আমার ডাড স্কলারশিপ প্রসিডিউর নিয়ে লিখব ভেবেছিলাম, কিন্তু লেখা হচ্ছিল না, দিন যত যাচ্ছে তত ব্যাস্ততা বাড়ছে, তার উপরে আছে অফিসের যন্ত্রনা। যাই হোক অবশেষে লিখতে পারছি এটাই বড় কথা। কোথা থেকে শুরু করব ভেবে পাচ্ছি না। একেবারে শুরু থেকে শুরু করা যায়। সেক্ষেত্রে লেখাটি শুধু ইনফরমেটিভ থাকবে না, কিছুটা ইন্সপেরেশনালও হয়ে যাবে বোধহয়।

ডিসেম্বর ২০১৫ এর মধ্যে IELTS আর GRE স্কোর নিয়ে আমি পুরোপুরি রেডি। জানুয়ারি ২০১৬-তে USA-তে এপ্লিকেশন করা শুরু করলাম। এর আগে কিছু প্রফেসরের সাথে হালকা পাতলা যোগাযোগ হয়েছিল। কিছুদিনের মধ্যে USA-এর ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই এডমিশন অফার পেয়ে যাই। যদিও কোনটি থকেই ফান্ডিং এর “ফ”-ও আসেনি। কিছুটা হতাশ ছিলাম, কারন ফান্ডিং ছাড়া আমার পক্ষে পড়তে যাওয়া সম্ভব না। ঠিক তখন আমার GRE কোচিং এর এক ছোট ভাই বলল ইউরোপে এপ্লাই করতে। দুইজন মিলে ডিসিশন নিলাম জার্মানি আর ইরাসমুস মুন্ডুস-এর জন্য এপ্লাই করব। দুইজন-ই প্রায় একই সময়ে ইরাসমুস মুন্ডুস-এর জন্য এপ্লাই করলাম। ওর স্কলারশিপ হয়ে গেল, আর আমার আসল ডিনাইয়াল ইমেইল।

টানা দুইটা ছ্যাকা খাওয়ার পর মনযোগ দিলাম জার্মানির দিকে। অবশ্য ছ্যাকা খেলেও নিজের এক্স-দের ভুলতে পারলাম না। USA-এর ২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের এডমিশন ডিফার করার জন্য এপ্লাই করলাম, এবং তারা আমার ডিফারমেন্ট এক্সেপ্ট-ও করল। আর ইরাসমুস মুন্ডুস-এর জন্য আবার নতুন করে এপ্লাই করলাম। আর এর মাঝে ডাড নিয়েও কিছু গবেষণা করলাম, ডাড এর ওয়েবসাইট-টা নিয়েই বেশ কিছুদিন পরে ছিলাম। ওয়েবসাইট-টা প্রথমে আমার কাছে একটু কনফিউসিং মনে হচ্ছিল। কয়েকদিনে একটু ফ্যামিলিয়ার হওয়ার পরে অবশ্য কনফিউসিং কিছু মনে হয়নি।

