আমরা প্রতিনিয়ত উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নের হাতছানি নিয়ে প্রস্ততি নেই কিন্ত সঠিক কিছু দিক নির্দেশনা পারে স্বপ্নের সেই গন্তব্যতে পৌঁছে দিতে।

প্রথমত, সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিঙ্ক খুঁজে নিতে হবে গোগল থেকে। Write like: Universities in Canada, Top universities in USA, Universities in Australia. নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের লিঙ্ক এ গিয়ে একাডেমিক এই লিঙ্ক এ যেতে হবে। তারপর, গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম এ যেতে হবে। গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে খুঁজে পাওয়া যাবে অনেক ডিপার্টমেন্ট। নিজের ডিপার্টমেন্টটা খুঁজে নিতে হবে সেই লিস্ট থেকে।

দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্টে থাকবে ফ্যাকাল্টি লিস্ট। ফ্যাকাল্টি লিস্টে খুঁজে পাওয়া যাবে ডিপার্টমেন্টের সকল প্রোফেসরদের নাম। যেকোন একজন ফ্যাকাল্টিতে ক্লিক করলেই তার বিবরন খুঁজে পাওয়া যাবে। প্রোফেসর কোন বিষয় নিয়ে গবেষণা করে, তার পাবলিশ সকল পেপার এর লিঙ্ক, ইমেইল এড্রেস সব কিছু থাকবে। কিছু কিছু প্রোফেসর তার নিজস্ব ওয়েব লিঙ্কে কোন স্টুডেন্ট নিতে চাইলে লিখে রাখেন তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে লিখা থাকেনা।

তৃতীয়ত, কোন প্রফেসরের গবেষণা তোমার ইচ্ছার সাথে মিলে গেলে এবার তাকে ইমেইল পাঠাবার পালা। ইমেইল পাঠাবর সময় অনেক কিছু বিষয় চিন্তা করতে হবে। ইমেইল এর প্রথম প্যারাতে থাকবে তুমি কোন ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করেছো, তোমার সি জি পি এ , ক্লাস রেঙ্ক, কবে পাশ করেছো এসব। দ্বিতীয় প্যারাতে থাকবে তুমি কেন তার গবেষণাতে আগ্রহী। তার বিস্তারিত লিখবে। সব চেয়ে ভালো হয়, প্রফেসরের কোন পেপার সম্পর্কে বলা। আমি এই পেপারটা পরে এই বিষয়ে আরও গবেষণা করতে চাই। কেন চাই বলতে পারলে আরও ভালো। তৃতীয় প্যারাতে থাকবে, তুমি কি নিয়ে কাজ করেছো তার বিবরন। পাবলিশ কোন পেপার থাকলে তার বিবরন। সাধারণত পাবলিশ পেপার থাকলে তার বিবরন সিভিতে লিখাই ভালো।।

চতুর্থত, ইমেইল লিখা শেষ হলে এবার ইমেইল পাঠাবার পালা। Remember to attach your CV and Transcript with the email. মনে রাখতে হবে, ইমেইল টা যেন লোকাল টাইম ৯-১০ টার মাঝে পৌঁছে কারন প্রফেসররা অফিস এ এসে প্রথমেই ইমেইল চেক করেন। লোকাল টাইম ৩ টার আগে অবশ্যই ইমেইল পৌঁছাতে হবে কারন ৫ টার দিকে প্রফেসররা বাসায় চলে যান।

পঞ্চমত, ইমেইল এর রিপ্লাই পাবে এই আশায় বসে থাকার দরকার নেই। একি ডিপার্টমেন্ট এর ২ জনের বেশী প্রফেসসরকে একই দিনে ইমেইল না করাই ভালো। নিজের পছন্দের প্রফেসর না হলেও ইমেইল করতে হবে আর তাকে বলতে হবে এটাই তোমার আগ্রহের বিষয়। কারন পরিবেশে আসলে তুমি নিজেই শিখে যাবে গবেষণা কি করে করতে হয়।

ষষ্ঠত, ২০০-৩০০ ইমেইল করলে হয়তো ১টি ইমেইল এর রিপ্লাই পাবে। নাও পেতে পারো। একজন প্রফেসরকে এক মাসে একবারের বেশী ইমেইল না করাই ভালো। অক্টোবর এ একবার ইমেইল করে রিপ্লাই না পেলে আবার নভেম্বর এ ইমেইল করবে। এটা ভাবার দরকার নেই একবার রিপ্লাই পাইনি। কারন, প্রফেসররা শেষ দিন পর্যন্ত ভালো কিছুর অপেক্ষায় থাকে। কিছু ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসসরকে ইমেইল করার দরকার হয়না। সরাসরি অ্যাপ্লাই করলে প্রোফেসরদের কাছে অ্যাপ্লিকেশান পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এবার আসা যাক প্রোফেসরদের ইমেইল এর উত্তর থেকে বুঝে নেয়া পজিটিভ নাকি নেগেটিভ।। ইদানিং অনেক প্রফেসর কূটনেতিকদের মতো ইমেইল এর উত্তর দেয়। ইমেইল এর জবাবে সে বলবে আমার ল্যাবে একটি মাস্টার্স পজিসন ওপেন আছে।তুমি আমাকে পটেনসিয়াল সুপারভাইসর উল্লেখ করে অ্যাপ্লাই করো। এই ধরনের ইমেইল এর জবাব পেলেই বুঝতে হবে প্রফেসর সবার এপ্লিকেশন থেকে বেষ্ট স্টুডেন্টকে বেছে নিবে। বলা জায় ৫০-৫০ সুজুগ। হতে পারে আবার না হবার সম্ভাবনা অনেক বেশী। এর মাঝেও অ্যাপ্লাই করা ভালো কারন ভাগ্য সহায় হলে হয়ে যেতেও পারে। কিছু প্রফেসর ইমেইল এর উত্তর দিবেনা তার মানে হলো হয় তার ফান্ড নেই অথবা সে তোমার প্রোফাইল দেখে ইমেইল এর রিপ্লাই দেবার প্রয়োজনীয়তা ভাবেনি। তবে কিছু প্রফেসর আছে সে স্টুডেন্ট না নিলে জানিয়ে দিবে তার ওপেনিং নেই ল্যাবে। প্রফেসর তোমার প্রোফাইল দেখে আগ্রহী হলে সে উত্তর দিবে তোমার প্রোফাইল আমার ল্যাবে কাজ করার জন্য উপযুক্ত। তুমি যেই বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী এই বিষয়ে আমি এই এই কাজ করতে চাই।। তুমি অ্যাপ্লাই করো আর আমি তোমার সাথে স্কাইপে কথা বলতে চাই। স্বভাবত প্রফেসর তোমার সুবিধাজনক সময়ে তোমার সাথে কথা বলবে। বুঝতে হবে প্রফেসর তোমাকে ফান্ড দিবে কিন্তু কতো দিবে তার জন্য অফার লেটার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

Patience, hard work and faith to almighty can lead to you success. But, never forget you have to try a lot to get a positive response from a professor. All the best

If anyone needs detail information then you can contact through my email. [email protected]