বর্তমান সময় পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম দেশকোনটি? যদি এই প্রশ্নটা করা হয় স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয়া যায় হয়তো কিছু ইংরেজি বুলিওয়ালা দেশই হবে। কিন্তু না। যদিও উত্তম দেশের সংজ্ঞার মধ্যে অনেক মত পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে জার্মানি বর্তমান সময়ের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দেশ (World Economic Forum)। ভালো স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত অবকাঠামো, নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা, শিক্ষা, খেলাধুলা, বিনোদন, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা, চাকরি, বসবাসের জন্য ন্যুনতম জায়গার নিশ্চয়তা, সর্বোপরি পাবলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, এসবের কোন ঘাটতি আছে বলে মনে হয়না জার্মানিতে। তাই বলে একটি ভাল অথবা উত্তম দেশের সব মানুষ যে ভাল সেটার নিশ্চয়তা যেমন দেয়া যায়না, তেমনি সব ভাল মানুষ যে সেখানে গিয়ে ভাল আছে, সেটাও বলা যায়না। ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশের তথাকথিত ভাল দেশে গিয়ে অনেক খারাপ দিনযাপন করছে এমন লোকের সংখ্যাও নিতান্ত কম নয়।

বিদেশ বলতে বেশিরভাগ বাংলার আমজনতার বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে মিডলইস্টের কিছু আরবদেশ অথবা আমেরিকা, কানাডা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া। প্রমান স্বরূপ বলতে পারি, বিয়ের বাজারে কিনা মিডলইস্ট অথবা আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডার পাত্রের ব্যাপক চাহিদা। অস্ট্রেলিয়া যদিও অনেকে বলে থাকে, কিন্তু নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে বললে সেটা খুব সুখকর অনুভূতি নয়। সে যাই হোক, মিডলইস্টে আমরা টাকা উপাৰ্জন করার জন্য গেলেও, কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে, বাকি দেশগুলোতে কিন্তু আমরা সারাজীবন থাকার একটা সুপ্ত বাসনা নিয়েই গমন করি।

সত্যি বলতে কি, খালি ফেসবুকে বিদেশের ছবি দেখে যদি ধরে নেন বিদেশমানেই স্বর্গ অথবা এখানে আসলেই অনেক সুখে থাকা যায়, অনেক টাকা বানিয়ে দেশে প্রাসাদ বানানো যায়, তাহলে বলতে হবে আপনি এখনো ঘোরের মধ্যে আছেন। প্রতিটি মানুষের প্রবাস জীবনের প্রথমার্ধের কাহিনী নিয়ে এক একটা গল্প লিখে ফেলা যাবে এবং বেশিরভাগ মানুষের জন্যই সেটা কোন সুখকর গল্প হবেনা। এটা মেনে নিতেই হবে যে দেশের নিয়মনীতি, অবকাঠমো, ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন, সেই দেশে নতুন গিয়ে সমস্যা একটু বেশি হতেই পারে। অনেকটা নতুন বৌয়ের জামাইবাড়িতে যা হয়। কিন্তু যারা একটু বুদ্ধিমতী, অথবা চালাক, তারা সেটা মেনে নিয়ে কি করে সবকিছু জয় করা যায় সেইদিকেই মনোযোগী হয়। কাজেই বাস্তবতা মেনে নেয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ। এই সহজ কথাটি বুঝতে আপনার যতদিন দেরি হবে আপনি ততদিন পিছিয়ে থাকবেন কোনো সন্দেহ ছাড়াই। অনেকে বিদেশে এসে প্রথমদিন থেকেই ভাল আবাসন, ভাল চাকরি চায় (ভাল চাকরির সংজ্ঞার মধ্যেও আমাদের সংকীর্ণতা আছে, জানার ভুল আছে)। কিন্তু এটা বুঝতে চায়না যে নিজের দেশেও একটা ভাল চাকরি জোটাতে আমাদের কত কষ্ট আর ধৈয্য ধরতে হয়।

