পর্ক ভালো হলে আমি ও আব্বু দাদাদের বাড়ি যায়।বেড়াতে গিয়ে আমার সমস্যার সৃষ্টি।তাদের দেওয়া নাম না রাখায় শুনে দাদাদাদীরা খুব ব্যথিত হয়েছে কষ্ট পেয়েছে।পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করবে বলে ওয়াদা করে।নাম পরিবর্তনের জন্য আব্বু আমাকে দূরে এক স্কুলে ভর্তি করায়।অবশ্যই দুবছর হোস্টেলে থেকে এসএস সি পাশ করেছি।আম্মু এবং নানার বাড়ীর কাউকে না জানিয়ে নাম পরিবর্তন করে দেয়।নাম দেওয়া হয় সাকিবুল হাসান মোসলেম। তখন অত কিছু বুঝতামনা।৭/৮ মাস পর মা জানতে পারলে আব্বু যেকোনভাবে ম্যানেজ করে।কিন্তু এসএসসি পাশের পর যতসব সমস্যা।গ্রামের পরিচিত ও আগের ক্লাসমেটরা হাসি ঠাট্টাতামাসা শুরে করে।আলোচনা সমালোচনা হয়।নামের কোন ম্যাচিং,অর্থহীন কিংবা সৌন্দর্যতা না থাকায় শেষে আমারও খারাপ লাগতো।এখনো সেটা বয়ে বেড়ায়।পরে এটা নিয়ে এস এইস সি পাশ করে নিই।যেখানে যাই নাম নিয়ে মন্তব্য শুনে বিভ্রান্তি ও বিপাকে পড়তে হয়।কারন সাকিবুল হাসান নামে কেউ আমাকে জানতো নাও চিনতো না।অনেকে নাম শুনে অবাক যায়।যার কারনে পড়ালেখা আর চালিয়ে যেতে ইচ্ছে হয়নি।এরপর দাদার দেশি যাওয়া হয়নি আর হবেনাও।যেহেতু সমুদ্রে ভিটেমাটি বিলীন হয়ে গেছে।আর আমরা যেহেতু কক্সবাজার দীর্ঘদিন থাকি এবং সবদিক দিয়ে আমরা এখানে স্যাটেল সেহেতু সন্দীপে গিয়ে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ ও মানসিকতা নাই। এরপর আব্বুও তার ভুল বুঝতে পারে এবং পরে সংশোধন করতে পারে কিনা চেষ্টা করতে বলে।কিন্তু করার কিছু নাই,এত কিছু জানতাম নাও বুঝতাম নাও।সংশোধনের স্কুল টিচারের কাছে পরামর্শ চাইলে উল্টো হতাশ করতো।এবং কেউ নির্দিষ্ট পরামর্শও দেয়নি।এখন আমি চাইলে কি মুসলীম উদ্দীন সামি নামে নাম পরিবর্তন করা যাবে?যেকোনভাবে হোক যেকোনো উপায়ে আমি করতে রাজি।কেননা জন্ম নিবন্ধন ও অন্যান্য কাগজপত্র আমি মুসলিম উদ্দীন নাম দিয়ে বানিয়েছি।এনাইডি করিনি শুধু সংশোধন করার অপেক্ষায়।
    SSC-2010
    HSC-2012

    সরি অনেক লম্বা হয়ে গেছে।তারপরও সবকিছু বলা যায়নি।
    যদি পরামর্শ দেন অনেক উপকৃত হব ও কৃতজ্ঞ থাকিব।

    1. যদি আপনি আমার কলামটি পড়তেন, তাহলে হয়তো এই প্রশ্ন করতেন না।

      মুসলিম উদ্দীন সামি মোটেও কোন স্টেন্ডার্ড নাম নয়।

      পারিবারিক নাম উদাহরণস্বরুপ ধরে নিলাম “তরফদার”।

      সেই হিসেবে আপনার নাম হবে সামি তরফদার।

  35. আমি এইবার বাংলাদেশ ঢাকা বোর্ড থেকে এসএসসি পরিক্ষা দিবো। আমি চাই কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় আমার সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন করতে। এই জন্য আমার করণীয় কি হতে পারে।

    বিঃদ্রঃ এসএসসি-র সনদে নাম পরিবর্তন না করলে সমস্যা হবে নাকি?

