দেশের নাগরিকদের সচেতন করে তুলতে জার্মান প্রবাসে বদ্ধ পরিকর। অতীতে, উচ্চশিক্ষা নিয়ে ভণ্ডামি বাণিজ্যে লিপ্ত এজেন্সি/দালালদের বিরুদ্ধে আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। এর পাশাপাশি আমরা ভ্যাট ফাঁকি দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বিরুদ্ধেও আমাদের অবস্থান ঘোষণা করছি। একমাত্র জনগণের সচেতনতাই পারে এসকল সমস্যা সমাধান করে আমদের এগিয়ে নিতে। ধন্যবাদ।


নিজের ছবি নিজে তুললে বলি সেলফি। আর রেঁস্তোরায় খাবার খেয়ে বিলের ছবি তুললে তাকে বলছি “বিলফি“। মন্দ নয়। বিলফি দিয়ে ভরে যাচ্ছে আমাদের পেজ। বিলফি তুলে ইনবক্স করেও কেউ কেউ সন্তুষ্ট নন। আবার ইনবক্স করে জানতে চাচ্ছেন, কি হলো? কি করলেন? কিছু বলছেন না কেন? ফলোআপ কোথায়?

আপনাদের তাড়া খেয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তাড়া দেই। এভাবেই চলছে আমাদের এইসব দিনরাত্রি।

ভ্যাট আদায়ের জন্য সবচেয়ে কঠিন খাত হচ্ছে ইটভাটা। রাস্তায় নেমে ট্রাকভর্তি ইট আটক না করলে একশ্রেণীর ভাটা মালিক আছেন ভ্যাট দিতেই চান না। এরপর সর্বাপেক্ষা দূরুহ খাত হচ্ছে রেঁস্তোরা। খাদক খেয়ে দেয়ে হাত মুছে চলে যায়। আর তার সাথে জেলি ফিসের মেমোরির মত ইসিআর মেশিনের স্বল্পস্থায়ী মেমোরিও মুছে যায়। নীতি নৈতিকতার লেশমাত্র নেই। মুরগী জীবিত না মৃত তাতে কি আসে যায়! লাভ করাটাই মূল লক্ষ্য।

ভোক্তার ভ্যাটের টাকা নিজের টাকা মনে করে পকেটে ভরা, চলন্ত বাসে উদাসীন যাত্রীর পকেট কেটে টাকা আয়ের চেয়ে কম ঘৃণ্য নয়।

ভোক্তার ভ্যাট আত্মসাৎ করে দ্রুত উপার্জনের আশায় নানারকম অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন হোটেল রেঁস্তোরার মালিকরা। এরা যত অপকৌশলের আশ্রয়ই নিক না কেন, একসময় ধরা পড়বেই। ভোক্তা হিসেবে কেবল আপনারা ইসিআর জেনারেটেড ভ্যাট চালান নিবেন আর খেয়াল করে দেখবেন:

? প্রতিষ্ঠানের মূসক নিবন্ধন নম্বর, নাম, ঠিকানা
? চালান ইস্যুর তারিখ, সময়
? চালানের সিরিয়াল নম্বর
? সার্ভিস চার্জসহ যোগফলের উপর ১৫% ভ্যাটের পরিমান
? ভ্যাটসহ মূল্য হলে “ভ্যাট ইনক্লুসিভ”লেখা আছে কিনা।

হোটেল, রেঁস্তোরা, সুপারশপসহ কেবল ১১টি ব্যবসায় ইসিআর জেনারেটেড ভ্যাট চালান ইস্যু করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে নীল চালান এখনো বৈধ। ইসিআর চালানে উপরের তথ্যগুলো না থাকলে,

? ভ্যাট নিবন্ধনপত্র দেখতে চান,
? ভ্যাট কমিশনারেট থেকে প্রদত্ত ইসিআর মেশিন ব্যবহারের অনুমতিপত্র দেখতে চান,
? ইসিআর মেশিনে পূর্ববতী দিনগুলির বিক্রয়ের হিসেব আছে কিনা দেখতে চান।

এরপরও কোন সন্দেহ বা অভিযোগ থাকলে আমাদের পেজে অথবা www.facebook.com/vatintelligencebd বরাবর অভিযোগ করুন।


প্রশ্নঃ আমরা যে সব ড্রিংক্স কিংবা পানির বোতল ক্রয় করি,সেগুলো তো ভ্যাট সহই সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারন করা হয়।তবে কেন বিলের সময় ওই মূল্যের উপর আবার ভ্যাট ধার্য করা হয়?

