জার্মানিতে ইটালিয়ান একটা ছেলে বাংলাদেশী একটি ভাইকে বাসার ব্যাপারে একটু ঝামেলা হলে বলে যে বাংলাদেশিরা সুযোগ পেলে সমস্যা করে এবং এইটাও জানায় সে এইটা ওর দেশে দেখে আসছে। হয়তো ঐ ভাইটিকে অগ্রিম কন্ট্রোল মেসেজ এইটা যে আমাকে বোকা ভেব না।

সম্প্রতি দেশ থেকে আশা একটি ছেলে তার নতুন মেক্সিকান বন্ধুর সাথে জোঁক করে যে লকডাউন আমাদের কাজ হল খাওয়া-ঘুম আর কাজ করা আর তার প্রতিউত্তরে সে বলে তোমাদের কাজ হল খাওয়া-ঘুম-রেপ আর কাজ যা একই সাথে লজ্জার এবং বিব্রতিকর। সম্প্রতি রেপ পরিসংখ্যানে ভাল রেজাল্ট করার পরে অনেক মানুষের চোখে এখন বাংলাদেশ একটা বিপদজনক জায়গা যা নিয়ে নানা জোঁক করা হচ্ছে।

আমরা মিউনিখে একটি নীরব প্রতিবাদ সভা করতে চাইলে অনেক সাপোর্টের সাথে ২-১ টি নিরুৎসাহিতজনক মতও আসে। আমরা দেশের সমস্যার দিকগুলা পারতও পক্ষে বিদেশী মিডিয়া এবং জনগণের সামনে তুলতে চাই না। পাবলিক টক হলে মানুষকে বর্তমানের পরিস্থিতি বুঝিয়ে বলতে হবে। সবারই মোটামটি এইগুলা নিয়ে অফিসে কফি ব্রেকে অথবা লাঞ্চের ফাকে ক্লোজ বন্ধু অথবা কলিগের সাথে কথা হয়। আমাদের কষ্ট হয় এইটা ভেবে যে দেশের খুব কম বিষয় আছে যা নিয়ে ভাল একটা ইম্প্রেশন তৈরি হয় অথবা হবে। আমি অবশ্য চাই না যে কোন বিদেশী বাংলাদেশে তার পরিবার নিয়ে এমন বিপদে পরুক ওইটা বেশি লজ্জার হবে। বিগত বছরগুলাতে পরপর বন্যায় জার্মানিতে নানা বোর্ডে বাংলাদেশেকে সাহায্য করতে বলতে বলতে অনেকে, বিশেষ করে বয়স্করা বাংলাদেশকে সারাবছর বন্যা দুর্গত হিসেবে দেখে। এখন যা হচ্ছে তার জন্যে ফিউচারের ইম্প্রেশন কি হবে আমরা জানি না। সময় থাকতে দেশের সমস্যা দেশের মধ্যে কার্যকরী সমাধান দরকার সেইটা হোক দুর্নীতি অথবা বিচার ব্যবস্থা কঠিনকরন ।

A potential solution by Ronin Rehman: We really need to brand Bangladesh 🇧🇩 there. 🤝 We badly need to save and increase our reputation. We should warn/aware existing & incoming all students/immigrants in Germany 🇩🇪.We should groom/polish ourselves before coming to Germany or anywhere in abroad. Groups n Seniors should brief all candidates before coming to Germany about “what not to do” what never to do there”