    1. এসএসসি-র সনদের উপর ভিত্তি করেই আমাদের দেশে সবকিছু হয়। তাই সেটার পরিবর্তন একপ্রকার বাধ্যতামূলক।

      কি নাম নিতে চাইছেন জানতে পারি কি?

  36. I have applied for german passport. But the problem I am facing is my name is not splitted into family name and first name on my birth certificate. So, my application is pending. Does anybody knows a way to solve it. Regards

    1. Of course. Just add the family name from your father, if he does have one. The whole process is written in the column.

      1. Name affidavit
      2. Papes publication
      3. Birth certificate
      4. SSC certificate
      5. National ID Card
      6. Passport

  37. Bhaiya,amr ssc hsc certicate e name ache Nasrin sultana bt amr nickname mehreen.ami ekhon hons 4th year e ,ami ki amr name mehreena nasrin krte parbo ?ektu janaben plz

    1. পরিবর্তন কেন করতে চান জানতে পারি কি? আপনার পারিবারিক নাম কি নাসরিন?

  38. আমার সার্টিফিকেটে বাবার নাম এবং মায়ের
    নাম এভাবে দেওয়া :-
    মায়ের নাম : Mss. Lutefonahar
    বাবার নাম : Md Ibrahim
    উনাদের জাতীয় পরিচয় পত্রে এরকম:-
    Name : Lutfunnahar Jabin
    Name : Ibrahim Khalil
    জানতে চাচ্ছি পরবর্তীতে কি কোনো সমস্যা
    হবে??

    1. You might get problem to get their properties as inheritance.

      Make sure that, they have everywhere including Birth certificate, Land register, Bank account, electricity & gas & other utility bills the mentioned name from national ID.

      Then change your birth certificate according to that first. Then ssc certificate, passport and others.

  39. আমার জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে SSC, HSC, University(অধ্যয়নরত) ‍সকল সনদে নাম Md. Al Amin রয়েছে । Md. বাদ দিয়ে আমি আমার ডাক নাম(নাকিব) সংযুক্ত করে Nakib Alamin Anvit করতে চাই । কিন্তু নতুন দুইটি অংশের সংযুক্তি বোর্ডে গ্রহনযোগ্য হবে কিনা বা হলেও কি যুক্তি দেখাবো বুঝে উঠতে পারছিনা ।

    এক্ষেত্রে নামের সংযুক্তিতে সাজেশন ও যুক্তিগুলো জানাবেন please.
    আমার বাবার নাম Md. Enamul Huq

    1. Probably you haven’t read my column thoroughly. Your name should be after change: Alamin Huq.

      That’s only one very easy to explain to the board as well as easy to get accepted.

  40. নাম সংশোধনের এফিডেফিটের ফরম্যাট আমার দরকার। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে। আশা করছি, মেইলে পাঠিয়ে বাধিত করবেন।
    [email protected]

    1. There are a lot of standard formats available online. Please google them. I wouldn’t just add the religion there probably, as many typewriters beside the lawyer’s chambers do.

  41. ভাইয়া আমার সকল সনদ পত্রে( যেমন ঃNID, SSC,DIPLOMA,HONORS ) আমার নাম শুধু একটা (Faisal) কিন্তু আমার পুরো নাম হল Faisal Mahmud, আমার সনদে আমার বাবার নাম হল Haron Matbor,এবং আমার মায়ের নাম শুধু (Fahima) এখন ভাইয়া আমি কি করব?? এবং কিভাবে করলে আমার সুবিধা হবে ?আমি সংশোধন করাতে চাই ।(আর ভাইয়া আমি শুনেছি surname/second name ছাড়া বিদেশে উচ্চ শিক্ষা নাকি কোন ভাবেই সম্ভব না) দয়া করে আমাকে একটু হেল্প করেন ভাইয়া।

    1. Sorry, I have to write it in English again, as I am working in a computer here without Bengali.

      1. “আমি শুনেছি surname/second name ছাড়া বিদেশে উচ্চ শিক্ষা নাকি কোন ভাবেই সম্ভব না” – That’s a bit exaggerated. Probably you might get problems in the VISA office, as they don’t know, how to fill out the obligatory field “surname” or “family name” in your case.