উত্তরঃ ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফার লোভের কারণেই এমনটি ঘটে।  এখানে অভিযোগ করুন।

সঠিক উপায়ে অভিযোগ করে এবার আপনিও কামাবেন হাজার হাজার টাকা!
আইন অনুযায়ী, কোনো উৎপাদনকারি/সরবরাহকারী/বিক্রেতা নির্ধারিত মূল্যের চেযে অধিক মূল্যে কোনো পণ্য বা ঔষধ বিক্রি, ওজনে কারচুপি, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, পণ্যের মোড়কে খুচরা মূল্য ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না করলে এবং আইনের বাধ্যবাধকতা অমান্য করে দোকান বা প্রতিষ্ঠানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করলে যে কোনো ক্রেতা ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’-এর বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। মজার ব্যাপার হলো, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এবং অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হলে, অভিযোগকারীকে আইনানুযায়ী জরিমানাকৃত অর্থের ২৫% প্রদান করা হবে। (তথ্যসুত্র)
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১ কারওয়ান বাজার(টিসিবি ভবন-৮ম তলা), ঢাকা-১২১৫ ফোন / ফ্যাক্স: ৮৮-০২-৮১৮৯৪২৫, ৮৮-০২-৮১৮৯০৪৫ অভিযোগ কেন্দ্রঃ ০১৭৭৭৭৫৩৬৬৮ ই-মেইল: [email protected] (সাথে ক্যাশ মেমো এর ছবি / স্ক্রিনশট দিলে ভালো হয় ), ওয়েবসাইট: www.dncrp.gov.bdwww.dncrp.gov.bd *** অভিযোগ অবশ্যই “ক্যাশ মেমো ” তে উল্লেখিত তারিখের ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে । ***অভিযোগ এর সময় অবশ্যই ক্যাশ মেমো থাকতে হবে। (সূত্রঃ ধন্যবাদান্তে, লিংক)

কোন সেলসম্যান মূসক চালান প্রদানে কোনরূপ অসহযোগিতা কিংবা দূর্ব্যবহার করলে সংশ্লিস্ট মূসক কমিশনারেটে ইমেইলে (বন্ধনীতে প্রদর্শিত) অথবা ফেসবুক পেজে অভিযোগ করবেন।

ঢাকা পশ্চিমের মূসক নিবন্ধন নম্বর ১৭ ([email protected]),

ঢাকা উত্তর ১৮([email protected], [email protected])

ঢাকা দক্ষিণ ১৯ ([email protected]),

ঢাকা পূর্ব ২১ ([email protected]),

রংপুর ১১ ([email protected]),

রাজশাহী ১২ ([email protected]),

যশোর ১৪([email protected]),

খুলনা ১৫ ([email protected]),

সিলেট ২২ ([email protected]),

কুমিল্লা ২৩ ([email protected]) এবং

চট্টগ্রাম ২৪([email protected]) দিয়ে শুরু হয়েছে।

মূসক নিবন্ধন নম্বরের প্রথম দুই ডিজিট দেখে বুঝে নিন প্রতিষ্ঠানটি কোন কমিশনারেটের অন্তভূর্ক্ত।


আমরা গোলকধাধার মত একটা চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছি। বারংবার একই প্রশ্ন, একই ধাঁধা।

১. ইসিআর জেনারেটেড চালান দেয়ার পরও মনে সংশয় নীল চালান কেন দিল না?
২. ১০ ডিজিটের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা সরকারকে ভ্যাট দেয় কিনা?
৩. ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন না নিয়ে ভ্যাট গ্রহণ করা যায় কিনা?
৪. প্যাকেট বা মোড়কের গায়ে মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য নেয়া আইনসম্মত কিনা?
৫. ওমুক দপ্তরে ই-মেইল করেছি, তারা সাড়া দিচ্ছে না কেন?
৬. ফেসবুকে আপনারা এত সক্রিয়, অন্যরা নন কেন?


প্রথম চারটি প্রশ্নের উত্তর এই পেজে একাধিকবার বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। তারপরও সংশয় দূর হচ্ছে না। এর কারণ প্রতিদিন আমাদের এই যুথবদ্ধ মিছিলে অসংখ্য নতুন মুখ যোগ দিচ্ছেন। স্বাভাবিক ভাবেই পূর্ববর্তী পোস্টগুলি তাদের কাছে অজানার দূরত্বে রয়ে যায়।

আসুন আবার জেনে নিই।

১. ইসিআর জেনারেটেড চালান দিলে নীল, হলুদ, সাদা কিংবা গোলাপী কোন চালানই চাইবেন না। বিশেষত: মূসক ১১ বা মূসক ১১ক এক্ষেত্রে প্রয়োজন নেই। ইসিআর জেনারেটেড চালানে সঠিক ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও চালানের সিরিয়াল নম্বর আছে কিনা তা VAT Checker অথবা BIN Checker নামীয় মোবাইল এ্যাপ দিয়ে যাচাই করে নিতে পারেন।