আজকে লিখব সবচেয়ে উত্তম/ভাল দেশ নিয়ে নয়,  বিয়ের বাজারে সবচেয়ে ভাল দেশ আমেরিকা, কানাডা নিয়েও নয়, লিখব আবারো অস্ট্রেলিয়া নিয়ে। কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে আমি বলতে পারি, যে লোক নিজের দেশে সফল নয়, সে লোক বিদেশে এসে সফল হবে এমন আশা করা একটু বেমানান বৈকি। সেই সাথে বলতে পারি, যেলোক নিজের কাজ নিজে করতে পারেনা, সেই লোক বিদেশে গিয়ে যে খুব একটা সফল হবে সেটা ভাবাও একটু কষ্টকর। এই কথাটা কেন বলছি সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়া থাকার কারণে হোক অথবা অন্য কোন কারণেই হোক, অনেক পরিচিত, অপরিচিত লোক মাঝে মাঝেই আমাকে মেসেজ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া আসার ব্যাপারে জানতে চায়। সত্যি বলতে কি, সবাইকে আমি আমার সাধ্য মতো পরামর্শ দিয়ে থাকি। কাউকেই পারতো পক্ষে নিরাশ করি না। কিন্তু অবাক হয়ে যাই তখনই, যখন আমার আগেই তারা নিজেরাই হতাশ হয়ে সব কিছু ছেড়ে দেয়। কোথায় যেন পড়েছিলাম, জীবনে হতাশ হবার সময় কোথায়? হতাশার কোনো সুযোগ নেই জীবনে। তারপরও মানুষ হিসেবে হতাশা আসতেই পারে। কিন্তু যতটা এড়িয়ে চলতে পারা যায় ততটাই জীবনের জন্য ভালো। এই কথা গুলো বলছি কারণ, যারা আমার থেকে পরামর্শ চেয়েছে তাদের বেশিরভাগই শুরু করলেও শেষ করতে পারেনি। দু-এক দিন লাফ ঝাঁপ দিলেও শেষ পর্যন্ত আমি নিজেই হতাশ হয়ে যাই ওদের হতাশ হয়ে থেমে যাওয়া দেখে।

বলে রাখা ভালো, অনেকে আবার এসবকে একটু বেশি ঝামেলা মনে করে নিশ্চিত হতে এজেন্সিতে আসা যাওয়া করে।  বাস্তবতা হচ্ছে, এজেন্সী আমার থেকে আরো দু ডিগ্রি বেশি আশা দেখাবে আপনাকে। তারা কাউকেই নিরাশ করে না। পারলেতো আজকেই অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে দেয় আপনাকে।  শুধুমাত্র ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটি ফাইল ওপেন করতে বাকি।  বাকি কাজ এজেন্সী করবে।  বাহ্! কত সহজ! এর পর প্রতিবার এজেন্সীতে যাওয়া মানেই টাকার বস্তা নিয়ে যাওয়া। এজেন্সী ওয়ালাদের বায়নারও অভাব থাকেনা।  এক সময় যখন সব বায়না শেষ হয়ে যায়, তখন দেখবেন আপনাকে আর অতটা গুরুত্ব দিচ্ছে না, ফোন ধরলে কথা বলতে চায় না, অফিস এ আসলে কোথায় যেন আপনাকে অবজ্ঞা করার চেষ্টা করছে। ভাগ্য খুব খারাপ হলে দেখবেন, এজেন্সী অফিসে একসময় বড় তালা লাগানো।    একসময় আপনার স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।  আপনি এখন আর তেমন এজেন্সীতে যান না।  ফোনও দিতে ইচ্ছা করে না।  কিন্তু ততক্ষনে আপনার পকেট থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নেই হয়ে যায়। প্রতিটি দেশের ইমিগ্রেশন ওয়েব সাইটে    এত সুন্দর করে সব বর্ণনা করা আছে, যেটা আপনি চাইলে নিজে নিজেই করতে পারেন। স্টেপ গুলো সব বর্ণনা করা আছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বর্ণনা আছে,  সময় নির্ধারণ করা  আছে।  এমনকি অনলাইন এপ্লিকেশন করার ব্যবস্থাও আছে।  সবকিছু দিবালোক আর স্বচ্ছ কাঁচের মতো পরিষ্কার। আর এই কাজটা যদি আপনি একা না করতে পারেন, তাহলে  বুঝবেন আপনি বিদেশে এসেও কিছু করতে পারবেন না। কারণ, বিদেশে  আপনার সব কিছু আপনাকেই করতে হবে, আর অস্ট্রেলিয়া ব্যাপারে যদি বলি এখানে মোটামুটি ৯৯% কাজ আপনি ইন্টারনেট  অথবা ফোনে করে ফেলতে পারবেন। যদি নিজের দেশ থেকে না পারেন, তাহলে এখানে পারবেন সেই আশা দুরাশা। এখন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন কেন আগে বলেছিলাম যেলোক নিজের কাজ নিজে করতে পারেনা, সেই লোক বিদেশে গিয়ে যে খুব একটা সফল হবে সেটাও একটু কষ্টকর।1

