থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জগৎটাকে,

কেমন করে ঘুরছে মানুষ, যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে৷

দেশ হতে দেশ দেশান্তরে, ছুটছে তারা কেমন করে,

কিসের নেশায় কেমন করে, মরছে যে বীর লাখে লাখে,

কিসের আশায় করছে তারা, বরণ মরণ-যন্ত্রণাকে ।। – দুখু মিঞা

বিশ্বব্যাপী ঘুরতে থাকা মানুষগুলোর মধ্যে আজ আমিও একজন। উত্থান – পতনের এই জীবনের চলমান সংগ্রাম অন্য সবার মতোই, যা চিরন্তন সত্য মেনে আজ অবধি নিজেকে সামলে রেখে এগিয়ে গিয়ে আবার বাজি ধরলাম। সময় আর অর্থ দুটোকেই পুঁজি করে আজ আমি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে, পরদেশে নিজের সত্তাকে জিয়িয়ে রেখে বেঁচে থাকার জন্য অপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ফাদারল্যান্ড খ্যাত জার্মানিতে পা রাখার দ্বারপ্রান্ত অতিক্রম করেছি।

পরভূমিতে উচ্চশিক্ষার প্রেরণা, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই আমি পেয়েছিলাম। আর এই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি ২০১৮ সালের শেষ দিকে এসে। আজ যখন আমার অবস্থান গিজেন, জার্মানি, তখন এই গ্রুপ এর সকল সদস্য এবং লেখকদেরকে নিকট আমার কৃতজ্ঞতা নিবিদেন করতে চাই আর সকল অনুসারীদের নিকট কালক্রমের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে আমার ধন্যবাদ প্রদান করতে চাই।

আমি জীবনে কখনোই ত্রিকালদর্শী বা দ্বিকালদর্শী ছিলাম না। মানে সামনে একধাপের বেশি কখোনই ভাবতে পারি নাই। এছাড়া আরও অনেক ব্যার্থতার ঘটনা আছে তাই আজকের লেখনির এটাই নামীয় পরিনতি।

২০১৮ জানুয়ারি

প্রায় এক বছর আট মাস আগের ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স জীবনের শেষ পরীক্ষা দিয়ে টঙ্গে বসে ধুয়া উড়াচ্ছি আর ভাবছি, এত ভালো একটা জায়গা থেকে একটা ডিগ্রি নিচ্ছি, জীবন তো অন্তত পক্ষে শুরু করতে পারবো । কারন, সাধারন নিন্মমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের যা চিন্তা মাথায় থাকে তাই আর কি। তবে বাস্তবতাটা সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। ক্লাসের অন্যসবাই তখন ডিপার্টমেন্ট থেকে মাস্টার্স করার কথা ভাবতেছে দুই একজন বাদে। আমরা ক্লাসে ১৪ জন ছিলাম। কিন্তু কারন বশত ৪ জনের মাস্টার্স করা হয়ে ওঠে নাই। ও, হ্যা বলতে ভুলে গেছি আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেছি।

২০১৮ ফেব্রুয়ারি

ইতোমধ্যে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর আশানুরুপ (৩.১৮) ফলাফলই পেয়েছিলাম বটে তবে ততোদিনে নিজের ফলাফলকে অনেক নিচে নামিয়ে এনেছিলাম। আর আমাদের বেলা, বিভাগে নতুন নিয়মের কবলে পড়ে রাগে ক্ষোভে মাস্টার্স করি নাই। শুরু করি নতুন মিশন হয় চাকরি করব নাহয় প্রবাসে যাব। কিন্তু, সমস্যা দাড়ালো, যে টিউশনির উপর ভর করে স্বপ্ন বুনেছিলাম তা প্রাই ২ টা তে নেমে এসেছিল, যা আমার জীবনে সর্বনিন্ম। বাসায় টাকা দেয়ার পর আর কিছুই থাকতো না যে আইলটস দিব বা ভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করবো। যাহোক, কোনোমতে সে যাত্রায় কারো সাহায্য ছাড়াই উতরে যাই।

২০১৮ মার্চ-অক্টোবর

দেশে বায়োটেকনোলজি ক্ষেত্রটি এখনো সুচনালগ্নে থাকার দরুন বহুচাকরি প্রত্যাশী মানুষের ভিড়ে আমিও হারিয়ে গেলাম। আর যাদের কোম্পানিতে চাকরি ছিল তারা মাস্টার্স সম্পন্ন ব্যক্তি চায়। তাই নিরুপায় হয়েই, বিকল্প পথটিকেই বেছে নিতে আমি বাধ্য হই। কারণ, বয়স আমার তখন বাইশ, আর বুঝতে ততদিনে বাকি ছিলনা যে সাধারন মানুষ ঠেলায় না পড়লে আত্মীয়স্বজন, বাবা-মা কে ছেড়ে দুরদেশে পড়ে থাকে না। সেজন্য, গোয়েথ ইন্সিটিউটে এ১ এর জন্য ভর্তি হই এবং অক্টোবরে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করি। বাকি সময়ে প্রাক্তন পেশা থেকে কিছু অর্থ উপার্জন করে জমাতে থাকি।