এখন VAT Checker অ্যাপের মাধ্যমে ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ করলে অ্যাপটি জানিয়ে দেবে কী অ্যাকশান নেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। নতুন এ ফিডব্যাক টেকনোলজি ঢাকা পশ্চিমের অধীনে পাইলটিং শুরু হয়েছে। তার মানে হলো মিরপুর, মোহাম্মদপুর, সাভার, মানিকগঞ্জ, ধামরাই, টাঙ্গাইল ও জামালপুর কমিশনারেটের অধীনে এ সার্ভিস শুরু হলো। ফলাফল পর্যালোচনা করে সারা দেশে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।


২. ১০ ডিজিটের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখের পূর্বে বৈধ ছিল। আপনাদের অনেকের মনে আছে নিশ্চয় মোবাইল ফোনের নং একসময় ৯ ডিজিট ছিল। তারপর এটা ১০ ডিজিট হয়। সবশেষে ১১ ডিজিট করা হয়। তেমনি ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নং একসময় ৮ ডিজিট ছিল। এরপর এটি ১০ ডিজিট করা হয়। বর্তমানে এটি ১১ ডিজিটবিশিষ্ট। ১০ ডিজিটের রেজিস্ট্রেশন ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীগণ যথারীতি ভ্যাট দিচ্ছেন। তবে আমাদের কাছে হিসেব দেবার বেলায় তারা ১১ ডিজিটই ব্যবহার করেন। যে কারণে ১০ ডিজিটের মহামারী আমাদের জানা শোনার বাইরে ছিল। তবে আপনাদের এসংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ১১ ডিজিটে রূপান্তরের ব্যবস্থা নিচ্ছি। আর পাশাপাশি অনিয়ম মামলা করা হচ্ছে। এসব মামলায় সর্বনিম্ন ১০ হাজার আর সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডের বিধান রয়েছে।


৩. ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন না নিয়ে ব্যবসা শুরু করা দন্ডনীয় অপরাধ। এ ধরণের অভিযোগ পাওয়ামাত্র আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।


৪. মোড়ক বা প্যাকেটে লিখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য আদায় করা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। এই আইনের আওতায় অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য www.dncrp.gov.bd বরাবর অভিযোগ করুন ঘটনা ঘটার ৩০ দিনের মধ্যে।


৫. দেখুন আমরা বারবার একই কথা বলছি। ঢাকা মহানগরে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম নামে ৪টি ভ্যাট কমিশনারেট রয়েছে। আমাদের অধিক্ষেত্রের সঠিক সীমানা জানার জন্য ক্লিক করুনwww.dknvat.gov.bd . একটি দপ্তরের কাজের পদ্ধতির সাথে আরেকটি দপ্তরের পদ্ধতি একইরকম নাও হতে পারে। আমাদের কাছে ই-মেইলে অভিযোগ করা হলে আমরা যথা সম্ভব দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করি। আর অভিযোগটি অন্য দপ্তর সংক্রান্ত হলে সঠিক স্থানে তা প্রেরণের জন্য অনুরোধ করি।


৬. এটা সত্যি আমরা অন্যদের চেয়ে ফেসবুকে একটু বেশি সময় ব্যয় করি। আমরা মনে করি, জনগণের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার জন্য ফেসবুক একটি উৎকৃষ্ট প্লাটফরম। অনেকে কল সেন্টার স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। ২০১৬ সাল থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি কল সেন্টার স্থাপনের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সামনে আরো পরিবর্তন আসছে।


এই পোস্টের সাথে যেসব মামলার বিবরণীর ছবি আছে, তা নমুনা মাত্র। এরকম গড়ে ৮-১০ টি মামলা প্রতিদিন দায়ের করা হচ্ছে।



বিষয়: ইসিআর/নীল চালান: আপনি কী দেখবেন !

ইসিআর চালান/নীল চালান নিয়ে ৩ অক্টোবর আমরা একটা পোস্ট দিয়েছি। এরপরও ইসিআর চালান নিয়ে কেউ কেউ সংশয়ী হয়েছেন। অহেতুক দু:খজনক বাদানুবাদে জড়িয়েছেন।

এ নিয়ে ইনবক্সে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, জানতে চেয়েছেন। ইসিআর চালান কেমন হবে, এতে কি কি তথ্য থাকবে, ইসিআর চালান ‘মূসক ১১ চালান’ বা ভ্যাট চালান হিসেবে গণ্য হবে কিনা, ইসিআর চালুর পর নীল চালান বৈধ কিনা, ইসিআর চালান দিলে আলাদা করে নীল চালান লাগবে কিনা, ইসিআর চালানে ভ্যাট প্রদর্শিত থাকলেও নতুন করে ভ্যাট চালান চাইতে হবে কিনা, আরো অনেক প্রশ্ন।