যাই হোক, আসল কথায় যাবার আগে একটা অতিরিক্ত কথা বলব।  বিদেশে বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া (যেহেতো আমি এটা নিয়েই জানি, কিন্তু বাকি দেশের জন্যও কম বেশি প্রযোজ্য) আসতেই হবে এমন কোন কথা নেয়। দেশ থেকেও ভাল করা যায়। দেশে থেকেও সুখী থাকা যায়।  কিন্তু কেউ যদি আমার মতো বিদেশে এসে তথাকথিত সুখী হতে চায়, তাহলে আমি বলব আপনার শুরু করার সময় ঠিক এই মুহূর্ত।  না, পরের সপ্তাহ, পরের মাস এমনকি পরের বছরও না।  এটা এমন না যে আপনি আজকে শুরু করলে কালকেই রেজাল্ট পেয়ে যাবেন। বাচ্চা আছে, আসবে, বিয়ে করবেন, বাবা মা আছে, ভালো জব করেন দেশে, সেটা ছাড়বেন কিনা দ্বিধায় আছেন, আমি বলে দিতে পারি, আপনার বিদেশে আসার ইচ্ছা সফল হবে না।  আপনি যদি এই মুহূর্তে শুরু করতে না পারেন, খুব সম্ভবত পরেও পারবেন না।  দেশে ভাল চাকরি আমিও করতাম আমার সময়ে।  সেটা ছেড়ে আসা সহজ ছিল না।  কিন্তু তারপর আমি জার্মানি চলে গিয়েছিলাম জীবনের আরো একটি হিসাবের মীমাংসা করতে।  সব ক্ষেত্রে সফল নই আমি, কিন্তু তাতে কি, চেষ্টা করে সফল না হলেও কষ্ট নেয়।  কাজেই নেমে পড়ুন, চেষ্টা করতে থাকেন। প্রতিটা শুরুরই শেষ থাকা উচিত এবং সেটা মাঝপথে নয়।  আমি IELTS  পাঁচ বার দিয়েছিলাম।  আমার জানা একজন আছে যেকিনা ১৪ বার দিয়েছিল।  আমি উনার থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম।  আমার জীবনে কিছুই প্রথম বার হয়নি। ড্রাইভিং টেস্ট আমি অষ্টম বার দিয়ে পাস করেছি।  সেই অন্য কথা।

এরপর যা বলবো তার সবটাই অস্ট্রেলিয়ান ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে আছে। চাইলে আপনি একটু ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন।  সেটাই বরং ভাল হয়।  অস্ট্রেলিয়া আসার অনেক ভিসা ক্লাস আছে।  পার্মানেন্ট ভিসায় আসার জন্য মোটামুটি দুইটি ভিসা ক্লাস খুবই জনপ্রিয়।  বলে রাখা ভাল, আপনি অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর যেখানেই থাকেন না কেন, আবেদন করার পক্রিয়া মোটামুটি একই রকম।  আর আমি বলব, পৃথিবীর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পার্মানেন্ট ভিসায় আবেদন করার পক্রিয়া সবচেয়ে সোজা, সহজ আর স্বচ্ছ। কারণ হিসেবে  বলতে পারি, পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইন ভিত্তিক আর ব্যতিক্রম ছাড়া আপনার কোন ইন্টারভিউ হবেনা।  যেখানেই সরাসরি ইন্টারভিউ ব্যাপার থাকে সেখানেই ব্যক্তি বিশেষের পছন্দের/অপছন্দের অলিখিত একটা ইস্যু থেকেই থাকে। অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে এই ধরণের কোন ঝামেলা নেয়. আপনার গায়ের রং, ধর্ম, বিশ্বাস, ভৌগোলিক অবস্থান এক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলে না।