      2. You have a surname, I mean “Mahmud” as you said. But It’s not your family name. As I saw that, your family name is “Matbor” from your father’s name. I would accept “Matbor” as the family name for two reasons:

      2a. Reason 1 – It would be very easy to get accepted from the education board, as your father’s family name is officially “Matbor”. And it’s completely logical.

      2b. Reason2 – Considering the current situation in the whole world, I would try to make my name less Arabic. Your life might get easier in the western countries, just because of this small reason. Changing it to “Faisal Mahmud” makes it completely an Arabic name although you aren’t from the Middle East (Saudi Arabia, Syria, Iraq etc). But changing it to “Faisal Matbor” would make it less Arabic and more Bengali. If you do have a religious feeling about this, please read the whole column thoroughly. Also there is another article I copy-pasted from another blog at the comment section. That would be very useful too.

  42. আবিদ ভাই, অনেক ধন্যবাদ তথ্যনির্ভর লেখাটার জন্য।
    এখন এফিডেভিটের একটি ফরম্যাট দরকার ছিল। যদি এখানে শেয়ার করতেন অথবা যদি কোথাও আপলোড করে যদি লিঙ্ক দিতেন।

    🙂

  43. আমি এইবছর এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছি এবং কলেজে ভর্তি হতে চাই এবং পাশাপাশি নিজের নাম পরিবর্তন করতে চাই। এক্ষেত্রে কি আগের সনদের কোনো পরিবর্তন করতে হবে??

    1. So far from my opinion, you should be get admitted in the higher secondary (11th class, what we call exceptionally college in Bangladesh) first. Then start the whole procedure later.

      Procedure:

      1. Name affidavit through lawyer undersigned by magistrate
      2. Notice in a national newspaper (not local)
      3. Birth certificate correction
      4. PSC, JSC & SSC certificate, transcript, admit card & registration card correction

      You can find the details in the main column.

  44. ধন্যবাদ।
    Procedure:

    1. Name affidavit through lawyer undersigned by magistrate
    2. Notice in a national newspaper (not local)
    3. Birth certificate correction
    4. PSC, JSC & SSC certificate, transcript, admit card & registration card correction

    এইগুলো সংশোধন করে তারপর কলেজের ডকুমেন্টে নাম পরিবর্তন করতে হবে কিন্তু transcript, admit card & registration card এ কিভাবে সংশোধন করা যায় এই বিষয়ে কলামে কিছু বলা হয় নাই।

    1. ২ঘ। এসএসসি/ এইচএসসি সনদ সংশোধন

      They consider generally all name correction together as one task, if you face all examinations at one board. Also all documents’ correction as one task. You just have to pay for each document extra amount of money at the end after getting the YES from the committee.

      But for each exmination, you have to pay seperate amount of money from the beginning.

      May I know, what your corrected name, current name and father’s name are?

  45. না ভাই।
    আমাদের পরিবারের কারো নামের সাথে কোনো পদবি যোগ করা নাই। তাই আমি রাহমান দেওয়ার কথা ভাবছি। আর ভাই এখন আর মাত্র দুইটি বিষয়ে জানতে পারলে নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করব। অনুগ্রহ করে জানা থাকলে জানাবেন, তাহলে কৃতার্থ হব।
    ১. যেহেতু আমি ১৮ এর নিচে তাই অবশ্যই অভিভাবক দ্বারা আবেদন করতে হবে। এখন আমার জানার বিষয় হলো বোর্ডে তাদের কি সবসময় উপস্থিত হতে হবে?
    ২. আমার সার্টিফিকেট এখনো বের হয় নি। এই বিষয়টা আমার কোনো সহায়তা করতে পারবে?

    বিঃদ্রঃ ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে আমি ফর্ম সংগ্রহ করেছি।

    1. If you completely gonna have a new name, I would suggest to avoid any arabic or middle eastern name, in case you are planning to work in western countries. I think I already discussed about that in the article.