মূসক আইন ১৯৯১ ও বিধি অনুযায়ী এ বিষয়ে নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে অনুরোধ করছি:

১. মূসক (মূল্য সংযোজন কর) ফরম ১১ক হলো ভ্যাট চালান। সাধারণত, নীল চালান মূসক ১১ক এ ইস্যু হয়।

২. গত ১ জানুয়ারি, ২০০৯ থেকে নির্দিষ্ট ১১টি ব্যবসায় ইসিআর চালান প্রদান বাধ্যতামূলক।

৩. এনবিআরের আদেশ অনুযায়ী যথাযথ তথ্য সমৃদ্ধ ইসিআর চালান মূসক ১১ হিসেবে গণ্য হবে।

৪. ইসিআর চালান দিলে অন্য চালান লাগবে না। ইসিআর চালানে ভ্যাট প্রদর্শিত থাকলেও নতুন করে ভ্যাট চালান চাইতে হবে না। তবে চালানে প্রদর্শিত টাকা সরকারি হিসেবে জমা নিশ্চিত ও মাসিক রিটার্নে প্রদর্শিত হতে হবে।

একটি যথার্থ ইসিআর চালানের প্রিন্ট কপিতে যা উল্লেখ থাকতে হবে:

? প্রতিষ্ঠানের মূসক নিবন্ধন নম্বর, নাম, ঠিকানা
? চালান ইস্যুর তারিখ, সময়
? চালানের সিরিয়াল নম্বর
? সার্ভিস চার্জসহ যোগফলের উপর ১৫% ভ্যাটের পরিমান
? ভ্যাটসহ মূল্য হলে “ভ্যাট ইনক্লুসিভ” উদ্ধৃতি
? “ফিসক্যাল” শব্দের উদ্ধৃতি
? “মূসক ১১ক” লেখা থাকতে হবে।

প্রসংগত, চিটাগাং এক্সপ্রেস বা দি ম্যান্ডারিন এর ইস্যুকৃত ইসিআর চালান ভালো উদাহরণ হতে পারে।

৫. নির্দিষ্ট ১১টি ব্যবসা ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে নীল চালান এখনো বৈধ। ১১টি ব্যবসা হলো: হোটেল, রেস্তোরা, মিষ্টির দোকান, ফার্নিচারের শোরুম, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিং মলের দোকান, সুপারশপ, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, জেনারেল স্টোর, জুয়েলার্স।

এই ১১ ধরণের ব্যবসায় এখন আর নীল চালান ব্যবহার করা যাবেনা। এদের কেউ ইসিআর জেনারেটেড চালান না দিয়ে নীল রংয়ের চালান দিলে বুঝতে হবে তারা ভ্যাট ফাঁকির পায়তারা করছে। ভ্যাট ফাঁকি দেয়া দন্ডনীয় অপরাধ।

আপনার করণীয়:

ইসিআর জেনারেটেড চালানে উপরের তথ্যগুলো না দেখতে পেলে,

? ভ্যাট নিবন্ধনপত্র দেখতে চান,
? ভ্যাট কমিশনারেট থেকে প্রদত্ত ইসিআর মেশিন ব্যবহারের অনুমতিপত্র দেখতে চান,
? ইসিআর মেশিনে পূর্ববতী দিনগুলির বিক্রয়ের হিসেব আছে কিনা দেখতে চান!

একজন ভালো শ্রেণীর ব্যবসায়ী আপনাকে সব তথ্য খুলে দেখাবে। তার পক্ষে কোন ভুল হলে সরল স্বীকারাক্তি করবে। অসাধু হলে আপনার সাথে দূর্ব্যবহার করবে। এই অসাধু দূর্জন ব্যবসায়ীকে সকলে রুখে দাঁড়ান। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসে অভিযোগ করুন।


ভ্যাট নিয়ে হাল-নাগাদ তথ্যের জন্য সব সময় এখানে দেখুনঃ

http://www.nbr.gov.bd/Publications.php?lan=eng


চালান বিষয়ে আরো জানতে হলে ক্লিক করুন:
https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=541121356045652&id=442811629209959


আমরা গোলকধাধার মত একটা চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছি। বারংবার একই প্রশ্ন, একই ধাঁধা। ১. ইসিআর জেনারেটেড চালান দেয়ার পরও মনে সংশয় …

Posted by Customs, Excise & VAT Commissionerate, Dhaka – North on Thursday, November 12, 2015