সম্প্রতি সৌদি আরব দিয়ে দুইবার আসা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়। তারপর যা বুঝলাম …

ফ্যাক্ট ১ঃ বেশিরভাগ সৌদি অন্য মাত্রার হিপোক্রেট। তারা বলে একটা, ব্যবহার করে আরেকটা, বিশ্বাস করে অন্যটা।

ফ্যাক্ট ২ঃ জেদ্দা এয়ারপোর্ট পৃথিবীর অন্যতম সেরা বাজে এয়ারপোর্ট। যাত্রী সেবা কি ওদের ধারনাও নাই। ঢাকা, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরও এর চাইতে অনেক ভালো। (যাদের বিশ্বাস হচ্ছে না, নিচের লিঙ্কটা তাদের জন্য):

“The survey ranked Saudi Arabia’s busiest airport, Jeddah’s King Abdulaziz International as second worst.” 

ফ্যাক্ট ৩ঃ একই বাংলাদেশিরা যখন সৌদি আরব হয়ে ইউরোপ/আমেরিকা আসে সৌদি বিমানকর্মীরা যে ঘ্যনর ঘ্যনর এর বদলে হুজুর হুজুর করে, সৌদি আরবের লাখ লাখ বাংলাদেশীদের হয়ত সেটা অজানায় থেকে যাবে।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, সৌদি বিমানের বাংলাদেশ ফ্লাইটের প্রায় ক্রুই কিন্তু বাংলাদেশি, আর এরাও একই আচরণ করে ( অবশ্য আমরা বাংলাদেশি যাত্রীরাও কিন্তু কম না। আর এক সৌদি নিরাপত্তা কর্মী সেই ভাব গাম্ভীর্যের সাথে ব্যাগ চেক শুরু করল, যেন আজকে ছাড়বেই না। চেকের ফাকে কথা বলছিল, একটু রাগি ভাবে জিজ্ঞাসা করল কোথায় যাব (ওইটা আসলে শুনাইছে , “হালার পুত তুই কই যাস”)। আমি বললাম, ফ্রাঙ্কফুট। ও বলল, ” ও ফ্রাঙ্কফুট……, জার্মানি …খুব সুন্দর…… আমি এক বার গিয়েছিলাম………।। ” এরপর সে ব্যাগ চেক বাদ দিয়ে জার্মানি নিয়ে মিনিট পাঁচেকের খোশ গল্প করে ছেড়ে দিল। (-_-)

ফ্যাক্ট ৪ঃ ৯ দিনের কাজের জন্য সৌদি আরবে যাওয়া জার্মান প্রকোশলী বিমান থেকে অনেক দিন পর নিচের সবুজ দেখে খুশিতে আত্মহারা। বললাম, “ওহেন ইউ ল্যান্ড ইন জার্মানি, হাগ দি ট্রিস এন্ড সে ‘মিসড ইউ বেবি বেডলি ‘ “। 🙂

ফ্যাক্ট ৫ঃ সময়ের সাথে সাথে এখন অনেক পরিপক্ক। তারপরও মায়ের ভেজা চোখের দিকে তাকিয়ে হাসি মুখে বিদায় বলা হয়ে উঠে না, দেশ ছেড়ে যাওয়া বিমানে নিজের মাধ্যাকর্ষণ বলের সাথে বাড়তি দেশের টানকে অগ্রাহ্য করা হয়ে উঠে না।

তবে যারা সৌদি এয়ারলাইন্স যেতে চাইছেন, দেখে নিন কীভাবে অনলাইনে বুকিং দিতে হয়ঃ


এছাড়া পড়তে পারেনঃ


**আংশিক সম্পাদিত