ডাড ওয়েবসাইটে গিয়ে মোটামুটি প্রতিটি লিঙ্কে ঢুকেছি, প্রায় বেশ কিছু আর্টিকেল পড়েছি ডাড কি, কাদের কাদের স্কলারশিপ দিচ্ছে, কেন দিচ্ছে, কিভাবে দিচ্ছে, কোন বিষয়ের উপরে দিচ্ছে। (একটা কথা বলে রাখা ভাল, হায়ার স্টাডির জন্য যারা সত্যিই আগ্রহী তাদের অবশ্যই বিভিন্ন ওয়েবসাইটের বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ার আর অমানুষের মত এই রিলেটেড বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘেটে দেখার মানসিকতা থাকতে হবে। আপনাকে কেউ খুজে এনে দিবে না, নিজেরটা নিজেরই খুজে নিতে হবে। এটাই সত্যি।) যাই হোক, ডাড ওয়েবসাইটের বামপাশে একটা ফিল্টার আছে, সেখান থেকে নিজের পছন্দের ফিল্ড অফ স্টাডি, ডিগ্রি আর কোর্স ল্যাংগুয়েজ দিয়ে সার্চ দিলাম, ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় পেলাম, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গেলাম, বিষয়গুলোর মডিউল আর ফোকাস এরিয়া দেখলাম। আমার ইন্টারেস্ট-এর সাথে মিল রেখে আর সম্পুর্ণ এডমিশন রিকয়ারমেন্ট ভালভাবে দেখে ২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ফাইল রেডি করলাম। ইউনিভার্সিটাট ভাইমার ইউনি অ্যাসিস্ট-এর মাধ্যমে এপ্লাই করতে বলেছিল আর স্পষ্ট ভাষায় লেখা ছিল, ডাড এর জন্য এপ্লাই করতে কি কি লাগবে। ডাড এপ্লিকেশনের জন্য একটা নির্দিষ্ট ডেডলাইন দেয়া ছিল। অন্যদিকে, ইউনিভার্সিটি অফ ষ্টুটগার্ট সরাসরি এপ্লিকেশন করতে বলেছিল, ষ্টুটগার্ট-এর ডাড ডেডলাইন আমি মিস করি, যার কারনে ষ্টুটগার্ট-এর জন্য ডাড এপ্লিকেশন করা হয়নি। তাও ব্যাকআপ হিসেবে ষ্টুটগার্ট-এর জন্য ফাইল রেডি করেছিলাম।

এবার আসি ফাইল রেডি করার কথায়। ইউনিভার্সিটাট ভাইমারের জন্য প্রথমে আমি ফাইল রেডি করি। ইউনি অ্যাসিস্ট-এ অনলাইন এপ্লিকেশন সাবমিট করার পর এপ্লিকেশন ফর্ম প্রিন্ট করে সাইন করে ওদের ঠিকানায় DHL করে পাঠিয়ে দেই। ইউনি অ্যাসিস্ট-এ যা যা লেগেছিল- এপ্লিকেশন ফর্ম, আন্ডারগ্র্যাড থিসিস স্যাম্পল ওয়ার্ক, সিভি, মটিভেশন লেটার, পাসপোর্ট কপি, IELTS, GRE, B.Sc. HSC সার্টিফিকেট আর ওয়ার্ক এক্সপেরিএন্স সার্টিফিকেট।

ইউনিভার্সিটাট ভাইমারের ঠিকানায় সেম ডকুমেন্টস DHL করেছি। পার্থক্য ছিল, শুধুমাত্র এপ্লিকেশন ফর্ম-এ, আর এডিশনাল হিসেবে ২টি রিকমেন্ডেশন লেটার পাঠাতে হয়েছিল।

২০ দিনের মাথায় ইউনি অ্যাসিস্ট থেকে রেসাল্ট পেয়ে যাই। আমার স্কোর আসে ১.৫। ইউনি অ্যাসিস্ট থেকেই ভাইমারে আমার স্কোর ইলেকট্রনিকালি চলে যায়। তার প্রায় ৫৫ দিন পর আমার এডমিশন অফার সম্বলিত একটি মেইল আসে। মেইলে একটা লাইন লেখা ছিল, “Unfortunately, you do not receive a DAAD scholarship. There were many excellent applicants and the number of scholarships is very limited. I hope you will find another form of financing your study (at the Bauhaus-University there is no other means)!” আবার শুরু হল হতাশার দিন। (যদিও আমি এই বিষয়গুলো বিন্দুমাত্র টেনশন করিনি) আমি শুধু মনে করতাম ২০১৬ আমার জন্য একটি বাজে বছর, আবার এপ্লাই করব, সামনের বছরটা ইনশাআল্লাহ ভাল যাবে। নিজের মনকে বুঝাতাম, আমার মা-কে বুঝাতাম, আপসেট হওয়ার কিচ্ছু নাই, এমন কঠিন অবস্থা সবার জীবনেই আসে, সবাই এভাবেই সামনে আগায়, আমাকেও এর মধ্যে দিয়েই যেতে হবে।