বি দ্রঃ শুধুমাত্র নিয়মিত ক্লাস করে বা বাসায় নিয়মিত পড়ে এ১ পরিক্ষায় খুব ভালো ফলাফল করা যায়। ইহা পরীক্ষিত।

আই ই এল টি এস

আমি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি জানুয়ারি মাসের প্রথম দিক থেকে। মাসখানেক হাতে রেখে ফেব্রয়ারির ২ তারিখ পরীক্ষার তারিখ নেই। সেই দিনই নীলক্ষেত থেকে ক্যামব্রিজ আইলটস ৭-১১ কিনে আনি। প্রতিটি ফটোকপি ৬০-৭০ টাকা করে নিয়েছিলো। সাথে কোনো সিডি ছিল না। তাই, কিভাবে লিসেনিং প্রাকটিস করবো এই নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু, ইন্টারনেট ঘেঁটে সবগুলা বইয়ের সফট কপি এবং সিডি রেকর্ডিং গুলা ডাউনলোড করা যায়। তবে যদি কেউ পেপার বেসড পরীক্ষা দেয়, তাহলে সফট কপি না ব্যবহার করে হার্ড কপি কিনে ব্যবহার করা যুক্তিযুক্ত ।

আইইএলটিএস রেকর্ডিং এর অনেক লিংক আছে। খুজলে পাওয়া কোনো কষ্টের বিষয় নয়।

এই পরীক্ষার ফলাফল আন্দাজ করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এতে করে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন আর পরীক্ষা আপনাকে দিতে হবে কিনা। আমি তেমন একটা প্রস্তুতি নিতে পারিনি, বিশেষ করে রাইটিং আর স্পিকিং এ খুবই কম প্রস্তিতি নিয়েছিলাম। প্রস্তুতি বলতে গেলে মেন্টরস এ তিনটা স্পিকিং টেস্ট, যার ফলাফল ছিলো ভয়াবহ আর ৪-৫ টা রাইটিং টেস্ট। সম্পূর্ণ ধারণা পেতে গেলে ইউটিঊব সহ আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে। একটু কষ্ট করে খুজে নেবেন।

এগুলা আপনাকে ধারণা দিতে সহায়তা করবে যে কিভাবে লিখতে হবে। এবার ফলাফলে আসি। আগেই বলেছি টিউশনির চাপে আর অন্য সব চিন্তায় তেমন একটা প্রস্তুতি নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে নাই। তবে এতটুকু বলতে পারি যে, যারা আমার মত দুই দিন পড়ে আর আট দিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় কিন্তু ইংরেজিতে তুলানামুলক ভালোই, তাদের টার্গেট ৬.৫-৭.৫ রাখলে ভালো হয় বলে আমার মনে হয়। আমি ৭.০ পেয়েছিলাম (লিসেনিং-৮, রিডিং- ৭.৫, স্পিকিং-৭, রাইটিং-৬)- ওভারঅল-৭.১২৫৫৫… ~~ ৭.০০। রেজাল্ট আমি পেয়েছিলাম ১৩ দিন বাদে, ১৫/২/১৯ তারিখে সকাল ৭ টার পর। চিন্তা করেন না, টুইস্ট আরো বাকি আছে!!!

বিঃ দ্রষ্টব্যঃ কখনো কখনো স্পিকিং টেস্ট আগে হতে পারে, যেমনটা আমার ক্ষেত্রে ঘটেছিল। পরীক্ষা ছিল ২/২/১৯ আর স্পিকিং হয়েছিল ৩০/০১/১৯। স্পিকিং এর আগের রাত্রে ১১ তার দিকে মেইল খুলে দেখি ২৮/১/১৯ তারিখে মেইল আসছিল যে অই দিন স্পিকিং টেস্ট। সেই রাতে না ঘুমিয়ে শেষ পর্যন্ত মুভি দেখে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। ঈশর সহায় ছিলেন বিধায় ওই যাত্রায় বেঁচে গেছিলাম। তাই আমি বলবো পরীক্ষার আগের ৭ দিন থেকে প্রতিদিন মেইল চেক করতে !

