বর্তমান(করোনা) পরিস্থিতিতে যেসব স্টুডেন্টস জার্মানি যাবে, তাদের সারভাইভ করা বা পার্ট টাইম জব পাওয়ার সম্ভাবনা বাস্তবিক কতটুকু?

Haseeb Mahmud: উত্তরটা ভেঙ্গে ভেঙ্গে দেই।

আপনি জানতে চাইছেন “বর্তমান পরিস্থিতিতে যেসব স্টুডেন্টস জার্মানি যাবে,” — আমি ধরে নিচ্ছি আপনি উইন্টার সেমেস্টারে যারা আসবে তাদের কথা বলছেন। একজন এখানে এসে কেউ পরদিন কাজ শুরু করে না। কাজ শুরু করতে নভেম্বর, ডিসেম্বর লেগে যাবে।- এই মুহুর্তে (অর্থাৎ আজকে, মে-জুন মাসে) কাজ পাওয়া খুব কঠিন বা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু কথা হলো উইন্টার সেমেস্টার অর্থাৎ সেপ্টেম্বর অক্টোবরেও (বা ডিসেম্বরে) কি এরকম অবস্থা থাকবে? এর উত্তর ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে বলা সম্ভব না। কিন্তু কিছু আন্দাজ করা যায়।

যেমন -সেপ্টেম্বর, অক্টোবর নাগাদ কি করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে? এটা বুঝতে নজর দেয়া যায় অনেক বেশি সংখ্যক টিকা দেয়া গেছে এরকম দেশগুলোর কী অবস্থা। ইউএসএ, ইউকে, ইজরায়েল — এসব দেশে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং তারা ইকোনমি ফুল স্কেলে খুলে দেবার কথা ভাবছে বা ইতিমধ্যে খুলে দিয়েছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ জার্মানিও জনসংখ্যার একটা বড় অংশকে টিকা দিয়ে ফেলতে পারবে এবং ইকোনোমি খুলে দেবে এরকম আশা করা যায়। সেক্ষেত্রে টুকটাক কাজ পাওয়া আগের মতোই হয়ে আসবে এরকম আশা করা যায়।- কিছু কিছু অনিশ্চয়তা এড়ানো যাবে না।

যেমন, নতুন ভ্যারিয়ান্ট এসে এখনকার টিকা অকার্যকর করে ফেলবে কিনা। এখনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সিদ্ধান্ত নেয়নি উইন্টার সেমিস্টার অনলাইন হবে কিনা। এখনও আমরা সম্ভবত জানি না জার্মান এমব্যাসি ভিসা ইন্টার্ভিউ, ভিসা প্রক্রিয়া যথাসময়ে শুরু/শেষ করতে পারবে কিনা।

যারা ছাত্র হিসাবে জার্মানি আসতে চান তাদের ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হল আপনার সুযোগ থাকলে অ্যাডমিশন নিয়ে ফেলে অনলাইনে হলেও ক্লাস শুরু করে দিন। করোনা এখনকার দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা। এই বাস্তবতা হুট করে বদলাবে না। তবে টিকা যেহেতু আসছে সেহেতু আশা করা যায় অবস্থা বদলাবে। সুতরাং অপেক্ষা করে বয়স বাড়িয়ে লাভ নেই।

Post link on Facebook: https://www.facebook.com/groups/BSAAG/permalink/3956868237728758/