না মশাই, যতই আধুনিকতার কেতা আওড়ান না কেন, ঐ ছুরি কাঁটার কটকটানি সহযোগে bon appétit কেতায় বাঙালি খায় না। উপচে পড়া থালার দিকে চেয়ে লোলুপ দৃষ্টিতে মিহি গলায় একবার বাঙালি শুধু হাঁকবে, ”তাহলে শুরু করা যাক”, ব্যস! আর পায় কে। বাটিকে বাটি সবজি, মাংস মুহূর্তে গলাধকৃত হয়ে যাবে। গন্ডাখানেক রসগোল্লার রস যদি কবজি গড়িয়ে নাই পড়ে তবে তো খাওয়াই হল না! তবে মশাই, বাঙ্গালিদের পেটুক বলবেন না যেন! ওই একটু ঠেস দিয়ে উঠাবসার জন্যই ভুঁড়িটা রাখতে হয়, এই যা।

তবে এই পরবাসে সেই সুখ আর হল কই! রন্ধন বিনা ভোজন সম্ভব নয় এবং রন্ধনের মত ‘অগ্নিপরীক্ষা’ ইহধামে আর নেই যেন। রান্নার আগে মশলার তালিকা মুখস্থ করা, রাঁধতে গিয়ে কড়াই-খুন্তির সাথে ঘন্টাখানেক ধ্বস্তাধস্তি এবং অবশেষে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে আলুনি বা নুল-ঝালে জর্জরিত কোন একটি বস্তু আবিষ্কার- এতো নব্যরাঁধুনীর নিত্যদিনের রুটিন। এরকমই কিছু অভিজ্ঞতার গল্প এবারে আমাদের লেখকেরা তুলে ধরেছেন তাঁদের চমৎকার রসনাসিক্ত লেখনীতে। আশা করি আমাদের এবারের ‘রন্ধন বিভ্রাট’ পড়তে পড়তে হয়তো কোন কোন গল্পের সাথে নিজের মিল খুঁজে পাবেন অথবা উদ্দীপ্ত হবেন পুনরায় খুন্তি-হাতা নিয়ে রসনাবিলাসে মেতে উঠায়। সেজন্য অগ্রীম শুভ কামনা রইল।

ম্যাগাজিন ডাউনলোড/দেখতে ক্লিক করুন (প্রায় 5.52 মেগাবাইট)

ম্যাগাজিন ভিডিও ট্রেলার দেখুন(নিচে লোড হবে।):

”জার্মান প্রবাসে-জুন ২০১৫ঃ রন্ধন বিভ্রাট” পড়েছেন তো?ম্যাগাজিন ডাউনলোড/দেখতে ক্লিক করুন (প্রায় 5.52 মেগাবাইট)http://www.germanprobashe.com/archives/5443আশা করি, আমাদের এই পরিবেশনা আপনারা বরাবরের মত ভালবাসবেন। গত ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিরবিচ্ছিন্ন প্রকাশনা আপনাদের ভালবাসার জন্যই সম্ভব হয়েছে। আপনারাই আমাদের ম্যাগাজিনের প্রাণ! তাই যেকোন মতামত আমাদের জানাতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।টিম জার্মান প্রবাসে

Posted by জার্মান প্রবাসে on Sunday, June 14, 2015

আশা করি, আমাদের এই পরিবেশনা আপনারা বরাবরের মত ভালবাসবেন। গত ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিরবিচ্ছিন্ন প্রকাশনা আপনাদের ভালবাসার জন্যই সম্ভব হয়েছে। আপনারাই আমাদের ম্যাগাজিনের প্রাণ! তাই যেকোন মতামত আমাদের জানাতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

ম্যাগাজিন ডাউনলোড/দেখতে ক্লিক করুন (প্রায় 5.52 মেগাবাইট)

টিম জার্মান প্রবাসে

১০ জুন ২০১৫
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২২

অনিচ্ছাকৃত বানানভুল ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আবেদন রইল।

——————————————————————–

চাইলে আপনিও লেখা/ছবি পাঠাতে পারেন!

আপনার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ‘জার্মান প্রবাসে’-এ লিখুন

মধ্যযুগের পর ইউরোপ মহাদেশে শিক্ষা-দীক্ষা, মানবিক আচরণ, রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস, দর্শন, সমাজ, রাষ্ট্র, সাহিত্য, চিত্রকলা, ভাস্কর্য ও শিল্পের নানা ক্ষেত্রে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মনস্তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মৌলিক পরিবর্তন সূচিত হয় যা রেনেসাঁ হিসেবে চিহ্নিত। মধ্যযুগের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং জীবনের গতানুগতিকতার বাইরে এই নবজাগরণের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার আঁধার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর।

আপনারা যে দেশের যে শহরের যে বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ুন না কেন একটু ঘাঁটলে দেখবেন এর পেছনে আছে নানা চমকপ্রদ ইতিহাস, আছে নানা ঘটনা। বহু বিখ্যাত বিজ্ঞানী আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে প্রকান্ড ভবন তা হয়ত কয়েকশ বছর পূর্বের কোন সম্রাট তৈরি করেছেন। এছাড়াও পৃথিবীর অনেক বড় বড় আবিষ্কার আপনার আমার প্রতিষ্ঠান থেকেই এসেছে।

আপনাকে যে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত গড়ে তুলছে তার সম্পর্কে আপনি কতটা অবগত? লিখে পাঠান সেসব কথাই। জুলাই মাসের ‘জার্মান প্রবাসে’ ম্যাগাজিন এবার আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে।

ডেডলাইনঃ ২৬ শে জুন, ২০১৫
শব্দসংখ্যা ৫০০ থেকে ১০০০ শব্দের মধ্যে

লেখা পাঠানঃ [email protected]
অথবা পেজের ইনবক্সে পাঠানঃ www.facebook.com/pages/জার্মান-প্রবাসে/212610425614429
ছবির পাঠানোর জন্য বিস্তারিতঃ http://goo.gl/90IVlk
লেখার সাথে নাম ঠিকানা পেশা আর একটি ছবি অবশ্যই পাঠাবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ শুধু জার্মানি বা বাংলাদেশ থেকেই নয়, যেকোন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ম্যাগাজিনে! তাই আমাদের ম্যাগাজিনে লিখতে হলে আপনাকে বাংলাদেশ বা জার্মানিতেই থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই!

জার্মান প্রবাসে আড্ডা দিতে চাইলেঃ www.facebook.com/groups/BSAAG/(৪৫,০০০+ মেম্বার্স)

——————————————————————–

অনলাইনে পড়তে চাইলেঃ