কোর্স বাছাইঃ

১। কোর্স বাছাই করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ডাড এর ওয়েবসাইটে গিয়ে স্টাডি অ্যান্ড রিসার্স প্রোগ্রাম বাছাই করে পরে বিভিন্ন অপশন(যেমনঃ টাইপ, ল্যাঙ্গুয়েজ, ফিল্ড অফ স্টাডি) সিলেক্ট করে কোর্স বাছাই করতে হয়। পরে আবার অ্যাডভান্স সার্চ অপশন থেকে আরো আনেক কিছু বাচাই করে কোর্সের তালিকা করা যায়। তারপর প্রতিটি কোর্সের সাথে আপনার পূর্ববর্তী পড়াশুনার কতটা মিল/অমিল, তাদের প্রিতিটি শর্ত দেখে তালিকা ছোট করতে থাকবেন। আমার প্রথম তালিকায় প্রায় ৪০ টা ছিল কিন্ত তা শেষ পর্যন্ত ৫ এ গিয়ে ঠেকেছিল!!

২। আরো একটি কষ্টকর প্রক্রিয়া হল-

রাঙ্কিং ওয়েবসাইট গুলো থেকে কান্ট্রি সিলেক্ট করে ইউনিভার্সিটি বের করে তাদের ওয়েবসাইট এ গিয়ে দেখতে হবে তারা কি কি কোর্স অফার করে যা আপনার যোগ্যতার মাত্রাকে স্পর্শ করে বা তার নিচে থাকে।

অফার লেটার পাওয়ার সম্ভাবনাঃ এই বিষয়টা অনেক ঘোলাটে। তবে আমার অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যাক্তিগত মতামত এই যে, নিন্মোক্ত বিষয়গুলো অফার পত্র প্রাপ্তিতে প্রভাব বিস্তারে দায়ী।

১। পূর্ববর্তী পড়াশুনার ফলাফল(৪০%)

২। পূর্ববর্তী পড়ালেখার সাথে সিলেকটেড কোর্সের কতটুকু মিল আছে(৩০%)

৩। রিসার্চ পেপার / জার্নাল / ইন্তারনশিপ / মোটিভেশন লেটার (২০%)

৪। আই ই এল টি এস(১০%)

আমার ব্যাখ্যাগুলো মাস্টার্সের আবেদনকারীদের লক্ষ্য করে লেখা।

আমি ইউনি-অ্যাসিস্ট এর মাধ্যমে ৪ টাতে আবেদন করি । আর ফি পরিশোধের জন্য ইবিএলের ইংলিশ রোড ব্রাঞ্চ থেকে আকুয়া কার্ড করি। প্রথমে বেশ সমস্যা পোহাতে হয়েছিল। সব কিছু যেমনঃ ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে, ডলারের পরিমান ঠিক থাকার পরেও এই ওয়েবসাইটে পে করা যাচ্ছিল না। আবার ওদের কল সেন্টারে কল দিলে ৫০ টাকার ফ্লেক্সিতেও কথা শেষ করে যাচ্ছিলো না। তাই, বাধ্য হয়ে একদিন রাতে ৪ টায় ওদের কল সেন্টারে কল দিয়ে ওদের উপরে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠি। পরের দিন সকাল বেলাতেই টাকাটা পরিশোধ করতে পেরে হাফ ছেড়ে বাঁচি।

এরপর ডকুমেন্ট(এম্বাসি অ্যাটাচটেড) + ইউনি-অ্যাসিস্ট অ্যাপ্লিকেশান+ পাসপোর্টের কপি + সিভি+ ইউনিভার্সিটি গ্রেডিং সিস্টেম+ অন্যান্য সকল কাগজ এক কপি খামে ভরে ফাস্ট এক্সপ্রেসে করে পাঠাই দেই।

এছাড়া আমি আরো তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করে যাদের প্রতিটিই আমাকে রিজেক্ট করে। তাই একমাত্র ভরসা ছিল ইউনি-অ্যাসিস্ট অ্যাপ্লিকেশান। কিন্তু সে আশাও গুড়ে বালি হতে বেশিদিন সময় লাগে নি।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমার ইউনিভার্সিটিতে মিনিমাম হল ২.০০। যে গ্রেডিং এর কাগজ দিয়েছিলাম তাতেও ২,০০ ছিল। কিন্তু আমার ২.৫ ধরার কারনে জার্মান গ্রেডে রেজাল্ট দাঁড়ালো ২.৬। অনেক ঘষামাজা করেও কোনো উপায় না পেয়ে আশা ছেড়েই দিলাম তখন। আমি তখন জুন মাসের শেষে পৌছাই গেছি আর আর আমার হাতে কিছুই ছিল না ব্যর্থতা ছাড়া। তাই সব বাদ দিয়ে জিআরএই এর পড়া শুরু করি আর ওই পরীক্ষার টাকা জমানো শুরু করি।

