অনাদিকাল হতে আজকের পৃথিবী পর্যন্ত পুরুষের পাশাপাশি নারীরা সভ্যতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখে আসছে। তবে চিরকালই নারী পুরুষের সম্পর্ক মহিমান্বিত থাকেনি। কদাচিৎ তা কদর্যরূপ ধারণ করেছে। এখনো নারীরা সমাজে নানারূপে নির্যাতিত। এই নির্যাতন আর নিষ্পেষণের মূল অনুঘটক ধর্ম। এই ধর্মের নাম নিয়ে পৃথিবীতে যত নারীর প্রতি জুলুম করা হয়েছে তার তুলনা নেই। সভ্য জগতে তাই আলাদা করে নারী দিবস পালন করতে হয়। বাংলাদেশেও এখন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দিবসটি পালিত হয়। 

জার্মান প্রবাসে মার্চ মাসের ম্যাগাজিন ডাউনলোড/দেখতে ক্লিক করুন
(প্রায় ১২.৭ মেগাবাইট)

এই নারী দিবসকে সামনে রেখে শুধুমাত্র নারীদের লেখা নিয়েই আমরা ম্যাগাজিনটি সাজাতে চেয়েছি। সবার সাড়া দেখে আমরা মুগ্ধ। বিদেশে আসতে হলে একটা বাঙ্গালি মেয়েকে কতটা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয় অনেকেই তা লিখেছেন। এরপর পড়ালেখা শেষে কর্মজীবনে প্রবেশ। এই পথ কখনো কুসুমাস্তীর্ণ নয়। এবারের সংখ্যায় সবার লেখাতেই প্রায় তাঁদের নিজস্ব সংগ্রামের কাহিনি লেখা হলেও, এ যেন প্রতিটি নারীরই সংগ্রামগাথা। লেখার পাশাপাশি ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ সম্মাননায় ভূষিত বারবারা দাশগুপ্তের একটি সাক্ষাৎকার রয়েছে। 

পৃথিবীর সকল সংগ্রামী নারীর প্রতি উৎসর্গীকৃত এই ম্যাগাজিনটি আপনাদের ভাল লাগবে এই আমাদের প্রত্যাশা।    

ধন্যবাদান্তে
টিম জার্মান প্রবাসে

শনিবার
০৯ মার্চ ২০১৯
২৫ ফাল্গুন ১৪২৫

অনিচ্ছাকৃত বানানভুল ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আবেদন রইল।

চাইলে আপনিও লেখা/ছবি পাঠাতে পারেন!

পরবর্তী সংখ্যার ম্যাগাজিনের থিম: “বৈশাখী আনন্দ”

বাঙ্গালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বাঙ্গালির সব ছাড়া চলে, কিন্তু যেকোন ছুঁতোয় উৎসব না করে থাকার মত বোকা বাঙ্গালি নয়। আমাদের সব উৎসব সব আনন্দ ধর্মকেন্দ্রিক। গোত্রভুক্ত এসব পালা পার্বণে সব ধর্মের সব মানুষ একত্রে অংশ নিতে পারে না বা নেওয়ার সুযোগ কম। অন্যদিকে সার্বজনীনতা বিবেচনায় বৈশাখ হল বাঙ্গালি একমাত্র উৎসব যেখানে সব ধর্মের সব গোত্রের মানুষ একসাথে আনন্দে মেতে উঠে। 

আমরা বিদেশে থাকলেও এই আনন্দ উপভোগের কমতি নেই আমাদেরও। বিদেশে যারা আছি, যে শহরেই আছি, গুটিকয় বাঙ্গালি মিলে সেখানেই আমরা বৈশাখ পালন করে থাকি। জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে পালিত এই বৈশাখ আয়োজনের কথা আমাদের লিখে জানান, সাথে পাঠান রঙ্গিন সব ছবি। এছাড়াও সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট যেকোন মতামত, বিদেশ এসে কালচারাল শক ইত্যাদি নিয়ে লিখতে পারেন আসছে এপ্রিল সংখ্যার ম্যাগাজিনে। 

ডেডলাইনঃ ১০ এপ্রিল ২০১৯

লেখা পাঠানঃ [email protected]