আমার মা-র কথা না বললেই না… উনি এই পুরো সময়টা জুরে আমার চেয়ে বেশি মেইল রিসিভ করেছেন। আমার জিমেইলটা আমার মা-র মোবাইলে সেট করা, মেইল আসলেই আমি যেখানেই থাকি না কেন, আমাকে ফোন দিয়ে বলবে, “একটা মেইল আসছে অমুক যায়গা থেকে, একটু চেক করে জানা আমাকে, কি লিখল!” আমি মোবাইল ইন্টারনেট ইউস করি না, তাও আমাকে এমবি কিনে তারপর চেক করে মা-কে জানাতে হতো।

যাই হোক, যেহেতু আমি অনেক লেট করে এপ্লিকেশন করেছিলাম তাই ইউনিভার্সিটি থেকে রেসপন্সও পেয়েছিলাম অনেক দেরিতে। যখন ওরা রেসপন্স করেছে ততদিনে ভিসা এপ্লিকেশন, ব্লক একাউন্ট যাবতীয় কাজের জন্য হাতে সময় ছিল ৪০ দিন। তো, যেহেতু ডাড থেকে রিফিউসড হলাম আবার হাতে সময়ও কম, তাই এডমিশন অফার পাওয়ার পরের দিন-ই এডমিশন ডিফার করার জন্য এপ্লিকেশন করি। ১ সপ্তাহের মধ্যেই ডিফারমেন্ট এক্সেপ্টেড হয়।

আমার নতুন এডমিশন লেটার আসে ফেব্রুয়ারী ২০১৭-তে। আর মে ২০১৭-তে ডাড থেকে একটা মেইল আসে। প্রথম লাইনটা ছিল এমন, I am pleased to inform you that you have been nominated for a DAAD scholarship for the Development Related Postgraduate course “Natural Hazards and Risks in Structural Engineering” at the Bauhaus University of Weimar. মেইলে স্পষ্ট লেখা ছিল, এটা কোন স্কলারশিপ-এর কনফার্মেশন না, এটা জাস্ট একটা নমিনেশন। ওরা আমার একটা ফোন ইন্টারভিউ নিতে চাচ্ছে। তারপর ওরা স্কলারশিপ ডিসিশন দিবে।

আমার কম্পানি আশুলিয়ায় অবস্থিত এশিয়ান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মেইন ক্যাম্পাসের কনসালটেন্ট। ওইদিন আশুলিয়ায় ইউনিভার্সিটির ছাদের ঢালাই চলছিল, আমি কনসালটেন্ট হিসেবে অডিটে ছিলাম, এমন সময় জার্মানি থেকে ফোন আসল, আমি বাংলাই ঠিক মত শুনতে পাচ্ছিলাম না, তার উপরে আবার ইংরেজী তে বলছে, Are you the applicant of DAAD for the course of Bauhaus Universitat Weimar? Do you have some time to talk with us? I am speaking from Germany. পরে দ্রুত নিচে এসে এক চিপায় গিয়ে কথা বলা শুরু করলাম। সে আমাকে বলল, If you are busy then we can call you later. আমি ভাবলাম, এই সুযোগ আবার কবে না কবে আসে কে জানে, আমি কথা চালিয়ে গেলাম, No no, I am absolutely fine. Please, ask me what do you want to know? আমার সাথে তাদের কথোপকথন তুলে ধরছি,