      1. Generally one of them has to be present in the meeting with the name correction committee. So far I know. The board will inform you about this.

      2. It doesn’t actually matter, whether your certificate is already published or not. You have to change the provisional certificate now instead of the main. Thats the difference.

  46. Thank you so much for such an amazing article. I have a little issue with my father’s name only! In SSC and HSC my father name is “Muhammad Ayubul Islam” and in my passport my father name is “MD. Ayubul Islam” other than that everything is perfect like my name, mother’s name, date of birth everything! I decided to do affidavit by indicating that “Muhammad Ayubul Islam” and “MD. Ayubul Islam” is the same person. Will it be okay or you suggest anything else?

    Thank you!

  47. ধন্যবাদ ভাই। এই আর্টিকেলটি দ্বারা অনেক উপকৃত হলাম। আর আমি আপনার পরামর্শটি মাথায় রাখলাম।

  48. ভাই আপনার post er rhanks
    আমার নাম MD. TANJIR ISLAM but
    SSc certificate এ ভুলবশত MD. TENGIA ISLAM
    হয়েছে। তখন আমি নাম change করার বিষয় জানতাম না তাই change করা হয়নি এখন আমার HSC,BBA,MBA & passports এ ভল নামই আছে আমি আমর নাম সংশোধন করতে চাই আমকে কি করতে হবে এবং জটিলতা কেমন দয়া করে জানাবেন।

    1. If you read it thoroughly, I think you also understood the whole matter. In that case, I would suggest you to accept the original family name of yours, instead of the present surname. The present surname will be problem in various situations, if you fly abroad. And of course, keeping “MD.” in a name not logical.

      So my suggestion would be: “TANJIR TALUKDER”, assuming that your family name is TALUKDER. Please replace it with your original family name.

  49. নাম চেঞ্জ করতে যদি কোন বাধা আসে তাহলে কি আইনি ব্যবস্থা নেয়া যায়? কোন লিগ্যাল একশন যদি বলতেন। ধন্যবাদ

    1. So far I know, if you are an adult and in sound mind, affidavit is your own right. So if somebody oppose it without proper reason, you supposed to have the right of taking legal action.

      But I have made no experiences in this issue. Please ask any legal advisor about this.

  50. Thank you sum much for your suggesting me. what should i do ?and what is the procedure of solving my problem?? you already know that.
    please vaiya give me your valuable suggestion.
    Now i am ready to change my name Faisal Madbor.

  51. ভাইয়া, আমি আমার নাম মোঃ ফরহাদ বিন দুলাল প্রধানীয়া থেকে ফরহাদ প্রধানীয়া করতে চাচ্ছি। সেজন্য কুমিল্লা বোর্ডে আবেদনও করেছি। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সাথে দিয়েছি। কিন্তু তারা না করে দিয়েছে। তারা বলছে যে এটা পরিবর্তন করা সম্ভব না। এখন কি করবো? কিছু সাজেস্ট করতে পারবেন?

  52. আমার পুরা নাম মোঃ তোফাজ্জল হোসেন সরকার।
    বাবার নাম মোঃ আব্দুর রহিম সরকার।
    আমার ছোট ভাইদের নামের ও বাবার নামের আগে মোঃ ও সরকার নাই।
    আমি এখন আমার নাম থেকে মোঃ ও সরকার বাদ দিতে চাচ্ছি। সেই সাথে বাবার টা থেকেও মোঃ ও সরকার বাদ দিতে চাচ্ছি।
    কিন্তু আবার বাবার নিজের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের মোঃ আছে কিন্তু সরকার নাই।

    আমার সার্টিফিকেটে বাবার নাম সংশোধনের জন্য কি আলাদা কাগজ লাগবে?
    আমারটার জন্য কি বিশেষ কোন কারণ দেখাতে হবে?

    ধন্যবাদ।

    1. আমি এখনো পাসপোর্ট করিনি।
      এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয় পত্রে নাম পরিবর্তন করতে চাই।

    2. আরেকটা প্রশ্ন
      আমার এসএসসি ও এইচএসসি আলাদা আলাদা বোর্ডে। এমন যদি হয় এক বোর্ড একসেপ্ট করল আরেক বোর্ড রিজেক্ট করল?