অথবা পেজের ইনবক্সে পাঠানঃ www.facebook.com/pages/জার্মান-প্রবাসে/212610425614429

ছবির পাঠানোর জন্য বিস্তারিতঃ http://goo.gl/90IVlk

লেখার সাথে নাম ঠিকানা পেশা আর একটি ছবি অবশ্যই পাঠাবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ শুধু জার্মানি বা বাংলাদেশ থেকেই নয়, যেকোন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ম্যাগাজিনে! তাই আমাদের ম্যাগাজিনে লিখতে হলে আপনাকে বাংলাদেশ বা জার্মানিতেই থাকতে হবে অথবা আমাদের ধরিয়ে দেওয়া টপিকেই লিখবে হবে এমন কোন কথা নেই! যে কেউ যেকোন দেশ থেকে যেকোন টপিকে লেখা পাঠাতে পারেন। 

mm

By Jahid Kabir Himon

এডিটর (Editor): জার্মান প্রবাসে মাস্টার্স in Internet Technologies And Information Systems Leibniz University Hannover বর্তমানে বার্লিনের একটি কোম্পানিতে রোবটিক্স প্রোসেস অটোমেশনে (RPA) কাজ করছি

8 thoughts on “জার্মান প্রবাসে ম্যাগাজিন – মার্চ ২০১৯ – “কীর্তিমতী সাহসিকা””
  1. জার্মান প্রবাসের কাছে আমার প্রশ্ন আপনারা কি জেনে বুঝে এই সংখ্যাতে সুলতানা রাহমান এর লেখা ছেপেছেন ? উনারা বিদেশের মাটিতে আমাদের ভাষা শহীদদের অপমান করেছেন প্রথমত জুতা পরে ফুল দিয়ে। দ্বিতীয়ত, কোটি কোটি বাংলা গান থাকতে উনারা হিন্দি গানে কেন নাচ করতে দিয়েছেন ? তাছাড়া অনুষ্ঠানটি উনারা কি ভাষাতে পরিচালনা করেছেন ? আমার কাছে উনাদের জুতা পরে ফুল দেওয়ার ছবি আছে। এই সংখ্যাতে সুলতানা রাহমান এর লেখা ছেপে আপনারা জার্মান প্রবাসে কেই বিতর্কিত করেছেন। আমি ড্রেসডেন এ গত এক বছর এবং জার্মানিতে গত ৪ বছর ছিলাম। বর্তমানে আমি বাংলাদেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক। আমি জার্মানি থাকাকালিন উনাদের মত আমাদের মাতৃভাষা এবং আমাদের ভাষা শহীদদের এভাবে অপমান করতে দেখিনি জার্মানির কোথাও। জার্মান প্রবাসে কে বলব আপনারা সত্য কে তুলে ধরুন, আপনাদের দায়িত্ব বিদেশের মাটিতে আমাদের দেশকে অপমানের হাত থেকে রক্ষা করা। আর যারা অপমান করবে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া।

    1. Thank you for notifying us! Would be so nice and send us detalis into the following email: [email protected]
      We will investigate and discuss. This is the official way for putting an agenda into our next GroupMeeting!
      Thanks!

  2. Thanks for your concerns. What do you want me to write you in emails? I want to talk to you directly on this open platform. I think you can find all the documents from online source, I also learn it from online. Please let me know the result of your discussion. We people in Bangladesh who saw this documents are very ashamed because of the 21st celebration in Dresden. And also for the reason that the German Probase magazine printed the sensitive question that the writer Sultana Rahman asked to the nation, which is a defaming our national pride. Many people has already marked this question on your German Probashe magazine and posted.

    1. This is the official process of GermanProbashe. If you do not write an email with necessary information&proof, we wont be able to take care of this topic properly in our monthly executive meeting. GermanProbashe is a platform and a media where anyone can express their concern as you are doing here right now. If you do not respect our org. regulation, I am afraid that it will not work as the way you are expecting it to be.

      On the other way, if you do not wish to write an email then please write a Blog Post against the article with proper proof. We will publish it here too.

      But we will ask everyone to be civilized and respectful while putting thoughts into words. Thanks!

  3. Contact information of article author :
    As far as I know, if a magazine/newspaper publishes a writing (comment, discussion or analysis). Either contact information (email mostly) is given in the writing or the editorial panel keeps the information ( can be provided upon request from a reader). Does this magazine follow this rule?

    If you think that I am thinking wrong, then its fine. But if you think that the point I made is a valid one, then please have a look on the version published in 8th march 2019. I wanted to contact a writer (Sultana Rahman) for some question raised after reading her writing. As there is no email/contact information provided in the writing, I wanted to have it from a member of editorial panel (don’t want to take any name). I was told that, I can not have the contact information as because the author didn’t give the permission to provide this to a reader. If a reader can not have opportunity/access to clear confusions after reading an article, then why a reader should read this and why it should be published.

    I humbly ask to the editorial panel to make a rule (or follow) that, every writer should provide at least contact email in his/her writing (when published) or it will be provided to a valid reader when requested by a reader.

    1. Thank you for your comment. Due to phishing email and privacy issues, we are not able to post those emails in public.
      But you can always write to [email protected] or write a blog post putting you thoughts regarding any of the published article.

      We will very much appreciate that. Thank you again for taking your time to read out our effort! Cheers!

Leave a Reply