Caller 1: Okay, next you will hear the voice of one of my colleagues who is going to take a short interview. It will take 5-6 minutes roughly.
Interviewer: Hello, Mr. Mahfuzul Islam. Good afternoon. Are you hearing me clearly?
Me: Yes Mam, will you please talk louder?
Interviewer: I think there is a problem in my headset. I am going to change my headset, please give me a second.
Interviewer: Is it clear now?
Me: Yes mam.
Interviewer: Okay, tell me how do you learn about DAAD?
Me: From social media and the DAAD website.
Interviewer: Which subject are you applying to?
Me: Natural Hazards and Risks in structural engineering.
Interviewer: Why did you choose this subject?
Me: Because, the structures in this region where I live in are so much vulnerable against natural hazards. Also my country is in the most seismic active region therefore as an engineer it is my accountability to serve my country with better engineering knowledge. To gain higher knowledge in engineering I chose this subject.
Interviewer: What problems are you facing in your country as a structural engineer?
Me: Well, as a structural engineer I find difficulties in maintaining proper design parameters. This is because we lack skilled labor and less concern over building structures.
Interviewer: Okay, now tell me what frequent natural hazards are there in your country?
Me: There are so many natural hazards such as excessive storms in summer, earthquake, sliding earth etc.
Interviewer: Haven’t you ever seen flood in your country?
Me: Oh, yes, flood is another major hazard we face in our country.
Interviewer: What protections do you take to face these hazards?
Me: We build structures like dams as protection against flood.
Interviewer: Why do you choose Germany as your destination?
Me: Germany is considered to be the land of ideas. And you know, civil engineering is a subject based on ideas. To explore ideas and to have proper place to implement those Germany is the best choice for any civil engineer. And also I have seen so many graduates from Germany who are doing so good in the professional environment and those are the reason why I rank Germany in the top of my favorite list to go for higher studies.
Interviewer: What are you doing right now in your country?
Me: I am working for an engineering consultancy company.
Interviewer: What is your position in there?
Me: Assistant Engineer.
Interviewer: What responsibilities you take in there?
Me: I design residential buildings and supervise projects to ensure structural issues.
Interviewer: Who will be doing your job in there when your stay in the Germany?
Me: I don’t know, I will leave this job if I get the confirmation from Germany. And I have already discussed with my manager about this matter.
Interviewer: Okay, do you know any German language?
Me: No, I don’t know but I am trying to memorize some frequent German expressions from the internet.
Interviewer: Okay, Are there any family members coming with you in Germany?
Me: No, I am coming alone.
Interviewer: Okay, this is all the questions I got today, your interview ends here, you will be notified through email about the result of this interview within 3-4 days. Have a good day.
Me: Ok, Mam, thank you. Have a good day.

টোটাল ১৬ মিনিটের ছিল ইন্টারভিউটা। Honestly, আমার ইন্টারভিউ আশাতীত ভাল হয়েছিল। আর ইন্টারভিউয়ার-ও অনেক ফ্রেন্ডলি ছিলেন। আমি কিছু যায়গায় আটকিয়ে যাচ্ছিলাম, উনি আমাকে সেসব যায়গাগুলোতে নিজে থেকে বলে বলে হেল্প করেছেন। All I did is to make her understand that I got my concept clear. ব্যাস এতটুকুই… আর প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর এত গুছিয়ে দিতে পেরেছিলাম কারণ আমি অনেক মটিভেশন লেটার লিখেছি। আমার মটিভেশন লেটার মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল, আর এই প্রশ্নগুলো আমার মটিভেশন লেটারের সাথে প্রায় পুরোটাই মিলে যায়, যার কারনে সাবলিল উত্তর দিতে পেরেছি।

ইন্টারভিউ-এর ৭ দিন পরে ডাড থেকে একটি মেইল আসে। সেখানে লেখা ছিল, ওরা আমার হার্ডকপি পেয়েছে, কিন্তু পোর্টালে কোন ডকুমেন্টস পায়নি। ওরা আমাকে ডাড পোর্টালে গিয়ে এপ্লাই করার জন্য রিকোয়েস্ট করল। ডাড পোর্টালে একাউন্ট খুলে এপ্লাই করলাম। তার ৭-৮ দিন পরে আমার জিমেইল ইনবক্স-এর সবচেয়ে সুন্দর মেইলটি আসল, যার প্রথম লাইনটি ছিল, Your funding request has been accepted. ইমেইলটি আমি অফিসে বসে রিসিভ করেছিলাম, হেল্ভেশিয়ার ঠান্ডা বার্গার দিয়ে কলিগদের সাথে সেলিব্রেট করেছিলাম, ঠান্ডা বার্গার-ও এত টেস্টি হতে পারে আগে জানতাম না…