যে দুইটি ভিসা ক্লাস এর কথা বলছিলাম তার দুইটাই পার্মানেন্ট ভিসা ক্লাস এবং বেশিরভাগ ইমিগ্র্যান্ট এই দুই ভিসা পছন্দ করে, কারণ বাকি ভিসা গুলোতে অনেক শর্ত দেয়া থাকে এবং সেগুলো অস্থায়ী ভিত্তিক।  সবার আগে বলব যে ভিসাটি নিয়ে সেটি Skilled Independent visa (subclass 189)। এই ভিসাটি পার্মানেন্ট ভিসার জন্য সবার প্রথম পছন্দ।  এই ভিসায় যে সুবিধা পাওয়া যায় সেটা আমি সরাসরি তুলে দিলাম।

  • stay in Australia indefinitely
  • work and study in Australia
  • enroll in Medicare, Australia’s scheme for health-related care and expenses
  • apply for Australian citizenship (if you are eligible)
  • sponsor eligible relatives for permanent residence
  • travel to and from Australia for five years from the date the visa is granted (after that time, you will need a resident return visa or another visa to return to Australia).

এর পরের ভিসা হচ্ছে Skilled Nominated visa (subclass 190)। এই ভিসাটি যদিও পার্মানেন্ট তারপরও একটি ছোট শর্ত আছে। সাধারণত যারা ১৮৯ ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় পয়েন্ট থেকে ৫ পয়েন্ট কম থাকে তারা অস্ট্রেলিয়া যেকোনো স্টেট থেকে নোমিনেশন নিতে পারেন যদি আপনার যোগ্যতা ওদের চাহিদার মধ্যে থাকে। শর্তটি আর কিছু না, যে স্টেট এর স্পনসর নিবেন, সেই স্টেটএ  আপনাকে  থাকতে হবে  কমপক্ষে দুই বছর।  ভালতো! এছাড়া বাকি সব সুবিধা পূর্বের ভিসার মতই।

এবার  একটু স্টেপ গুলোর কথা বলি।  প্রথমেই আপনাকে হিসাব করতে হবে আপনার পয়েন্ট কত হয়।  উল্লেখ্য যে, এই ধরণের ভিসার জন্য ৬০ হচ্ছে পাস মার্ক।  এর চেয়ে বেশি হলে আপনাকে ঠেকায় সাধ্য কার। যদি প্রয়োজনীয় পয়েন্ট থেকে কম থাকে তাহলে আপনাকে একটু কাজ করতে হবে কিভাবে পয়েন্টগুলো পাওয়া যায়। আর যদি মিলে যায়, তাহলে প্রথমেই আপনাকে আপনার যোগ্যতা যাচাই অথবা প্রমান করতে হবে। আপনার পেশার উপর  নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়াতে বিভিন্ন সরকারি ইনস্টিটিউট আছে যারা নির্ধারিত ফী দিয়ে আপনার পেশা যাচাই করবে এবং আপনাকে একটি পেশা কোড দিয়ে সার্টিফাই করবে। উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি, যারা ইঞ্জিনিয়ার তারা “Engineers Australia” থেকে কোড নিতে হবে। সেই কোডের পেশাটি আবার অস্ট্রেলিয়া অথবা স্টেট এর চাহিদার মধ্যে থাকতে হবে। এই পেশার কোডটি নেবার জন্য আপনাকে IELTS টেস্ট দিতে হবে। আপনার টেস্ট এর টার্গেট থাকতে হবে ওদের চাহিদার উপর। একবার যখন পেশার কোডটি পেয়ে যাবেন, তখন দ্রুত আবেদন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনাকে আসলে প্রথমে যেটা করতে হবে একটা Expression of Interest দিতে হবে অনলাইনে। এরপর বাকি কাজ ওদের। আপনার পয়েন্ট যদি প্রয়োজনীয় পয়েন্ট এর সমান অথবা বেশি থাকে, তাহলে আপনাকেই তারা একটি ইমেইল পাঠাবে আবেদন করার জন্য। মোদ্দা কথা আপনাকে নিমন্ত্রণ করবে। আপনি নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে সব কাগজ পত্র নিয়ম অনুযায়ী অনলাইন সিস্টেমএ আপলোড করে দিলেই আপনার কাজ শেষ। এবার অপেক্ষার পালা। আপনার জন্য একজন কেস অফিসার থাকবে যে কিনা প্রয়োজনে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং আপনিও করতে পারেন চাইলে। তবে বেশি উৎসাহিত না হয়ে চুপ করে অপেক্ষা করায় শ্রেয়। যদি আপনার সব কাগজ পত্রে কোন ঘাপলা না থাকে, তাহলে আমি নিশ্চিত আপনি ভিসা পাবেন। অনেক সময় এই অপেক্ষার সময়টা একটু দীর্ঘ হতে পারে। কিন্তু চিন্তা করার কিছু নেই। সবুরে মেওয়া ফলে। বলে রাখা ভাল, একই সময় আবেদন করে কেউ আগে ভিসা পেতে পারেন, আবার কেউ দুদিন পর পাবেন। ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

