দেশে ঢোকার পথে বৈদেশিক মুদ্রা ডিক্লারেশনের অসৎ ও সৎ ব্যবহার…

অসৎ ব্যবহারঃ বিদেশ যাবার সময় এন্ডোর্স ছাড়া ডলার চিপায়চুপায় নিয়ে যায় এবং আসতে ভেজাবেড়ালের মত ডিক্লেয়ার করে সাধু সাজে। কালো টাকা সাদা করে। কথা কিন্তু হ্যাছা.. ঘুষখোর চোরাকারবারিরা মাইন্ড কইরেন না। তো মজা লাগে, যখন শুনি যাবার বেলায় লাগেজ কেটে ডলার চোরে নিয়ে গেছে গা! বাবা, বৈধ ডলার হলে সাথে নিবেন, লাগেজে ঢুকান ক্যান??

সৎ ব্যবহারঃ রেমিট্যান্স গণনায় আপনার টাকা যোগ হবে। কষ্টার্জিত অর্থ সাদাই থাকবে.. কালো হবে না। এনআরবি কিংবা আগমনের ৩০ দিনের মধ্যে বিদেশ গমনকারী প্রবাসি প্রয়োজনে অনধিক সেই পরিমাণ অর্থ দেশ ছাড়ার সময় নিয়ে যেতে পারবেন অনায়াসে।

মূল বিষয়ঃ আইন অনুযায়ী বিদেশী মুদ্রা নিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে কোন ধরনের বাধা নিষেধ নেই। যত ইচ্ছা তত নিয়ে ঢুকতে পারবেন। তবে ৫০০০ ইউএস ডলারের সমপরিমাণের অধিক হলে রেড চ্যানেলে কাস্টম কর্তৃপক্ষের কাছে এফএমজে ফরমে ঘোষনা করতে হবে। বিভিন্ন ধরণের মুদ্রা একসাথে একই ফরমে ঘোষনা করার সুব্যবস্থা আছে। ৫০০০ ডলারের নীচে থাকলেও পরবর্তী ঝামেলা এড়াতে ঘোষনা দিতে বাধা নেই।

ঘোষনা ফরমের ৩ কপি থাকে। এক কপি কাস্টমস সংরক্ষণ করে। আরেক কপি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করা হয়। অবশিষ্ট কপি যাত্রি নিয়ে যাবেন।

এনআরবি এবং আগমনের ৩০ দিনের মধ্যে বিদেশ গমনকারী প্রবাসি বর্হিগমণকালে সাথে থাকা মুদ্রার প্রমাণক হিসেবে এটি সাথে রাখবেন।

জাজাকাল্লাহ খাইরান.. অর্থ জানিনা, সবাই বলে তাই আমিও বললাম।

ফর্ম ডাউনলোড করতে পারবেন এখানে!

সকল আপডেটেড তথ্যের জন্য সরকারী ওয়েবসাইট দেখুন।


এছাড়া পড়তে পারেনঃ


বৈদেশিক মুদ্রা ঘোষনা ফরম


প্রশ্নোত্তরঃ

S M Ohidul Alam: আমি মালেশিয়াতে আসার সময় ৩ হাজার ডলার এক অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ (চট্টগ্রামের) ব্রোকার থেকে নিয়েছিলাম। তেনাদের জোরাজোরি করার পরেও আমাকে ৩ হাজার ডলারের এনডোরস করতে দেয় নাই (১ হাজার ডলার পর্যন্ত সীমা নাকি)। এক্ষেত্রে তেনাদের দাবি সরকারি বিধিনিষেধ আছে নাকি। আদৌ কি এমন কোন বিধিনিষেধ আছে? পৃথিবীর অনেক দেশেই এনডোরস করাতে হয় না, আমাদের কেন?

Magistrates, All Airports of Bangladesh হা.. ওনারা প্রতি পাসপোর্টে ১০০০ ডলারের বেশী এনডোর্স করতে পারবেন না। এর বেশি হলে ব্যাংক থেকে করতে হবে।