    3. I would rename this way as per international system:

      Your name: Tofazzol Shorkar
      Father’s name: Rohim Shorkar

      Both of your’s and your father’s name should habe written togther as per Arabic:
      1. Tofazzolhossain
      2. Abdurrohim

      Otherwise this kind of naming isn’t senseful! I already wrote about it. But Neither you need ‘Hossain’ nor your dad need ‘Abdur’. So I suggeted the names at the beginning.

      To correct both names together is kinda very difficult or impossible. So I think you should correct only your name to “Tofazzol Shorkar”. “SHORKAR” is the family name, “Hossain” actually isn’t.

      Although “Tofaz-Ul” sounds also ridiculous probably for the arabic speakers, as it’s incomplete. Ask a guy with good arabic background about that.

      Please read the whole column throughly, especially chapter 1, 4,5,and 6 and try to understand it. You might find answers of lot of questions there. Also about arabic naming, read my direct comment on 28th Novermber 2017.

  53. রেজিস্ট্রেশন কার্ডে আমার মায়ের নাম ভুল এসেছিল তারপর থেকে ঔ নামটাই ব্যবহার করছি এক্ষেত্রে আমার কি কোন সমস্যা হবে?

  54. সংবাদপত্রে নাম সংশোধনের জন্য বিজ্ঞাপনের ফরমেট টা জানাবেন দয়াকরে!

  55. আমার মা এর নাম মোছাঃ বুলবুলি বিবি, কিন্তু আমার মায়ের ভোটার আইডি কার্ডে আসছে মিসেস বুলি, এখন আমি আমার মাইয়ের ভোটার আইডি কার্ডের নাম পরিবর্তন করতে চাই। আমি কি তা করতে পারব।

  56. assalamualaikum….ami nam songsodhon sonkranto apnar ekti article pore sms korchi……amar man certificate e MD. ZOHIRUL ISLAM deya ache…….amar etar ki kono poribortoner dorkar ache….note: amar matar nam vul thakay ta correct korar age amar namer banan ta niyeo vabchi.

  57. আমার JSC & SSC এর সার্টিফিকেটে আমার পিতার নাম ঃ SM Amirul Islam
    কিন্তু আমার পিতার ভোটার আইডি তে তার নামঃ শেখ আমিরুল ইসলাম (Sheik amirul islam )

    সুনছি এটা নাকি সরকারী চাকরির জন্য অনেক সমস্যার তৈরি করে,

    এখন আমি আমার পিতার নাম সার্টিফিকেট থেকে সংশোধন করবো ?

    নাকি পিতার ভোটার আইডি এর নাম পরিবর্তন করবো?
    যদি পিতার ভোটার আইডী পরিবর্তন করি সেক্ষেত্রে কি কি সমস্যা তৈরি হতে পারে? যেমন পিতার নামের যে জমি জমা আছে সেগুলা তে সমস্যা হবে কি ?>প্লিজ জানাবেন ভাইয়া

  58. আপনার আর্টিকেলটি এপ্রিশিয়েট করছি। পরামর্শগুলোর জন্য।
    আপনাদের দেয়া কয়েকটি ভুল তথ্যে পাঠক মিসগাইডেড হতে পারে বিধায় জানাচ্ছিঃ

    ১) ইসলামের আগমন ১৫০০ বছর আগে নয়। এটি সৃষ্টির শুরু থেকে একই স্রষ্টার দেয়া মেসেজ (বিশ্বাস করা না করা জ্ঞানের স্তরের ব্যাপার)। সকল নবীরই জীবন-ব্যবস্থা ছিল ইসলাম। এবং ইহুদী, খ্রিষ্টান ধর্মের নামগুলো পর্যায়ক্রমিক দূষনের কারণে এসেছে। মুসলিম, খ্রীষ্টান ও ইহুদীরা মূলত একই প্রভূর উপাসক। আদম (আ) থেকে নবীদের ক্রম ও ইসা (আ) ও মূসা (আ) কর্তৃক মুহাম্মদ (স) এর ভবিষ্যৎ আগমনবানী ও তাঁর সাথে একাত্মতা সহ নানা বিষয়ে ক্লিয়ার রেফারেন্সের সংখ্যা অগণিত।