পরিশেষে হায়ার স্টাডি যুদ্ধের সবচেয়ে বড় অস্ত্রের কথা বলে যাই। মটিভেশন লেটার বা এসওপি বা পারসোনাল স্টেটমেন্ট যে নামেই ডাকেন না কেন, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বলে আমি মনে করি। এটাই প্রমান করে আপনি স্টুডেন্ট হিসেবে কতটা আগ্রহী, সত্যি-ই আপনার পড়াশুনার আগ্রহ কতটুকু। মটিভেশন লেটার একটি আয়নার মত, যাতে আপনাকে স্পষ্ট দেখা যাবে।

আমি অনেককেই দেখি ২-৩ টা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে, সাবজেক্ট একটা থেকে আরেকটা অনেকটাই আলাদা, তারা প্রশ্ন করে, “কোন বিশ্ববিদ্যালয়টা ভাল হবে, কোথায় পার্টটাইম জব বেশি পাওয়া যাবে”, অবাক হই, বিশ্ববিদ্যালয় কোনটা ভাল, এটার চেয়ে তো বেশি গুরুত্তপূর্ন প্রশ্ন মনে হয়, আপনি কোন বিষয়টাতে সত্যি-ই পড়তে চান। কোন সাবজেক্ট-টা আপনার ইন্টারেস্ট-এর সাথে বেশি মিলে। আপনি ওইখানে সত্যি-ই পড়তে যাচ্ছেন নাকি ভাল পার্টটাইম জব খুজতে যাচ্ছেন এটা আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার মটিভেশন আগে ক্লিয়ার করতে হবে এবং এটাই আপনার লেটারে ফুটে উঠবে…

মটিভেশন লেটার নিয়ে এসব হল আমার মতবাদ। ভিন্ন জনের ভিন্নটা থাকতে পারে। আমার আরো কিছু মতবাদ আছে। এর মধ্যে একটা হল, আমি মটিভেশন লেটার প্রউফ রিড করাই না। এর পিছনে কিছু যুক্তি আছে এবং যুক্তির পিছনে কিছু সফলতার গল্প-ও আছে। আমি হাই-প্রোফাইল স্টুডেন্ট না, এটা আমার প্রোফাইল দেখলেই বুঝতে পারবেন, তাও আমি ৪-টি স্কলারশিপ এভেইল করেছি। যার মধ্যে ৩-টি কে মোটামুটি বড় বলতে পারেন।
১। নিউ মেক্সিকো স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউএসএ (পার্শিয়াল ফান্ডিং, কভারিং টিউশন ফিস অনলি)।
২। ইরাসমুস মুন্ডুস স্কলারশিপ, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি।
৩। ডাড, জার্মানি।
৪। ইউনিভার্সিটি অফ ব্রেসসিয়া, ইতালি (ফুল ফান্ডিং)
এই প্রোফাইল নিয়েও এই স্কলারশিপ! কারণ অনেক হতে পারে… কিন্তু আমি মনে করি, আমার সাধারন, সাবলিল, সহজ ভাষায় লেখা মটিভেশন লেটারটি-ই অর্ধেক কাজ করে দিয়েছে। কারণ আমার সত্যি-ই স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়ার তিব্র ইচ্ছা ছিল।
আর হ্যা, এই ৪-টি স্কলারশিপ-ই হয়েছে ২০১৭ তে… ২০১৬ বছরটি আসলেই বাজে ছিল।

এত বিশাল লেখার জন্য দুঃখিত। সবাই ভাল থাকবেন… আমার আর আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।

প্রোফাইলঃ
Graduated From: Stamford University Bangladesh
Subject: Civil Engineering
CGPA: 3.71
IELTS: 6.5 (L: 7.0, R: 6.5, W: 6.0, S: 6.5)
GRE: 300 (Q: 160, V: 140, AWA: 3.0)
Publications: 0
Professional Experience: 3 Years.
Intended University: Bauhaus Universitat Weimar.