কিন্তু সপ্তাখানেক পরে, আমার হাতে ইউনিভার্সিটি অফ গিজেন থেকে অফার লেটার আসে। আর আমি আবার পুরাতন পথে চলা শুরু করি। জার্মান প্রবাসে থেকে পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে জানা শুরু করি আর ভেবে চিন্তে আগস্টের ২০ তারিখ এম্বাসি অ্যাপয়ন্টমেন্ট নিয়ে ফেলি।

স্টুডেন্ট ফাইলঃ

অর্থ জোগাড়ের এই কাজটি আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন ছিল। তার পর আবার হঠাত শুনতে পারি ব্লক মানির পরিমান নাকি বাড়িয়ে দিয়েছে। পরে জানলাম তা নাকি সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। তাই বলব, বিধাতা এখানেও আমায় সহায়তা করেছেন।

স্টুডেন্ট ফাইল খোলা নিয়ে অনেকে অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে লিখছেন। সবার মত আমিও সেগুলো অনুসরণ করেছি আর এক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সহজ ও সুন্দর।

ট্রাভেলিং হেলথ ইনসিওরেন্সঃ

এটার জন্য আমি গুলিস্তান, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এ গ্রীন ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির অফিসে গিয়েছিলাম। লিফট তখন ছিল না, তাদেরকে আমি অর্থ বিতরণ করছিলাম তো তাই তারা আমাকে চা পানি খাওয়াইতে ভুলে নাই!

আমি ২৮ দিনের ইনসিওরেন্স করেছিলাম। খরছ পড়েছিল ১৯২১ টাকা। এক্সপেক্টেড ট্রাভেল ডেট/ভিসা শুরুর তারিখ এই ইনসিওরেন্স এর তারিখের মধ্যে হতে হয়।

ভিসা ইন্টারভিউঃ

অনলাইন ভিডেক্স ভিসা ফর্ম ফিল আপ করে ডাউনলোড করতে হয়। সাথে ডিক্লেরাশন ফর্মটাও ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ফিল আপ করেছিলাম। এরপর দুইটা ফরমই প্রিঙ্ক করেন এবং স্টুডেন্ট-ডি ভিসার জন্য নিন্মোক্ত সিরিয়ালে কাগজগুলা সাজিয়েছিলাম।

১। অ্যাপ্লিকেশান ফর্ম

২। ডিক্লেরাশন ফর্ম

৩। ট্রাভেলিং হেলথ ইনসিওরেন্স

৪। ব্লক কনফরমেশন

৫। অফার লেটার

৬। এইচ এস সি সার্টিফিকেট

৭। এইচ এস সি মারকশিট

৮। ব্যাচেলর সার্টিফিকেট

৯। ব্যাচেলর মারকশিট

১০। আই ই এল টি এস

১১। জার্মান ভাষা (যদি থাকে)

এই সিরিয়ালে ২ সেট ফটোকপি করে মোট তিনটি কপি তৈরি করেছিলাম(মূল ১+ ২ কপি)। কপিগুলির ভিসা ফর্মের উপরের পেজের জানপাশে ৩৫*৪৫ এর অফ হোয়াইট ব্যাকগ্রউন্ডের পাসপোর্ট ছবি স্ত্যাপল করতে হয়েছিল আর সাথে আরো এক কপি ছবি পাসপোর্টের উপরের কভেরের সাথে পেপার ক্লিপস দিয়ে আটকে দিইয়েছিলাম।

বি দ্রষ্টব্যঃ ছবি লাগানো ছাড়া আর কোথাও স্ট্যাপলার ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হয়। প্রয়োজনে পেপার ক্লিপ ব্যবহার করা যায়।

আর ভিসা ইন্টারভিউ এর প্রশ্ন খুব সাধারন ছিল অন্য সবার মতো। আমার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইচ-চ্যান্সেলরের নাম জিজ্ঞাস করেছিল।

ভিসা পেতে ২৮ দিনের মত সময় লেগেছিল। ততদিন নাকে তেল দিয়েছিলাম কিন্তু ঘুম আসেনি!

ভিসা মেইলঃ ১৭/০৯/২০১৯ ;

কালেকশনঃ ১৮/৯/১৯

লেখাটিতে ত্রুটি থেকে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে ভুল ধরিয়ে দেবেন। আর এতে কেউ উপকৃত হলে খুশি হব।

ধন্যবাদ।

সাগর হালদার(সবু)

জাস্টিস লিবিগ ইউনিভার্সিটি

এম এস (আগ্রোবায়োটেকনোলজি)

গিজেন, জার্মানি

রবিবার, ২০.১০.২০১৯