    ২) লক্ষী, বরুন ইত্যাদি দেবতা জাতীয় নামগুলো ছাড়া বাংলা নামগুলোতে সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে নেই। তবে বেশী কেয়ারফুল থাকার মত জ্ঞান বাংলাদেশী নাম-মাত্র মুসলমানদের থাকার উপায় নেই ভাষায় দক্ষতার অভাবে।
    ৩) আরবের পৌত্তলিকরা পৃথক ধর্ম নয়, বরং আব্দুল্লাহ এর “আল্লাহ” এর সাথে মূর্তিগুলোকে শরীক করত। এবং ইসমা-ইল, ইসরা-ইল, মিকা-ইল ইত্যাদি তে “ইল” শব্দটি মূলত হিব্রু ভাষায় “আল্লাহ” যা টেস্টামেন্টগুলোতে ব্যবহার হয়েছে। এবং সেগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসা ইসলামের বানী যা পরবর্তীতে বিকৃত হয়েছে।
    ৪) আপনি যেখানে আরবী নাম রাখায় নিরুৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন চাকুরি এবং পারিপার্শিকতার ভয়ে – সেখানে গ্যাব্রিয়েল (জিব্রাইল), মিখায়েল (মিকাইল), ডেভিড (দাউদ), সলোমন (সুলায়মান) দের ভিড়ে আমি যখন “ইসলাম” নাম নিয়ে কাজ করি আপনার মত ভয় না পেয়ে বরং আমি প্রতি ঘন্টায় অনুভব করি আমার ইতিবাচক কর্মকান্ডের মেসেজ দেয়া সহজ হয়েছে এই নামটির কারণে- এবং আল্লাহর রহমতে ৬ বছর গভির ভালবাসার মধ্যে কাটিয়েছি। আর তাদের মাঝে এমন টা দেখি নি যে, এই উল্লেখিত নাম গুলো ব্যবহারের কারণে তাদের মাঝে আত্মপরিচয় নষ্ট হচ্ছে -এমন ধারণার লেশ পাই নি। সারা গ্রিসে ৯০ ভাগ মানুষের নাম তাদের ধর্মকেন্দ্রিক।
    ৫) আরবী নাম নয়, বরং নবীদের নামের মত নাম রাখার জন্য মুসলিমদের কে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। মুসলিম নাম লুকিয়ে রেখে পরিচিতির ইনডেক্স থেকে নিজেদের বিলুপ্ত করে ফেললে তাতে আপনার ব্যক্তিগত ফিলিং হয়ত ভাল লাগবে – কিন্তু সেটার সাথে রিজক এর সম্পর্ক নেই- যা লেখা ও পরিবর্তন হয় উপর থেকে।

  59. Ssc ও Hsc সার্টিফিকেটে আমার নাম Sahadur Rahman. আমি Sahadur Rahman Sajal করতে চাই।

    বাবার নাম এর আগে MD ও পরে Bhuiyan যোগ করতে তাই।
    মায়ের নামের বানানও ভুল আছে। Sahanaj Vhoya ঠিক করে Shahnaz Bhuiyan করতে চাই।

    কারন আমার বোন ও ভাইয়ের সব কিছুতে এভাবে করা।

    (কাগজপএ বলতে আমার SSC ও HSC এর সার্টিফিকেট আর মার্কসীট আছে। শুধু SSC এর রিজিষ্টেশন এ এডমিট কার্ডের ফোটকপি আছে। )
    ( বাবা-মার বিয়ের কাবিন নামা, ছোট ভাইয়ের জন্মনিবন্ধন, বোনের পাসপোর্টের ফোটকপি,বোনের NID এর ফোটকপি আছে। এসব দিয়ে কি সম্ভব করা???? )

    যত সম্ভব ঝামেলা এড়িয়ে যেতে চাই। টাকা খরচ করতে সমস্যা নেই।
    আমি সব থেকে সহজ পথে তাড়াতাড়ি করতে চাই।

    1. I think you misunderstood the whole “name correction” thing.

      Adding your nickname at the end, makes your name more invalid in international environment.

