উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ যাওয়ার জন্যে মুখিয়ে থাকে বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীরাই। “বাংলাদেশ – অপার সম্ভাবনার দেশ” – ডঃ ইউনূসের এই কথার সাথে আমরা অনেক স্বপ্নবিলাসীই একমত পোষণ করে থাকি। স্বপ্ন থেকেই বিএসএসএজি গ্রুপের এডমিনরা নিরলস প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মকে “প্রপার গাইডেন্স” দিতে। চাকরি বা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্টাডি করা এই এডমিনরা তাদের পড়ালেখা, স্টুডেন্টজব সবকিছু ঠিক রেখে অল্পস্বল্প যেটুকু সময় বের করতে পারে সেই সময়টুকু হ্যং-আউট, নাটক-সিনেমা দেখা বা অন্য কোনো বিনোদন্মূলক কাজে ব্যয় না করে দিনের পর দিন অব্যহত পরিশ্রম করে এই গ্রুপের পিছনে – কোনো লাভের আশায় নয়, কি যেনো এক নেশায়। হয়তো আর্থিকভাবে বা প্রত্যক্ষভাবে কাউকে সাহায্য করার মত সামর্থ্য নেই, যদি একটুখানি সময় ব্যয় করে কাউকে গাইডেন্স দিয়ে একটু উপকার করা যায় – শুধু এই আশায় তাঁরা লেগে থাকে।

কিন্তু আফসোস… যাদের পিছনে এই শ্রম, যাদেরকে নিয়ে এত স্বপ্ন দেখা… তারা কি যেনো এক অদম্য ব্যস্ততার কারণে এতটুকু সময় ব্যয় করতে পারেনা… একটু ধৈর্য্য ধরে স্বপ্নবিলাসীদের ডকুমেন্ট – যার একেকটা পড়তে বড়জোর ১০ মিনিট লাগে (লিখতে যদিও ২ঘন্টার মত লাগে), সেই ধৈর্য্যও নেই। কি আশ্চর্য্য এ ব্যস্ততা – নিজের সারাটা জীবনের জন্যে একটু সামান্য কষ্ট করে খোঁজখবর নেয়ারও ফুরসত নেই। আমার দেখা কিছু সিনিয়র ভাইদের তাঁদের নিজেদের উচ্চশিক্ষায় প্রবাসে আসার জন্যে যে কষ্ট করতে হয়েছে তা শুনলে একসময় খুব অবাক হতাম আর নিজের মধ্যে একটা তেজ অনুভব করতাম – তাঁরা পাবলিক লাইব্রেরীতে গিয়ে ম্যাগাজিন ঘাঁটতেন, আরেকটু পরের দিকে যাঁরা তাঁরা শম্বুক গতির ইন্টারনেট- তাও আবার অন্যের বাসা বা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে খোঁজখবর নিতেন। আর এখনকার ডিজুস-ফেসবুক-হাইস্মার্ট জেনারেশনের সময়ই নেই !!! সবাই খুবই স্মার্ট – শর্টকাট থাকতে পূর্বসূরীদের মত মিছেমিছি কেন এত কষ্ট, সময় ব্যয় করা??!! তারা ছুটে শর্টকাটের পিছে, ছুটে এজেন্সী নামক এঞ্জেলের পিছে। ঘুমিয়ে থাকা এই “অপার সম্ভাবনা”রা ঘুমিয়েই থাকে… বেঘোর এই ঘুম, ঘুম ভাঙ্গলেই যেনো এঞ্জেল তাদের জন্যে “ভিসা” নামক সোনার হরিণ নিয়ে আসবে। ১৪-১৬ বছর শিক্ষাজীবন পার করে আসা প্রজন্ম একবারো মাথায় এই চিন্তা আনেনা – “আমি কি পড়বো, কোথায় পড়বো – এই ব্যবস্থা এজেন্সীর অর্ধশিক্ষিত লোকেরা কে ডিসাইড করে দেয়ার?! তাদের যদি এতই জানাশোনা থাকত তাহলে তারা নিজেরা শিক্ষা নিয়ে কেন ব্যবসা করতে হয় ??!! এদের যোগ্যতাটাই বা কি? তারা কি আমার চেয়ে বেশি যোগ্য? যদি তা না হয় তাহলে তারা কিভাবে আমাকে সাহায্য করবে!!?”

তো এমনই কিছু এজেন্সী দ্বারা প্রতারিত কিছু কেস স্টাডি –

১। Nazibul Hasan (IIUC (International Islamic University Chittagong))

vhai ami ek dora kawa public, ami bule February (2012) te visa consultency firm er maddome language course n then university te apply koresilam but tara ekhono (July 2012) amke admission letter enedite pare nai n tara boltese 2 weeks er modde chole ashbe but ekhon shonlam aro 4 to 5 monther motho lagbe visa pawa porjontoh so ekhon ki apply kora ucit hobe naki ekhoni file close kore diboo. jodioow still amr 80000 motho loss jasse. ami visa ______ er maddome apply korchi r oi firm ti dhanmondi te obostitoh. jokon udr maddome apply korchi tokon tara bolcilo 3 monther bitor visa hobe n then taker kotha belive kore 5,16,000 tk ami language course r other expense er jonno tader pay kori ekhon kotha hosse ora still amke admission letter ene dithe pare nai….so shobaike request kew jeno consultency firm ee na jai……516000 tkr modde 450000 tk cilo tuition fee er tk tara bolche tuition feer tk teke 125 euro oo kete rakbe that means jodi ami eddore apply oo na kori amr 80000 tk loss so bro wht should i do right now???????

– নরমালি, ৩-৪ মাস লাগে নিজে নিজে এপ্লাই করে অফার লেটার পেতে, টাকা লাগে বড়জোর ৩০০০। সবচেয়ে বড় ব্যাপার – আমি কোথায় এপ্লাই করতেছি, কোন সাবজেক্টে, মোটামুটি কখন অফার লেটার আসতে পারে – এসবই নিজের হাতের তালুর মতই স্পষ্টভাবে জানা।

বাংলাদেশে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করা বহুল্প্রচারিত এসব এজেন্সী থেকে দয়া করে সাবধান।