ব্যাপারগুলো আপাত দৃষ্টিতে অনেক জটিল মনে হলেও একবার যখন শুরু করবেন, দেখবেন সোজা হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।  শুধু ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিবেন। মনে রাখবেন, আপনার হয়ে কেউ কাজ করবে না, সারা জীবনের একটি সিদ্ধান্ত একটু কষ্ট করেই নিতে হয়। কাজেই অনলাইনে সময় দেন।  ফেইসবুক, ইউটুবে তো কত সময় দিয়ে থাকেন। নিচে আমি পয়েন্ট তালিকাটি পুরাই তুলে দিলাম।

Factor Description Points
Age 18–24 years 25
25–32 years 30
33–39 years 25
40–44 years 15
45–49 years 0
English language ability

Test results must be no older than three years immediately before the day on which the visa application was made.

Competent English

 

0
Proficient English 10
Superior English

 

20
Skilled employment

Only 20 points can be awarded for any combination of skilled employment in and outside Australia

Outside Australia: skilled employment in your nominated skilled occupation or a closely related skilled occupation
·         In skilled employment for at least three but less than five years (of the past 10 years) 5
·         In skilled employment for at least five but less than eight years (of the past 10 years) 10
·         In skilled employment for at least eight and up to 10 years (of the past 10 years) 15
In Australia: skilled employment in your nominated skilled occupation or a closely related skilled occupation
·         In skilled employment for at least one but less than three years (of the past 10 years) 5
·         In skilled employment for at least three but less than five years (of the past 10 years) 10
·         In skilled employment for at least five but less than eight years (of the past 10 years) 15
·         In skilled employment for at least eight and up to 10 years (of the past 10 years) 20
Qualifications Doctorate from an Australian educational institution or other doctorate of a recognised standard 20
At least a bachelor degree from an Australian educational institution or other degree of a recognised standard 15
Diploma or trade qualification completed in Australia 10
An award or qualification recognised by the assessing authority in the assessment of the skilled occupation 10
Australian study requirement One or more degrees, diplomas or trade qualifications awarded by an Australian educational institution and meet the Australian study requirement 5
Specialist Education Qualification Post Graduate Degree by Research through a course or courses taken for at least two academic years at an Australian educational institution 5
Other factors Credentialled community language qualifications 5
Study in regional Australia or a low population growth metropolitan area (excluding distance education) 5
Partner skill qualifications 5
Professional year in Australia for at least 12 months in the four years before the day you were invited to apply 5
Nomination/sponsorship (where required) Nomination by state or territory government (visa subclass 190 only) 5
Nomination by state or territory government or sponsorship by an eligible family member to reside and work in a specified/designated area (visa subclass 489 only)

 

সবশেষে বলব যদি উপরের ভিসা ক্লাস দুইটি  আপনার সাথে না যায়, তাও হতাশ হবার কোন কারণ নেই।  আরো কিছু ভিসা ক্লাস আছে যেগুলো অস্থায়ী ভিসা কিন্তু পার্মানেন্ট ভিসা পাবার নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। সেই সব ভিসা নিয়ে অন্য একদিন লিখা যাবে যদি সুযোগ পাই। যারা আমেরিকা, কানাডা অথবা জার্মানি আছেন, কিন্তু অস্ট্রেলিয়াকে বাড়ি হিসেবে চান, তারাও আবেদন করতে পারেন। আমার দেখা অনেক মানুষ আছে এখানে যারা ওখান থেকে এসে অস্ট্রেলিয়াতে বসবাস করছে। একটা বিকল্প হিসেবে ব্যাপারটা তৈরি করে রাখতেতো  আর সমস্যা নেই।কোন দেশে কখন কে প্রেসিডেন্ট হয় বলা মুশকিল। সবার জন্য শুভকামনা থাকল।

 

Source: WWW.border.gov.au

table source: http://www.border.gov.au/Trav/Visa-1/190-

অস্ট্রেলিয়াতে যদি পিএইচডি করতে হয় …