      Please read the whole column again.

      You might change it too, “Shojol Shahadur Rahman”, if you would like to. But still you dont have a family name there.

      And I just dont understand, why do you wanna add MD before your father’s name. I think I already discussed a lot about this ridiculous name.

  60. ভাইয়া আমি বাহরাইন প্রাবাসী,
    আমার নাম পরিবর্তন করা দরকার!
    বাংলাদেশে নাম পরিবর্তন, পাসপোর্ট সংশোধন, ভোটার আইডি কাড সংশোধন করলে টাইম ও খবর কি রকম লাগে একটু ধারণা পাওয়া গেলে উপকৃত হইতা।

  61. আমার মায়ের নামে ভুল হইছে।আমার আইডি কার্ডে দেয়া বেগম কিন্তু সার্টিফিকেট এ শেখ দেয়া।এখন কি করবো,আমার জে এস সি থেকে শুরু এখন অনার্স ৩য় বর্ষে কয়টা পরিবর্তন করতে হবে help plz

  62. আমার হাজবেন্ড ইতালী প্রবাসী। ইতালিতে তার কার্ডে পদবী আগে এসেছে। এখন কি বাংলাদেশে তার জন্ম নিবন্ধনে তার নামের আগে পদবী দিয়ে নাম সংশোধন করা যাবে যাবে?

  63. আমার এখন নাম দেওয়া MD Hridoy.
    এই নাম পরিবর্তন করে আমি মুহাম্মদ হাওলাদার দিতে চাই, আমি কি দিতে পারবো?

  64. আমার নাম MD. HRIDOY দেওয়া আছে।
    MD. HRIDOY থেকে মোহাম্মদ/মুহাম্মাদ হাওলাদার দিতে পারবো? board কি কোনো ঝামেলা করবে?

  65. আমার বর্তমান অনলাইন জন্ম সনদে ভুল আছে ।নতুন একটি জন্ম সনদ করা যাবে?

  66. আমি একবার নাম সংশোধন করেছি। কিন্তু এখন পাসপোর্ট এ সংশোধন করতে পারছি নাহ। তাই দেশের বাহিরে যেতে পারছি নাহ। আমার এখন পূর্বের নামটিই লাগবে। দ্বিতীয়বার সংশোধনে আইন কি বলে? বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করেছি। ঘুষ চাচ্ছে অনেক।

  67. হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়ার কারনে নাম ও ধর্ম পরিবর্তনের জন্যিএফিডেভিট করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে এফিডেভিটের নমুনা প্রয়োজন।

  68. Hello Bhai,

    Ami name shoshdhon koriyechi- apnar kach theke inspire hoye. Ager nam : MD Rasadujjaman, ekhn Rasaduj Jaman.
    ekta aproshno- amr wife spouse visa er jonno apply korbe Bangladesh e next month e. Bangladesh embassy tey ki amr name change er sob documents dibo?. (amr Blue card).

  69. SSC &HSC certificate গুলো সংশোধন এর জন্য দিলে তা আমার হাতে এসে পোছাতে কত দিন সময় লাগতে পারে?

  70. আমার SSC & HSC এর সার্টিফিকেটে আমার পিতার নাম ঃ Mustafiz
    কিন্তু আমার পিতার ভোটার আইডি তে তার নামঃ আব্দুল গনি (Abdul Gani)

    শুনেছি এটা নাকি সরকারী চাকরির জন্য অনেক সমস্যার তৈরি করে।

    এখন আমি আমার পিতার নাম সার্টিফিকেট থেকে সংশোধন করবো?

    নাকি পিতার ভোটার আইডি এর নাম পরিবর্তন করবো?
    যদি পিতার ভোটার আইডী পরিবর্তন করি সেক্ষেত্রে কি কি সমস্যা তৈরি হতে পারে? যেমন পিতার নামের যে জমি জমা আছে সেগুলা তে সমস্যা হবে কি?
    ভাইয়া একটু জানাবে।
    ধন্যবাদ ভাইয়া।

  71. Amar name MD.SAKIL. birth certificate, passport, NID te…Akhn Ami shakil Mahmud korte chai…
    Ami Akhn sust a first a year a porchi….
    So,ata ki possible birth certificate and NID er name change kora?

  72. Birth certificate, NID, passport and certificates gulote amar name holo MD SAKIL… Ami Akhn sust a first year a porchi….amar SSC and hsc 2tai madrasah board theke dea…Ami Akhn Amar name change Kore Shakil Mahmud/ Mohammed Shakil korte chai…
    So,ata ki possible sob documents er name change kora.,. Joto time e laguk…

  73. Vai amar birth certificate, NID,passport and certificates gulote name holo MD SAKIL,
    Akhn Ami jante chai je amar name change Kore ki Mohammed Shakil/Shakil Mahmud korte paro??
    Sob documents a ki change kora jabe??
    Kindly aktu janaben…Ami Akhn sust a first year a porchi….ata Jana amar jonno khub e dorkar…

  74. Amar certificate e Name : “Md. Ashif” ami seta change kore “MD Asif Arman” korte chai apnader opinion jante chai btw engineer hower por hoyto Official kaj bad e Engr. Asif Arman bola jabe but official kaj gulo te hoyto Md ta theke e jabe ete ki abroad study te or abroad e job e kono problem hobe? Suggestion din vai?

  75. আমার মেয়ের বয়স ৭ বছর। ওর কেবল জন্মসনদ ও পাসপোর্ট আছে। নাম চেঞ্জ করতে চাইলে কি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন?

  76. নাম কারেকশনের সকল ফরমেট গুলোর কপি প্রয়োজন। ফরমেট গুলো দয়া করে আমাকে দিলে উপকৃত হতাম। ফোন:01631410347

  77. Amar NID and SSC certificate e Muhammad Newaz Ahmed dewa ace but amar diploma certificate e Mohammad Newaz Ahmed ei mistake kore felce mane Muhammad theke Mohammad kore felce ekhon eita ami passport create korte kono problem hobe kina.?

  78. আমার SSC ও HSC সনদে শুধু রাকিব তাই সকল শিক্ষক জানতে চায় এটাতো নিক নাম তোমার ফুল নাম নাই কেন? তাই আমি আব্দুল্লাহ আল রাকিব দিতে চাই।আমি এস এস সি পাশ করছি ২০১৬ সালে সেটা অনুসারে আমার জন্ম হওয়ার কথা ছিল ২০০০ সালে কিন্তু আমার জন্ম তারিখ ১৯৯৮ দেওয়া, আমি কি আমার জন্ম তারিখ চেন্জ করতে পারব?

  79. এফিডেভিটের ইংলিশ ভার্সন টার লিঙ্ক দিবেন?
    নাম পরিবর্তন, হবে একটা word প্রবলেম।
    ধন্যবাদ

  80. আমার Educational certificate গুলোতে মায়ের ইংরেজি নামের একটি অক্ষর
    মায়ের NID কার্ডের অনুযায়ী মিল নেই ( Certificate এ O দেওয়া আছে আর NID তে A দেওয়া আছে )

    আমি পাসপোর্টে Certificate এর নাম অনুযায়ী দিয়ে দিবো
    সেক্ষেত্রে ভিসা প্রসেসিং এ আমি কি সমস্যায় পরবো?
    কেউ কেউ বলছে Affidavit করলে নাকি সমস্যা হবে না!
    What should I do?

  81. আসসালামু আলাইকুম, ভাইজান। আমার সমস্যা হলো আমার ‘সিংগেল নেম’। অর্থাৎ নামে শুধুমাত্র একটিই শব্দ আর তাহলো ‘Zubayer’। আর এটি আমার জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি, এনআইডিসহ সকল ডকুমেন্টসে একই। আমি উচ্চাশিক্ষার জন্য বাহিরে যেতে আগ্রহী। তাছাড়া ম্যারেজ পারপোজেও যেতে হতে পারে। প্রশ্ন হলো-আমাকে এই সিংগেল নামের জন্য কি কি বিড়ম্বনার শিকার হতে হবে? আমার কি নাম পরিবর্তন করতে হবে? (বি:দ্র: আমি এখনো পাসপোর্ট বানাইনি এবং অনার্সও শেষ করিনি)

Leave a Reply